pytheya.blogspot.com Webutation

৭ মার্চ, ২০১২

Arabians: প্রাচীন আরবীয়দের ধর্ম ও কূ-সংস্কার।


হিমাইরার বংশোদ্ভূত আবরদের (Arabians) মধ্যে মাজীবাদ এবং সেবীয় ধর্মের প্রতিনিধি ছিল। বনি খাসান-বুধের, জোধাম-বৃহস্পতির, বনি তাঈ-ক্যানোপাসের; কায়েস আহলানের বংশধররা-লব্ধক নক্ষত্রের এবং কুরাইশদের একটি অংশ-তিন চন্দ্রদেবীর আল লাত (দীপ্তিমান চন্দ্র), আল মানাত (অন্ধকারাচছন্ন চন্দ্র) এবং আল-উজ্জা (দীপ্তি আধিয়ার সমন্বিত চন্দ্র)-যাদেরকে আল্লাহর দুহিতা মনে করা হত, তাদের উপাসনা করত। 

মক্কা নগরী সুদূর প্রসারী পৌত্তলিকতার কেন্দ্র ছিল এবং তার শাখা-প্রশাখা সমগ্র আরব উপদ্বীপের বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে বিস্তারলাভ করেছিল। কুরাইশরা রাজনৈতিক ও বংশগত সম্পর্কের দিক দিয়ে তাদের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত কিনান আলডোরাবন-নক্ষত্র ছাড়াও মক্কা থেকে দেড় দিনের দূরবর্তী নাখলা নামক স্থানে অবস্থিত একটি বৃক্ষ দ্বারা প্রতিবেদিত দেবী উজ্জার উপাসনা করত। হাওয়ারিজম গোত্র মক্কার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিচরণ করত এবং তায়েফে অবস্থিত দেবী লাতের মূর্ত্তিই ছিল তাদের প্রিয় উপাস্য। প্রাচীন সেমিটিক, ফিনিশীয় ও ব্যাবিলনীয় জাতিসমূহের মধ্যে প্রচলিত উপাসনার প্রকৃতির মত এসব মূর্ত্তির পূজা ছিল প্রধানতঃ সৃষ্টিরূপিনী মাতৃপূজা। 

কিন্তু আরব জাতির অধিকাংশ গোত্র, বিশেষ করে খোজার বংশের অন্তর্গত গোত্রসমূহ এক অত্যন্ত নিম্নস্তরের জড়বাদের প্রতি আসক্ত ছিল। ইতর প্রাণী ও উদ্ভিদ দ্রুতগামী হরিণ, ঘোড়া, উট, খেজুরগাছ, পর্বত, পাথর ইত্যাদির মত অজৈব বস্তু প্রধান উপাস্য বিষয়ের অন্তর্ভূক্ত হয়েছিল। অবশ্য এক সার্বভৌম ঐশী সত্ত্বার ধারণা অপরিজ্ঞাত ছিল না। কিন্তু তার প্রভাব অত্যন্ত নগন্য সংখ্যক লোকের মধ্যে সীমিত ছিল। এই লোকগুলি পৌত্তলিকতার মোহপাশ থেকে মুক্ত হয়ে প্রতিবেশী সেবীয়, মূসা কিম্বা ঈসার শরীয়তের ও পার্থিব পৌরাণিক ধারণা দ্বারা রঞ্জিত দার্শনিক সংশয়বাদের আশ্রয় নিয়েছিল। তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক লোক সর্বশক্তিমান আল্লাহর ধারণা স্পষ্ট স্বীকার করত এবং যুগের অশ্লীলতা ও স্থূল জড়বাদের বিরুদ্ধে অন্তরে বিদ্রোহ অনুভব করত।

পৌত্তলিক আরবদের মধ্যে সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে ধারণা ব্যক্তি বা গোত্র ভেদে বিভিন্নরকম ছিল। কোন কোন গোত্র প্রাকৃতিক বস্তুতে দেবত্ব আরোপ করত, কেউ কেউ মৃত্তিকা, দন্ড কিংবা পাথর পূজা করত; কেউ কেউ পরকালে বিশ্বাস করত আবার কারও সে সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না। তাদের দৈববাণীর জন্যে বৃক্ষ ছিল, পুরোহিতবৃন্দ ছিল যারা সাধারণতঃ মন্দিরের সাথে যুক্ত থাকত। লিঙ্গপূজা তাদের মধ্যে অজ্ঞাত ছিল না। প্রজনন শক্তিসমূহ পাথর ও কাঠের তৈরী স্মৃতিস্তম্ভের তলায় পূজা লাভ করত।

আরবরা নিজেদের তৈরী বিভিন্ন রকম কূ-প্রথা ও কুসংস্কারের সাথে সম্পর্কযুক্ত ছিল। তাদের অভ্যাস ছিল যে, শস্যক্ষেত্র, বাগান এবং ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে যা কিছু আয় হত; তার একাংশ আল্লাহর জন্যে এবং একাংশ উপাস্য দেবদেবীদের নামে পৃথক করে রাখত। আল্লাহর নামের অংশ থেকে ফকির-মিসকীনকে দান করা হত এবং দেবদেবীর অংশ মন্দিরের পূজারী, সেবায়ত ও রক্ষকদের জন্যে ব্যয় করত।

প্রথমতঃ এটাই কম অবিচার ছিল না যে, যাবতীয় বস্তু সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ এবং সমুদয় উৎপন্ন ফসলও তিনিই দান করেছেন, কিন্তু আল্লাহ প্রদত্ত বস্তুসমূহের মধ্যে প্রতিমাদেরকে অংশীদার করা হত। তদুপরি তারা আরও অবিচার করত এই যে, কখনও উৎপাদন কম হলে তারা কমের ভাগটি আল্লাহর অংশ থেকে কেটে নিত, অথচ মুখে বলতঃ আল্লাহ তো সম্পদশালী, অভাবমুক্ত-তিনি আমাদের সম্পদের মুখাপেক্ষী নন। এরপর প্রতিমাদের অংশ এবং নিজেদের ব্যাবহারের অংশ পুরোপুরি নিয়ে নিত। আবার কোনসময় এমন হত যে, প্রতিমাদের কিম্বা নিজেদের অংশ থেকে কোন বস্তু আল্লাহর অংশে পড়ে গেলে তা হিসাব ঠিক করার জন্যে সেখান থেকে তুলে নিত। পক্ষান্তরে যদি আল্লাহর অংশ থেকে কোন বস্তু নিজেদের কিম্বা প্রতিমাদের অংশে পড়ে যেত, তবে তা সেখানেই থাকতে দিত এবং বলতঃ আল্লাহ অভাবমুক্ত; তাঁর অংশ কম হলেও ক্ষতি নেই। 

এ সংক্রান্ত কোরআনের আয়াতসমূহ-আল্লাহ যেসব শস্যক্ষেত্র ও জীবজন্তু সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো থেকে তারা এক অংশ আল্লাহর জন্যে নির্ধারণ করে অতঃপর নিজ ধারণা অনুসারে বলে, এটা আল্লাহর এবং এটা আমাদের অংশীদারদের। অতঃপর যে অংশ তাদের অংশীদারদের, তা তো আল্লাহর দিকে পৌঁছে না এবং যা আল্লাহর তা তাদের উপাস্যদের দিকে পৌঁছে যায়। তাদের বিচার কতই না মন্দ।(৬:১৩৬)

আরবরা আল্লাহ যে সব বস্তু অবৈধ করেছিলেন, সেগুলো বৈধ মনে করে ব্যাবহার করতে শুরু করেছিল। পক্ষান্তরে আল্লাহ কর্তৃক হালালকৃত অনেক কিছুকে তারা নিজেদের জন্যে হারাম করে নিয়েছিল এবং কোন কোন পশুকে এবং তার গর্ভস্থ বাচ্চাকে শুধু পুরুষদের জন্যে হালাল, স্ত্রীদের জন্যে হারাম করে নিয়েছিল। আবার কোন কোন পশু বা তার গর্ভস্থ বাচ্চাকে স্ত্রীদের জন্যে হালাল, পুরুষদের জন্যে হারাম করেছিল। হারাম করেছিল কিছু কিছু প্রাণীর পিঠে আরোহণ। কিছু শস্যক্ষেত যার ফসল নির্দিষ্ট কিছু লোক ছাড়া কেউ খেতে পারত না। তাই তাদের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত আয়াতসমূহ অবতীর্ণ হয়েছিল। - তারা বলেঃ এসব চতুষ্পদ জন্তু ও শস্যক্ষেত্র নিষিদ্ধ। আমরা যাকে ইচ্ছে করি সে ছাড়া এগুলো কেউ খেতে পারবে না, তাদের ধারণা অনুসারে। আর কিছু সংখ্যক চতুষ্পদ জন্তুর পিঠে আরোহণ হারাম করা হয়েছে এবং কিছু সংখ্যক চতুষ্পদ জন্তুর উপর তারা ভ্রান্তধারণাবশতঃ আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে না তাদের মনগড়া বুলির কারণে, অচিরেই তিনি তাদের শাস্তি দেবেন।(৬:১৩৮)

তারা বলেঃ এসব চতুষ্পদ জন্তুর পেটে যা আছে, তা বিশেষভাবে আমাদের পুরুষদের জন্যে এবং আমাদের নারীদের জন্যে তা হারাম। যদি তা মৃত হয়, তবে তা প্রাপক হিসেবে সবাই সমান। অচিরেই তিনি তাদের বর্ণনার শাস্তি দেবেন। তিনি প্রজ্ঞময়, মহাজ্ঞানী।(৬:১৩৯)

সৃষ্টি করেছেন আটটি নর ও মাদী। ভেড়ার মধ্যে দু‘প্রকার ও ছাগলের মধ্যে দু‘প্রকার। জিজ্ঞেস কর, তিনি কি উভয় নর হারাম করেছেন, না উভয় মাদীকে? না যা উভয় মাদীর পেটে আছে? তোমরা আমাকে প্রমানসহ বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও।(৬:১৪৩)
সৃষ্টি করেছেন উষ্ট্রের মধ্যে দু‘প্রকার এবং গরুর মধ্যে দু‘প্রকার। তুমি জিজ্ঞেস কর, তিনি কি উভয় নর হারাম করেছেন, না উভয় মাদীকে, না যা উভয় মাদীর পেটে আছে? তোমরা কি উপস্থিত ছিলে, যখন আল্লাহ এ নির্দেশ দিয়েছিলেন? অতএব সে ব্যক্তি অপেক্ষা বেশী অত্যাচারীকে, যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যে ধারণা পোষন করে যাতে করে মানুষকে বিনা প্রমানে পথভ্রষ্ট করতে পারে? নিশ্চয় আল্লাহ অত্যাচারী সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শণ করেন না।(৬:১৪৪) 

যে সব বৈধ পশুর মাংস, দুধ ইত্যাদি দ্বারা তারা উপকৃত হতে পারত, নিজেদের পক্ষ থেকে শর্তাদি আরোপ করে তা তারা হারাম করে ফেলত এবং এতে দেবতার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের উপায় বলে মনে করত। এই সকল পশুদের তারা বিভিন্ন নামে অভিহিত করত। যেমন বহিরা, সায়েবা, হামী, ওসিলা ইত্যাদি। 
বহিরাঃ এই পশুকে চিহ্নিত করে এর দুধ দেবতার নামে উৎসর্গ করা হত এবং কেউই নিজের কাজে ব্যবহার করত না।
সায়েবাঃ এই পশুকে চিহ্নিত করে দেবতার নামে ছেড়ে দেয়া হত।
হামীঃ পুরুষ উট যে বিশেষ সংখ্যক রমন ক্রিয়া সমাপ্ত করে। একেও চিহ্নিত করে দেবতার নামে মুক্ত ছেড়ে দেয়া হত।
ওসিলাঃ যে উষ্ট্রী উপর্যুপরী মাদী বাচ্চা প্রসব করে। একেও চিহ্নিত করে দেবতার নামে মুক্ত ছেড়ে দেয়া হত।

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াত- আল্লাহ বহিরা, সায়েবা, ওসিলা এবং হামীকে শরিয়ত সিদ্ধ করেননি। কিন্তু যারা অবিশ্বাসী তারা আল্লাহর উপর মিথ্যে অপবাদ আরোপ করে। তাদের অধিকাংশের বিবেক-বুদ্ধি নেই।(৫:১০৩)

তারা আল্লাহর জন্যে কন্যাসন্তান নির্ধারণ করত। আর তারা নিজেদের ঘরে কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণকে এত খারাপ মনে করত যে, সন্তান হবার পর লজ্জায় মানুষের সামনে যেত না এবং এই ভাবনায় পড়ত যে, সে কি কন্যা সন্তানটিকে জীবিত রাখবে, না তাকে জীবিত কবর দিয়ে এ থেকে নিস্কৃতি লাভ করবে। 
তাদের এ অপকর্ম সংক্রান্ত কোরআনের আয়াতসমূহ- তারা আল্লাহর জন্যে কন্যসন্তান নির্ধারণ করে- তিনি পবিত্র মহিমান্বিত এবং নিজেদের জন্যে ওরা তাই স্থির করে যা ওরা চায়। যখন তাদের কাউকে কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেয়া হয়, তখন তার মুখ কাল হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। তাকে শোনান সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে, না তাকে মাটির নীচে পুঁতে ফেলবে। শুনে রাখ তাদের ফয়সালা অতি নিকৃষ্ট। (১৬:৫৭-৫৯) 

কোন কোন গোত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটলে কবরের উপর উট বলি দেয়া হত কিংবা অনাহারে মরতে দেয়া হত এই বিশ্বাসে যে, পরকালে ঐ পশু মৃতের বাহন হিসেবে কাজ করবে। 

কেউ কেউ বিশ্বাস করত মৃত্যুর পর আত্মা হামাপাখির আকৃতি ধারণ করে এবং মৃতব্যক্তি খুন হয়ে থাকলে, পাখিটি কবরের উপর ‘আমাকে পানি দাও’ বলতে থাকে যতক্ষণ না হত্যার প্রতিশোধ গ্রহণ করা হয়। 

জ্বীন, পিশাচ এবং তাদের বিগ্রহ থেকে প্রাপ্ত ভবিষ্যৎবাণী ‘আযলাম’ যা তীর নিক্ষেপের মাধ্যমে পাওয়া যেত, তাতে বিশ্বাস ছিল সার্বজনীন। 

ইহুদিরা যারা বিভিন্ন সময়ে পরিস্থিতির চাপে আরবে প্রবেশ করেছিল তারা ইব্রাহিমের আল্লাহর ধারণার সঙ্গে উপাস্যের জড়াত্মক ধারণার সংমিশ্রণ ঘটিয়েছিল, তাই তারা কা’বা গৃৃহের অভ্যন্তরে ইব্রাহিমের মূর্ত্তির পাশে উৎসর্গের জন্যে একটি ভেড়ার মূর্ত্তি নির্মাণ করেছিল। এছাড়া তারা কখনও টেরাফিমের উপাসনা (এক ধরনের পারিবারিক দেবতার উপাসনা যা মানুষের আকৃতিতে তৈরী হত এবং পারিবারিক দৈববাণীরূপে তার পরামর্শ প্রার্থনা করা হত কিংবা তাকে অভিভাবক গৃহদেবতা হিসেবে বিবেচনা করা হত) পরিত্যাগ করেনি বরং পৌত্তলিক আরবদের সংস্পর্শে এসে তারা উৎসাহের সাথে এই উপাসনা করত- যা তাদের একত্ববাদী ধর্মমতের সাথে আদৌ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।

এদিকে ঈসা তার যাবতীয় স্বপ্ন ও আকাংখা নিয়ে ও তার অত্যুৎসাহী অনুসারীদের আরোপিত সকল প্রবঞ্চনা হতে সম্পূর্ণ মুক্ত থেকে কখনও নিজেকে আল্লাহর পরিপূরক বা ঐশী সত্ত্বার অংশ বলে দাবী না করলেও তার অনুসারীদের অধিকাংশ পরবর্তীতে সার্বজনীন পিতার দূরবর্তীতায় বিভ্রান্ত হয়ে মধ্যবর্তী পথে এক মানবিক ব্যক্তিত্বের মধ্যে আশ্র্রয় খোঁজে এবং তাকে মানব ঈশ্বর বলে পূজা করতে শুরু করে দেয়। এমনকি তারা কুমারী মরিয়মের উপরও ঈশ্বরত্ব আরোপ করে তারও পূজায়রত হয় এবং সেই আদিম উপাসনায় ফিরে যায় যা ঈসা ও পূর্ববর্তী সকল নবীরাই বর্জন এবং গুরুপাপ বলে ঘোষণা করেছিলেন।

আরবের প্রত্যেক গোত্রের ছিল বিশেষ বিগ্রহ ও বিশেষ মন্দির এবং প্রায়ই বিরোধী মন্দিরের উপাসকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা বাঁধত। কিন্তু ইব্রাহিম ও ইসমাইলের প্রতিষ্ঠিত উপাসনালয় কা’বার খ্যাতি ছিল শীর্ষস্থানের। এখানে ইহুদি ও সেবিয়ানরাও তাদের নৈবদ্য পাঠাত। এই উপাসনালয়ের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে অত্যন্ত ঈর্ষার বস্তু ছিল। হেফাযতকারীরা সর্বাপেক্ষা সম্মানজনক ভূমিকায় এবং সুযোগ-সুবিধায় অভিষিক্ত ছিল।

সমাপ্ত।

উৎস: হিস্ট্রি অব আরবস -ফিলিপ কে হি্ট্টি। দি স্পিরিট অব ইসলাম -সৈয়দ আমীর আলী। এন্সিয়েন্ট মনার্কী -শিলথন।

1 টি মন্তব্য: