pytheya.blogspot.com Webutation

১৭ মার্চ, ২০১২

Heaven: শাদ্দাদের ভূ-স্বর্গ কাহিনী।

আ‘দ সম্প্রদায় আরব উপদ্বীপের প্রথম আগন্তুক ও ঔপনিবেশিক। তারা মধ্য আরবে প্রধানভাবে বসতিস্থাপন করেছিল। এই অঞ্চলটি ইয়েমেন, হাদ্রামাউত ও ওমানের সন্নিকটবর্তী। তাদের অস্তিত্বের একসময় তারা শক্তিশালী ও বিজেতা জাতিতে পরিণত হয়েছিল। এ জাতিরই একজন নৃপতি ছিলেন শাদ্দাদ (Sha-Adad)। পূর্ণ নাম- Shamshi-Adad। তিনি সম্ভবতঃ আরবের বাইরে তার শক্তি ও প্রতিপত্তি বিস্তৃত করতে পেরেছিলেন।

হিকসসের অভিযান।
তিনি ইরাক জয় করেছিলেন এমনকি ভারতের প্রান্তসীমা পর্যন্ত এসেছিলেন। তিনি ব্যাবিলন বা কলদীয় জয় করেছিলেন (যাহোক অভিযান)। তিনি মিসর ও সুদূর পশ্চিমে অভিযান চালিয়েছিলেন- হিকসসের অভিযান (Hyksos Invasion)। এই যাযাবর অভিজেতা ও তার জাতি আল্লাহর গজবে নিপতিত হয়েছিল।

এই নৃপতি সম্পর্কে এতটুকু জানা যায় যে- He was in control of a large empire, controlling the whole of Upper Mesopotamia. He proclaimed himself as "king of all".

Sha-Adad was a great organizer and he kept a firm controls on all matters of state, from high policy down to the appointing of officials and the dispatching of provisions. His campaigns were meticulously planned, and his army knew all the classic methods of siegecraft, such as encircling ramparts and battering rams.এতটা্ই জানা যায় উইকিপিডিয়া থেকে। 

আর তার ধ্বংস সম্পর্কে Wikipedia জানায়- Sha-Adad continued to strengthen his kingdom throughout his life, but upon his death, it soon began to crumble. কেন? কারণ, তার empire lacked cohesion and was in a vulnerable geographical position. যাইহোক, এখন আমরা দেখি ধর্মগ্রন্থগুলো তার মৃত্যু এবং সাম্রাজ্যের পরিণতি সম্পর্কে কি বলে-

বনি আ‘দ ধ্বংসপ্রাপ্ত নূহের জাতির প্রাচীন বাসস্থানে বসতি স্থাপন করেছিল। নূহের ঐ প্লাবনের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে তাদের শিক্ষা নেয়া এবং এসময় আরও ভাল হওয়া তাদের উচিত ছিল। কিন্তু এক ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির স্থলাভিষিক্ত হওয়া সত্ত্বেও এই সম্প্রদায় অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেনি। ফলে আবশ্যম্ভাবী পরিণতির দিকে এগিয়ে গেল তারা।

ম্যাপে মা'আরিবের অবস্থান।
শাদ্দাদ। এই নৃপতি আরবের বাইরেও তার শক্তি ও প্রতিপত্তি বিস্তার করেছিলেন। ফলে তিনি প্রচন্ড উদ্ধ্যত ও অহংকারী হয়ে পড়েছিলেন। প্রজাগণ তাকে উপাস্যের আসনে বসিয়েছিল। হযরত হুদকে নব্যুয়ত দান করে আল্লাহ প্রেরণ করলেন পথভ্রষ্ট এই আ’দ সম্প্রদায়ের কাছে।

হুদ প্রথমে শাদ্দাদকে বেঁছে নিলেন সত্য পথ প্রদর্শণে। তিনি ভাবলেন একজন নৃপতি সত্যকে গ্রহণ করলে তার সম্প্রদায় ও অন্যান্যরা তা গ্রহণ করতে উৎসাহিত হবে। কিন্তু তার এই আশা ছিল সূদূর পরাহত। শাদ্দাদ তার ক্ষমতা ও শক্তি সম্পর্কে আস্থাশীল ছিলেন। সুতরাং তিনি হুদের আহবানে তার প্রতিপালকের কাছে নতি স্বীকার করেন কিভাবে, যখন তাঁর ক্ষমতা বা শক্তি সম্পর্কে তার কোন ধারণা নেই? 

‘হে শাদ্দাদ! এক আল্লাহর উপাসনা করুন। তিনি প্রতিপালক আপনার এবং আমার। আর তিনি ব্যতিত অন্য কোন উপাস্য নেই।’-হুদের এই আহবানে শাদ্দাদ স্তম্ভিত। একজন মহান সম্রাটের নিকট এই নির্বোধ ব্যক্তি নির্ভয়ে কি অদ্ভূত আবেদনই না নিয়ে এসেছে? শাদ্দাদ বিষ্মিত হলেও হুদকে তাড়িয়ে দিলেন না বা হত্যার আদেশও দিলেন না। বরং তিনি কৌতুহলী হলেন এবং বললেন, ‘হে হুদ! তোমার প্রতিপালকের উপাসনার বিনিময়ে আমি কি পাব?’
‘পরকালে বেহেস্ত লাভ।’-হুদের ত্বরিৎ জবাব। তিনি বেহেস্তের অপার সুখ সমৃদ্ধির বর্ণণা দিলেন। gardens of eternal verdure, and palaces of gold and jewels." 

শাদ্দাদ হুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। But the king answered, "I stand not in need of thy promises, for I can even in this world build me gardens and pleasure-houses of gold, and costly pearls, and jewels." তিনি পরিষদবর্গের দিকে ফিরে তাদের সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে বললেন, “বিজ্ঞ পরিষদবর্গ, আমরা কি এমন একটা তৈরী করতে পারব না?”
তারা বলল, “অবশ্যই এবং তা হবে হুদের বর্ণনার চেয়ে আরো সুন্দর, আরো নয়ন মনোহর এবং অারও উপভোগ্য।”

হুদ বললেন, “বেহেস্তের অপার সুখভোগ দুনিয়ার কেউই লাভ করতে সমর্থ নয়।”
তিনি বললেন, “ওহে হুদ! শাদ্দাদের ক্ষমতা সম্পর্কে তোমার কোন ধারণাই নেই। অামি “king of the universe,” সুতরাং অপেক্ষা কর এবং দেখতে থাক।” আত্ম-অহংকারে বলিয়ান শাদ্দাদ মর্ত্যরে উপর স্বর্গ নির্মাণের উদ্যোগ নিলেন। 

এই পর্বতদ্বয়ের মাঝখানে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল।
শাদ্দাদ তার সাম্রাজ্যের রাজধানী করেছিলেন সা'বাকে। ইয়েমেনের রাজধানী সানা থেকে তিন মঞ্জিল দূরে অবস্থিত বর্তমান মা‘আরেব নগরীই ছিল এই সাবা। এখানকার মাটি ছিল খোদার আশীর্বাদ প্রাপ্ত। তিনি সাবাবাসীদের সম্মুখে জীবনের উপকরণের দ্বারসমূহ উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন।

দু‘পর্বতের মধ্যবর্তী উপত্যকায় ছিল এই নগরীটি। আর এটি নাতি শীতোষ্ণ মন্ডলে অবস্থিত হওয়ায় আবহাওয়া ছিল স্বাস্থ্যকর ও বিশুদ্ধ। নগরের মাঝ বরাবর ছিল দু‘পর্বত থেকে নেমে আসা পানির নির্ঝরনি। আর এর দক্ষিণ ও বামে অবস্থিত পর্বতদ্বয়ের কিনারা ধরে ছিল ফলমূলের বাগান-যা বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এসব বাগানে সকল ধরণের ফলমূল প্রচুর পরিমানে উৎপন্ন হত।

সাবার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং তার অধিবাসীদের প্রতি অনুগ্রহসমূহ সম্পর্র্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ- সাবাবাসীদের জন্যে ওদের বাসভূমিতে ছিল এক নিদর্শণ-দু’টি বাগান, একটা ডান দিকে, আর একটা বাম দিকে। ওদেরকে বলা হয়েছিল, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দেয়া খাবার খাও ও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। জায়গা হিসেবে এ তো ভাল, আর তোমাদের প্রতিপালক তো ক্ষমাশীল।’(৩৪:১৫-১৬)

বাঁধের অংশ বিশেষ।
শাদ্দাদের ভূ-স্বর্গে প্রয়োজনীয় পানি প্রবাহের জন্যে প্রয়োজন ছিল পানির বিরাট এক ভান্ডার। এই কারণে তিনি পর্বতদ্বয়ের মাঝখানে একটি মজবুত বাঁধ নির্মাণ করলেন। ফলে পর্বতদ্বয় থেকে নেমে আসা পানির ঐ ভান্ডার তৈরী হল।

নির্মিত এই বাঁধের উপরে, নীচে ও মাঝ বরাবর তিনটি দ্বার রাখা হয়েছিল প্রয়োজন মত পানি নির্গমনের জন্যে। শাদ্দাদ তার ভূ-স্বর্গের মধ্যে দিয়ে বারটি খাল খনন করে এই পানি প্রবাহিত করালেন। এরপর পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দক্ষ জনবল সংগ্রহ করে মনোরম প্রাসাদসহ বিশাল এলাকায় ফুল ও ফলের বাগান তৈরীর কাজ শুরু করলেন। একসময় সমস্ত কাজ সম্পন্ন হল।

শাদ্দাদ তার এই ভূ-স্বর্গ নির্মাণ করতে তার রাজ্যের প্রতিটি পরিবার থেকে স্বর্ণ, রৌপ্য ও মূল্যবান পাথরসমূহ সংগ্রহ করেছিলেন। যার কাছে এক মাশা পরিমান স্বর্ণ বা রৌপ্য ছিল, তাকে তা শাদ্দাদকে দিতে হয়েছিল। 

মা‘আরেব নগরী।
এই ভূ-স্বর্গের প্রাসাদসমূহ নির্মিত হয়েছিল স্বর্ণ ও রৌপ্যের স্কয়ার ব্লকসমূহ দ্বারা এবং এর মেঝে তৈরীতে ব্যবহৃত হয়েছিল মূল্যবান জমরুত ও ইয়াকুত পাথর। প্রাসাদ প্রাঙ্গনে নির্মিত হয়েছিল স্বর্ণ ও রৌপ্যের অপূর্ব বৃক্ষসমূহ। আর এসব বৃক্ষসমূহে শোভা পাচ্ছিল মনি-মুক্তা ও হীরার তৈরী বিভিন্ন ধরনের ফল। চাঁদনী রাতে এসকল বৃক্ষ ও তার কৃত্রিম ফলগুলো এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করত।

প্রতিটি প্রাসাদের প্রাঙ্গনসমূহের কিছুঅংশ ঢালাই করা হয়েছিল মুক্তা ও চূণী দ্বারা। চারটি বিশাল বাগান তৈরী করা হয়েছিল, যেখানে দুনিয়ার এমন কোন ফল-ফুল নেই- যা সেখানে উৎপন্ন হত না।

গাছ যা চল্লিশেরও অধিক ফলদানে সক্ষম। (নমুনা)
কৃত্রিম নহরগুলোর দু‘ধারে ছিল এসব ফুল ও ফলের বাগান। ফলের গাছগুলো এমনভাবে লাগান হয়েছিল যে বাগানের দৃশ্য সব ঋতুতে একই থাকত কেবল ফল ও ফুলে পরিবর্তন দেখা যেত (সাইরাকস ইউনিভার্সিটির কলা বিভাগের অধ্যাপক Sam Van Aken সম্প্রতি এ ধরণের একটি গাছ তৈরী করতে পেরেছেন যা চল্লিশেরও অধিক ফলদানে সক্ষম। ঐ ধরণের গাছের একটি নমুনা চিত্র বামে দেয়া হয়েছে।)।  
স্থানে স্থানে স্থাপন করা হয়েছিল লক্ষাধিক সোনার কুরসী। প্রত্যেকটি কুরসীর সামনে একটি করে জমরুত পাথরের টেবিল স্থাপিত হয়েছিল। আর তাতে সাজিয়ে রাখার ব্যবস্থা ছিল বিভিন্নরকম নিয়ামতসমূহ নয়ন মনোহর করে। এছাড়া প্রতিটি টেবিলে পানি, মধু, শরবত ও দ্রাক্ষারস সরবরাহের এমন কৃত্রিম নিরবিচ্ছিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল যে, কেউ পান করতে বসলে কখনও তা ফুরিয়ে যাবার আশঙ্কা ছিল না। ভূ-স্বর্গের নির্মাণ কাজ শেষ হল

প্রাসাদের অংশবিশেষ।
When all was completed with prodigal magnificence, Shaddad said, "I am now in actual possession of all that Hud has promised me for the life to come." তিনি জাঁকজমকের সাথে তার ভূ-স্বর্গ উদ্বোধনের আয়োজন করলেন। কিন্তু এই স্বর্গ তিনি উপভোগ করতে পারলেন না। উদ্বোধনের দিনে তিনি তার সেবকদলদের নিয়ে ঐ ভূ-স্বর্গের প্রবেশ দ্বারে পৌঁছিলে দারোয়ান বেশে আজরাইল তার পথরোধ করল।

সুসজ্জিত অশ্বপৃষ্ঠে উপবিষ্ঠ শাদ্দাদ বিষ্মিত হলেন। তার এ বিষ্ময় দ্রুত ক্রোধে রূপ নিল। তিনি দারোয়ানকে হত্যার আদেশ দিলেন।কিন্তু তার ঐ আদেশ পালনে কেউ এগিয়ে এল না।তিনি বিষ্মিত হয়ে পশ্চাতে তার সভাষদ ও অনুসারীদের দিকে দৃষ্টি ফেরালেন। কিন্তু এ-কি! তার সভাষদ ও রক্ষীগণ সকলেই নিজ নিজ অবস্থানে-স্থির, মূর্ত্তিবৎ। তিনি ভীত হয়ে বললেন, ‘কে তুমি?’
উত্তর এল- “মৃত্যুদূত-আজরাইল।”

মৃত্যুর মুখোমুখী দাঁড়িয়ে শাদ্দাদ বুঝতে পারলেন তার শক্তি ও ক্ষমতা কতই না তুচ্ছ। তিনি তার এত পরিশ্রমে তৈরী ভূ-স্বর্গ মাত্র একটিবার ঘুরে দেখার জন্য অনুনয় করেছিলেন আজরাইলের কাছে। এতে আজরাইলের মনে সামান্য করুণার উদ্রেক হলেও, ব্যক্তির নির্ধারিত মৃত্যুর সময় সে প্রলম্বিত করতে পারে না। তাই বহু বৎসর ধরে, বহু পরিশ্রমে নির্মিত সাধের ভূ-স্বর্গ এক নজর দর্শণ থেকে বঞ্চিত-অন্তরের আফসোস নিয়েই শাদ্দাদকে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হল।

ধ্বংসপ্রাপ্ত মা'আরিব।
এদিকে উপুর্যপরি তিন বৎসর বৃষ্টিপাত বন্ধ রইল। ফলে সবুজ গাছপালা বিনষ্ট হয়ে চারিদিক বিরান হয়ে গেল। তারপর এল ভয়াবহ বন্যা। এই শাস্তির আরও কারণ হল এই যে, সাবাবাসীগণ শ্যাম দেশে (বর্তমান ইরান) ব্যবসার উদ্দেশ্যে গমন করত। মা‘আরেব বা সা'বা থেকে শ্যামের দুরত্ব ছিল অনেক। তাই আল্লাহ অনুগ্রহ করে আ‘দদের তেরটি পরিবার বা বংশের বাকীদেরকে এই শহর থেকে শ্যাম পর্যন্ত অল্প অল্প দুরত্বে বসতি স্থাপন করে দিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীগণ পথে এসব জনবসতির দরুণ বিশ্রাম, আহার্য ও নিরাপত্তা পেত।

আল্লাহ তাঁর মনোনীত বান্দাদের মাধ্যমে তাদেরকে জানিয়েছিলেন, ‘তোমরা এসব জনপদে দিনে ও রাত্রে নিরাপদে ভ্রমন করতে পার।’ 
কিন্তু ওরা বলেছিল, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের সফরের জন্যে বিশ্রামের জায়গাগুলো দূরে দূরে রাখ।’ 

এ-ই শেষ ছিল না, সাবাবাসীগণ আল্লাহর সমস্ত নিয়ামত উপভোগ করেও তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা না জানিয়ে মূর্ত্তিপূজায় লিপ্ত থাকল। তাই তিনি প্রতিশোধ নিতে বাঁধের গোড়ায় ইঁদুর নিয়োজিত করলেন। তারা এর ভিত্তি দুর্বল করে দিল। এরপর শুরু হল প্রচুর বৃষ্টিপাত। বাঁধ কানায় কানায় পূর্ণ হল এবং ভিত্তি দুর্বল হওয়ার দরুণ একসময় তা ধ্বসে পড়ল। যা তাদের সুরক্ষা ও স্বাচ্ছন্দ্যের উপায় ছিল তাই তাদের বিপদ ও মুসিবতের কারণ হল। শাদ্দাদের ভূ-স্বর্গ এবং সাবাবাসীদের নগর সবই বন্যায় লন্ড-ভন্ড হয়ে গেল। বন্যার পর ঐস্থানে জন্ম নিল বিঃস্বাদ ফলমূল, ঝাউগাছ, কূলগাছ ইত্যাদি।

সাবার ধ্বংস সম্পর্কিত কোরআনের বক্তব্য- পরে ওরা আদেশ অমান্য করল। তাই আমি ওদের ওপর বাঁধ ভাঙ্গা বন্যা বইয়ে দিলাম, আর ওদের বাগান দু‘টোকে বদলে দিলাম এমন দু‘টো বাগানে যেখানে উৎপন্ন হত বি:স্বাদ ফলমূল, ঝাউগাছ আর কিছু কূলগাছ। আমি ওদেরকে এ শাস্তি দিয়েছিলাম ওদের অবিশ্বাসের জন্যে। আমি অকৃতজ্ঞ ছাড়া আর কাউকে শাস্তি দেইনে। 

ওদের আর যেসব জনপদকে আমি অনুগ্রহ করেছিলাম সেগুলোর মাঝে বহু দৃশ্যমান জনপদ স্থাপন করেছিলাম, আর মাঝে মাঝে সফরে তাদের বিশ্রামের জন্যে, নির্দিষ্ট ব্যবধানে, বিশ্রামের জায়গা ঠিক করেছিলাম এবং ওদেরকে বলেছিলাম, ‘তোমরা এসব জনপদে দিনে ও রাত্রে নিরাপদে ভ্রমন করতে পার।’ 
কিন্তু ওরা বলল, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের সফরের জন্যে বিশ্রামের জায়গা দূরে দূরে রাখ।’ 
এভাবে ওরা নিজেদের ওপর জুলুম করেছিল। তাই আমি ওদেরকে কাহিনীর বিষয়বস্তু করে দিলাম ও ওদেরকে ছিন্ন-ভিন্ন করে দিলাম।’ -(৩৪:১৭-২১)

বি:দ্র: শাদ্দাদ সম্পর্কে ইতিহাসে বা ধর্মপুস্তকগুলিতে যথেষ্ট তথ্য নেই বটে, তবে তার মৃত্যু সম্পর্কে নীচের কাহিনীটা অবশ্য প্রচলিত রয়েছে- While traveling magically, Solomon noticed a magnificent palace to which there appeared to be no entrance. He ordered the Jinns to climb to the roof and see if they could discover any living being within the building but the Jinns only found an eagle, which said that it was 700 years old, but that it had never seen an entrance. 

An elder brother of the eagle, 900 years old, was then found, but it also did not know the entrance. The eldest brother of these two birds, which was 1,300 years old, then declared it had been informed by its father that the door was on the west side, but that it had become hidden by sand drifted by the wind. 

Having discovered the entrance, Solomon found an idol inside that had in its mouth a silver tablet saying in Greek (a language not thought by modern scholars to have existed 1000 years before the time of Solomon) that the statue was of Shaddad, the son of 'Ad, and that it had reigned over a million cities, rode on a million horses, had under it a million vassals and slew a million warriors, yet it could not resist the angel of death-(Book of Chamis, by Husein ibn Muhammed.) 

সমাপ্ত।
ছবি: felixi, members.virtualtourist, home.hiwaay, razzetti, awasu, socialstudiesforkids, samvanaken.com.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন