pytheya.blogspot.com Webutation

২৮ মার্চ, ২০১২

Ezra: ওযাইরের ধর্মীয় সংস্কার।

হযরত ওযাইর (Ezra) হারুণের বংশধর ছিলেন। তার পিতার নাম ছিল সুরীক। নেবু চাঁদ নেজ্জায় যখন জেরুজালেম ধ্বংস করেন তখন তিনি বালকমাত্র। বন্দীদের সাথে তিনিও বাবিলে নীত হয়েছিলেন। যৌবনে একদিন তিনি তার মাতৃভূমি দেখার জন্যে জেরুজালেমের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এসময় তার বয়স ছিল প্রায় ৪০ বৎসর। জেরুজালেমে পৌঁছে তিনি শহরটাকে ঘুরে ফিরে দেখতে লাগলেন। ধ্বংসের কঠিনতায় বিষ্মিত হন তিনি। শহরটাকে একেবারে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে। আর যা কিছু দাঁড়িয়ে আছে তা মনুষ্য বসবাসের সম্পূর্ণ অনুপোযুক্ত।ধ্বংসের পর সম্রাট নেবু চাঁদ নেজ্জার শহরটিকে সম্পূর্ণ পুড়িয়ে দিয়েছিলেন। ওযাইর আশ্চান্বিত হলেন, কেননা খোদা যবুরে বলেছেন-

‘খোদা দীনহীনের কথা শ্রবণ করেন, তিনি নিজ বন্দীগণকে তুচ্ছ করেন না।
আকাশ ও পৃথিবী তাঁর প্রশংসা করুক, সমুদ্র ও তন্মধ্যস্থ সব জঙ্গম প্রশংসা করুক।
কেননা খোদা সিয়োনের পরিত্রাণ করবেন ও ইহুদার নগরসমূহ গাঁথবেন;
লোকে সেখানে বাস করবে ও অধিকার পাবে।
তাঁর বান্দাদের বংশই তা ভোগ করবে; যারা তাঁর নাম ভালবাসে,
তারা তথায় বসতি করবে।’-(যবুর ৬৯:৩৩-৩৬)

সিয়োন বা জেরুজালেম শহরটিকে গাঁথা হবে এবং সেখানে পুন:রায় লোকেরা বসতি করবে- পাক কিতাবের একথা তো মিথ্যে হতে পারে না। তথাপি তার মনে প্রশ্ন জাগল- ‘এই শহর আবার কিভাবে আবাদ হবে?’
তাছাড়া ধ্বংসের কঠিনতা দেখে তার মনে আরও একটা প্রশ্নে উদয় হল যে, শহরটিকে তো খোদা সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করেছেন। তাহলে কি এখানে তাঁর এবাদতকারী একজন লোকও অবশিষ্ট ছিল না?’

ঘুরতে ঘুরতে ওযাইর ক্লান্ত হয়ে বিশ্রামের জন্যে শহরের পাশে এক জঙ্গলের ধারে থামলেন এবং গাধাটিকে নিকটস্থ এক গাছের সঙ্গে বেঁধে একস্থানে ছায়ায় আরাম করে বসলেন। সেইসময় তিনি যখন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, তখন একটি পিঁপড়ে তার পায়ে কাঁমড় দিল। তিনি লক্ষ্য করলেন পাশে একস্থানে পিঁপড়েদের একটি বাসা রয়েছে। এ দেখে তিনি পদদলিত করে সকলগুলিকে মেরে ফেললেন। তখন খোদা তাকে বললেন,‘হে ওযাইর! তোমাকে তো একটি পিঁপড়ে কাঁমড়েছিল, আর তুমি এতগুলিকে পায়ে দলে মেরে ফেললে?’ 
ওযাইর লজ্জিত হয়ে উত্তর করলেন, ‘হে খোদা! ওরা তো একই বংশজাত, একই প্রবৃত্তি ওদের; তাই আমি সবগুলিকে মেরে ফেললাম যাতে পরে আর একটিও আমাকে কাঁমড়াতে না পারে।’ 

 ওযাইর।
এই উত্তর দেবার সঙ্গে সঙ্গেই ওযাইর জেরুজালেমের উপর খোদার এই কঠোর ধ্বংসযজ্ঞের কারণ বুঝতে পারলেন। এতে তিনি আরও লজ্জিত হয়ে পড়লেন। তিনি তৎক্ষণাৎ আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। কিন্তু তার আরও শিক্ষার প্রয়োজন ছিল। কেননা তার প্রথম প্রশ্নে তিনি খোদার ক্ষমতার বিষয়ে সন্দিহান হয়েছিলেন।

ক্লান্তিতে ঘুম আসতে লাগল ওযাইরের। তিনি খাদ্য ও পানীয়ের থলি মাথার কাছে রেখে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেবার জন্যে সেখানে সেই গাছের নীচে শায়িত হলেন, তারপর একসময় ঘুমিয়ে পড়লেন। তখন খোদা তার মৃত্যু ঘটালেন। 

পাখির কলতানে ঘুম ভেঙ্গে গেল ওযাইরের। বেশ ক্ষুধা লেগেছে তার। তিনি উঠে বসলেন। অতঃপর চারিদিকে দৃষ্টি বুলিয়ে নিতেই তার ঘুমের রেশ কেটে গেল মুহুর্তেই। জায়গাটি তার অচেনা। তিনি আরও বিষ্মিত এবং হতভম্ভ হলেন এটা দেখে যে তিনি বসে আছেন সুবৃহৎ এক বৃক্ষতলে। এ-কি করে সম্ভব! তিনি তো ছোট একটি গাছের ছায়ায় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। তাহলে এখন তিনি কোথায়?

শলোমনের মন্দির।
হঠাৎ গাছে বেঁধে রাখা গাধার কথা মনে পড়ল তার। না, নেই। খাদ্য ও পানীয়! না, সেগুলি আছে, মাথার পাশে যে স্থানে যেমন রেখেছিলেন তেমনি আছে। তিনি হাত বাড়ালেন খাবারের থলির দিকে। এসময় আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে ওযাইর, তুমি ঘুমন্ত অবস্থায় কতক্ষণ ছিলে?’
ওযাইর বললেন, ‘একদিন বা একদিনের কিছু কম।’

তিনি বললেন, ‘না, এক‘শ বৎসর ছিলে। আর লক্ষ্য কর তোমার খাদ্য-সামগ্রী ও পানীয় বস্তুর প্রতি, ওসব অবিকৃত রয়েছে। আর তোমার গাধার দিকে দেখ- সেটা পঁচে হাঁড় হয়ে গেছে।’

ওযাইর এবার লক্ষ্য করলেন যে, তার গাধা বেঁধে রাখার যায়গায় সত্যিই কিছু হাঁড়গোড় পড়ে আছে। তিনি দ্রুত নিজের শরীরের দিকে লক্ষ্য করলেন। ১০০ বৎসরে দেহের কোন পরিবর্তন হয়নি। তিনি তখন হাত বাড়িয়ে খাদ্য সামগ্রীর থলিটি নিয়ে তা থেকে তার খাদ্য সামগ্রী বের করলেন। আশ্চর্য্য সেগুলো তাজা রয়েছে। আল্লাহ বললেন, ‘এখন তুমি গাধার হাঁড়গুলোর দিকে লক্ষ্য কর। দেখ, কিভাবে সেগুলোকে আমি জোঁড়া দেই।’ 

মৃতগাধাটি জীবিত হয়ে উঠে দাঁড়াল। অতঃপর বেসূরো কন্ঠে ডেকে উঠল। ওযাইর তার গাধার দিকে নিঃস্পলক তাকিয়ে থেকে বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহ, আমি জানি তুমি সর্বশক্তিমান।’ 

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ- ‘আবার সেই ব্যক্তির (ওযাইর) কথা স্মরণ কর, যে এমন এক শহরে (জেরুজালেম) পৌঁছেছিল যা ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছিল। সে বলল, ‘মৃত্যুর পর কিভাবে আল্লাহ একে জীবিত করবেন?’ 
তখন আল্লাহ তাকে এক‘শ বৎসর মৃত রাখলেন, তারপর পুনজ্জীবিত করলেন। আল্লাহ বললেন, ‘তুমি মৃত (অবস্থায়) কতক্ষণ ছিলে?’ 
সে বলল, ‘একদিন বা একদিনের কিছু কম।’ 
(আল্লাহ বলেন), ‘না, এক‘শ বৎসর ছিলে। আর লক্ষ্য কর তোমার খাদ্য সামগ্রী ও পানীয় বস্তু ওসব অবিকৃত রয়েছে। আর তোমার গাধার দিকে দেখ-আমি তোমাকে মানবজাতির মধ্যে নিদর্শণ স্বরূপ করব। আর (গাধার) হাঁড়গুলোর দিকে লক্ষ্য কর, কিভাবে সেগুলোকে আমি জোড়া দেই।’ যখন এ তার কাছে স্পষ্ট হল তখন সে বলে উঠল, ‘আমি জানি আল্লাহ সর্বশক্তিমান।’ (২ঃ২৫৯)

ওযাইর তার বাড়ীতে ফিরলেন। তার বাড়ীর আয়তন ও অবয়বের পরিবর্তণ হয়েছে। এটা যে হবে তা তিনি জানতেন কেননা তিনি তো সুদীর্ঘ ১০০ বৎসর পরে তার বাড়ীতে ফিরছেন। এলাকার কেউ চিনতে পারল না। নিজ বাড়ীর কাছে এক বৃদ্ধাকে দেখতে পেয়ে ওযাইর তাকে বললেন, ‘এটা কি ওযাইরের গৃহ নয়?’
বৃদ্ধা ছিল বয়সের ভারে কুঁজো। সে বলল, ‘হ্যাঁ, কিন্তু সে তো অনেক দিনের কথা। লোকে তো তাকে প্রায় ভুলেই গেছে।’
ওযাইর বললেন, ‘আমিই ওযাইর। আমার মৃত্যু হয়েছিল এবং খোদা পুন:রায় আমাকে আমার জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন।’
সে বলল, ‘ও মা, মা, সে-কি কথা!!
বৃদ্ধা দ্রুত বাড়ীতে ঢুকে চিৎকার করে বলল, ‘ওযাইর ফিরে এসেছেন।’
বাড়ীর লোকেরা বলল, ‘কেন মিথ্যে বলছ?’
সে বলল, ‘মিথ্যে বলব কেন?’

লোকেরা বাড়ীর বাইরে ওযাইরের কাছে এল। তারা দেখল যাকে ঐ বৃদ্ধা ওযাইর বলছে তিনি বয়সে যুবক। সুতরাং তাদের মধ্যে যারা তাকে চিনত না ব্যপারটাকে হাস্যকর ভেবে উড়িয়ে দিল। ওযাইরের পুত্র যার বয়স তখন ১১৮ বৎসর চলছিল, সে আশ্চর্য হল, এটা দেখে যে, লোকটি হুবহু তার পিতার যৌবণ কালের মতই দেখতে। দেখতে দেখতে ভীড় জমে গেল। লোকেরা ওযাইর পুত্রকে বলল, 'আপনার পিতাকে চেনা যাবে এমন কোন চিহ্ন কি আছে?'
ওযাইর পুত্র নিশ্চিত ইনি তার পিতা, কিন্তু কিভাবে এটা সম্ভব? সে তিক্ত কন্ঠে বলল, ‘পিতার দু‘কাঁধের মাঝে একটা বড় কাল তিল ছিল।’
লোকেরা দেখল, ওযাইরের পুত্র নিজেও দেখল, লোকটির দু‘স্কন্ধের মাঝে তিলটা রয়েছে। 

আর এ কাহিনী Aunt Naomi, Jewish Fairy Tales and Legends, (1919), P-187-193, এর “The Sleep of One Hundred Year” কাহিনীতে এভাবে বর্ণনা করেছেন-

Rabbi Onias, mounted on a camel, was sorrow-fully making his way toward the unhappy city. He had traveled many days and was weary from lack of sleep and faint with hunger, yet he would not touch the basket of dates he had with him, nor would he drink from the water in a leather bottle attached to the saddle.

"Perchance," he said, "I shall meet some one who needs them more than I."
But everywhere the land was deserted. One day, nearing the end of the journey, he saw a man planting a carob tree at the foot of a hill.
"The Chaldeans," said the man, "have destroyed my beautiful vineyards and all my crops, but I must sow and plant anew, so that the land may live again."

Onias passed sorrowfully on and at the top of the hill he stopped. Before him lay Jerusalem, not the once beautiful city with its hundreds of domes and minarets that caught the first rays of the sun each morning, but a vast heap of ruins and charred buildings. Onias threw himself on the ground and wept bitterly. No human being could he see, and the sun was setting over what looked like a city of the dead.

"Woe, woe," he cried. "Zion, my beautiful Zion, is no more. Can it ever rise again? Not in a hundred years can its glory be renewed."

The sun sank lower as he continued to gaze upon the ruined city, and darkness gathered over the scene. Utterly exhausted, Onias, laying his head upon his camel on the ground, fell into a deep sleep.

The silver moon shone serenely through the night and paled with the dawn, and the sun cast its bright rays on the sleeping rabbi. Darkness spread its mantle of night once more, and again the sun rose, and still Onias slept. Days passed into weeks, the weeks merged into months, and the months rolled on until years went by; but Rabbi Onias did not waken.

Seeds, blown by the winds and brought by the birds, dropped around him, took root and grew into shrubs, and soon a thick hedge surrounded him and screened him from all who passed. A date that had fallen from his basket, took root also, and in time there rose a beautiful palm tree which cast a shade over the sleeping figure.
And thus a hundred years rolled by.

Suddenly, Onias moved, stretched himself and yawned. He was awake again. He looked around confused.
"Strange," he muttered. "Did I not fall asleep on a hill overlooking Jerusalem last night? How comes it now that I am hemmed in by a thicket and am lying in the shade of this noble date palm?"

With great difficulty he rose to his feet. "Oh, how my bones do ache!" he cried. "I must have overslept myself. And where is my camel?" Puzzled, he put his hand to his beard. Then he gave a cry of anguish.
"What is this? My beard is snow-white and so long that it almost reaches to the ground."

He sank down again, but the mound on which he sat was but a heap of rubbish and collapsed under his weight. Beneath it were bones. Hastily clearing away the rubbish, he saw the skeleton of a camel.

"This surely must be my camel," he said. "Can I have slept so long? The saddle-bags have rotted, too. But what is this?" and he picked up the basket of dates and the water-bottle. The dates and the water were quite fresh.

"This must be some miracle," he said. "This must be a sign for me to continue my journey. But, alas, that Jerusalem should be destroyed!"

He looked around and was more puzzled than ever. When he had fallen asleep the hill had been bare of vegetation. Now it was covered with carob trees. "I think I remember a man planting a carob tree yesterday," he said. "But was it yesterday?"

He turned in the other direction and gave a cry of astonishment. The sun was shining on a noble city of glittering pinnacles and minarets, and around it were smiling fields and vineyards.

"Jerusalem still lives," he exclaimed. "Of a truth I have been dreaming--dreaming that it was destroyed. Praise be to God that it was but a dream."

With all speed he made his way across the plain to the city. People looked at him strangely and pointed him out to one another, and the children ran after him and called him names he did not understand. But he took no notice. Near the outskirts of the city he paused.

"Canst thou tell me, father," he said to an old man, "which is the house of Onias, the rabbi?"
"’Tis thy wit, or thy lack of it, that makes thee call me father," replied the man. "I must be but a child compared with thee." Others gathered around and stared hard at Onias.

"Didst thou speak of Rabbi Onias?" asked one. "I know of one who says that was the name of his grandfather. I will bring him."
He hastened away and soon returned with an aged man of about eighty.
"Who art thou?" Onias asked.

"Onias is my name," was the reply. "I am called so in honor of my sainted grandfather, Rabbi Onias, who disappeared mysteriously one hundred years ago, after the destruction of the First Temple."

অন্যদিকে, রারখের ৪র্থ এপোক্রাইফার ৫ম অধ্যায়ে এমনিভাবে বর্ণিত হয়েছে- After the Lord had promised Jeremiah before the destruction of Jerusalem to protect and save Abimelech “until I bring back the people to the city” (3.11), Jeremiah sent Abimelech away with the words, “take a basket and go to the estate of Agrippa by the mountain trail; bring a few figs in it and give them to the sick among the people” (3.15). And Abimelech did what he was told, while in the meantime Jerusalem was destroyed by the Chaldaeans. 

Abimelech carried the figs in the heat of the day and coming upon a tree, he sat down in its shade to rest a while. And leaning his head on the basket of figs, he fell asleep and slept for sixty-six years, and he was not awakened from his sleep. 


After these things he awoke from his sleep and said, “I would gladly have slept a little longer; my head is heavy because I did not get enough sleep.”


And when he uncovered the basket of figs, he found them dripping with their milky sap. And he said, “I want to sleep a little because my head is heavy. But I am afraid that I might fall asleep again and wake up too late and Jeremiah, my father, would have a low opinion of me. For if he were not in a hurry, he would not have sent me today at dawn. So I will get up and proceed in the heat and go to where there is neither heat nor toil every day.”


So he got up, took the basket of figs and placed it on his shoulders. And he entered Jerusalem, but he did not recognize it, neither the house nor the place nor his own family, and he said, “Blessed be the Lord, for a great trance has come upon me: This is not the city. I lost my way because I came by the mountain trail when I awakened from my sleep. And sine my head was heavy because I did not get enough sleep, I lost my way. 


This is an astonishing thing to say to Jeremiah, ‘I lost my way.’” And he went out of the city and when he looked carefully, he saw the landmarks of the city and said, “Indeed, this is the city, but I lost my way.” 


And again he went back into the city and searched, but he found no one of his own people. And he said, “Blessed be the Lord, for a great trance has come upon me.”  And again he went out of the city, and he remained there grieving, for he did not know where to go. And he laid down the basket, saying, “I shall sit here until the Lord lifts this trance from me.”


And while he was sitting, he saw an old man coming from the field. And Abimelech said to him, “I say to you, old man, what city is this?” And he said to him, “It is Jerusalem.” And Abimelech said to him, “Where is Jeremiah the priest, and Baruch the reader, and all the (other) people of this city? For I could not find them.” 


And the old man said to him, “You are from this city, aren’t you? You just remembered Jeremiah, seeing that you are asking about him after such a long time. For Jeremiah is in Babylon with the people, for they were taken captive by King Nebuchadnezzar, and Jeremiah is with them to announce to them the good news and to teach them the word.”


As soon as Abimelech heard this from the old man, he said, “If you were not an old man, and if it were not improper for a person to upbraid one older than oneself, I would laugh at you and say that you are crazy because you say, ‘The people have been taken captive to Babylon.’


Had the heavenly torrents descended to them, there would not yet have been time to go to Babylon. For how long has it been since my father Jeremiah sent me to the estate of Agrippa for a few figs so that I might give them to the sick among the people? And I went and brought them, and when I came upon a tree in the scorching heat of the day, I set down to rest a little and leaned my head on the basket and fell asleep. And when I awoke I uncovered the basket of figs supposing that I was late, and I found the figs dripping with their milky sap, just as I had picked them. And then you say that the people have been taken captive to Babylon? But that you might know, take the figs and see!” 


And he uncovered the basket of figs for the old man. And he saw them dripping with their milky sap. And when he saw them, the old man said, “O my son, you are a righteous man and God did not want to show you the desolation of the city, so God brought this trance upon you. Behold, it has been sixty-six years today since the people were taken captive to Babylon. But that you may learn, child, that it is true, look at the field and see that the growth of the crops has just begun. Notice also the figs, that their time has not yet come, and understand.” 


Then Abimelech cried out in a loud voice, saying, “I will bless you, O Lord, God of heaven and earth, the rest of the souls of the righteous in every place.”

And to the old man he said, “What month is this?” 

And he said, “Nisan, and it is the twelfth day.” And taking a few of the figs, he gave them to the old man and said to him, “God will lead you by his light to the city above, Jerusalem.” - Paralipomena Ieremiae (or 4 Baruch),Ch.5, 1-34.


ওযাইর জেরুজালেম থেকে ফিরে আসবার সময় তাওরাতের একটা কপি সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। এই কপিটি তার পিতা নেবু চাঁদ নেজ্জার জেরুজালেম আক্রমণ করার সময় মাটির নীচে লুকিয়ে রেখেছিলেন যার খোঁজ একমাত্র তিনিই জানতেন। দীর্ঘকাল মাটির নীছে থাকাতে কপিটি আর পড়ার মত ছিল না। তখন ওযাইর অনেক কষ্টে সেটির কপি করে ইস্রায়েলী মাঝে বিতরণ করেন। তার মৃত্যুর পরও জীবিত হয়ে নিজ গোত্র মাঝে ফিরে আসা এবং তাওরাত উদ্ধারের কারণে কিছু লোক তাকে আল্লাহর পুত্র হিসেবে ভাবত। আর এর প্রমান কোরআনেও রয়েছে- 


আবার ইহুদিরা বলে উজায়ের নাকি আল্লাহর পুত্র। আর খ্রীষ্টানেরা বলে মসীহ হচ্ছে আল্লাহর পুত্র। এসব হল ওদের উদ্ভট কথাবার্তা যা ওদের মুখেই শোনা যায়। ..তারা তো আল্লাহকে বাদ দিয়ে নিজেদের পাদ্রী-পুরোহিতদেরকেই পালনকর্তা প্রভুর আসনে বসিয়ে রেখেছে। ওরা তো চায় নিজেদের মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিবিয়ে ফেলবে।(৯:৩০-৩২)

দ্বিতীয় দলে যারা বাবিল থেকে জেরুজালেমে প্রত্যাবর্তন করেন নবী ওযাইর ছিলেন তাদের নেতৃত্বে। তার জেরুজালেমে প্রত্যাবর্তনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ‘ইস্রায়েলী বিধিশাসন শিক্ষা দেয়া। কেননা তিনি দেখেছিলেন জেরুজালেমের আশে পাশের নগরীসমূহে অ-ইহুদিরা বসবাস করছে। আর যারা ইহুদি তারাও অইহুদিদের সংস্পর্শে এসে তাদের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলেছে এবং তারা তাদের শরীয়ত সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল নয়। এই কারণে তিনি, বিশেষভাবে তার মাতৃভূমিতে পুনঃরায় মূসার ব্যবস্থা পালিত হতে দেখার বিষয়ে উদগ্রীব ছিলেন। পারস্যরাজ ২য দরিয়াবসের পুত্র ২য অর্তখন্ত তার কাজের জন্যে প্রয়োজনীয় আর্থিক সাহায্য এবং কর্তৃত্ব প্রদান করেছিলেন। অর্তখন্ত নবী ওযাইরকে লিখেছিলেন-

স্বর্গের প্রভুর আইন কানুনের শিক্ষক ঈমাম ওযাইরের কাছে পারস্য সম্রাট অর্তখন্তের পত্র-

‘আমার রাজ্যের যে সব ইস্রায়েলী আপনার সঙ্গে জেরুজালেমে যেতে চায় তারা যেতে পারে। আপনার খোদার আইন কানুন অনুসারে ইহুদা ও জেরুজালেমের অবস্থা কেমন তার খোঁজ নেবার জন্যে সম্রাট ও তার সাতজন পরামর্শদাতা আপনাকে সেখানে পাঠাচ্ছেন। খোদার উদ্দেশ্যে সম্রাট যে স্বর্ণ ও রৌপ্য স্বেচ্ছায় দিচ্ছেন তা আপনি নিয়ে যাবেন। এ ছাড়া যেসব স্বর্ণ ও রৌপ্য আপনি বাবিল প্রদেশ থেকে পাবেন এবং ইস্রায়েলীরা তাদের খোদার গৃহের জন্যে স্বেচ্ছায় দেবে তা সবও আপনি নিয়ে যাবেন। এ সকল স্বর্ণ ও রৌপ্য দ্বারা আপনি বা ইস্রায়েলীরা আপনাদের খোদার ইচ্ছে অনুসারে যা ভালমনে করেন তা-ই করবেন। 

উপাসনালয়ের জন্যে যে সব পাত্র আপনার হাতে দেয়া হল সেগুলি আপনি জেরূজালেমে খোদার সামনে উপস্থিত করবেন। এ ছাড়া খোদার গৃহের জন্যে যা কিছু দরকার তার খরচ আপনি রাজ-ভান্ডার থেকে নিয়ে নেবেন।’ 
সম্রাট ২য় অর্তখন্ত নবী ওযাইরকে আরও ক্ষমতা প্রদান করেন- ‘হে ওযাইর! আপনি ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম পারের সমস্ত লোকদের বিচারের জন্যে এমনসব কর্মচারী নিযুক্ত করবেন যারা আপনার খোদার দেয়া আইন কানুন জানেন।
আর যে কেহ খোদার দেয়া ব্যবস্থা এবং সম্রাটের আদেশ পালন করতে অসম্মত, সযত্নে তার শাসন করা হোক; তার প্রাণদন্ড, নির্বাসন,সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত কিম্বা কারাদন্ড হোক।’ 

ওযাইর তাওরাত পাঠ করে শুনাচ্ছেন ইস্রায়েলীদের।
এই আদেশের পরে ওযাইর তার সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করতে ইচ্ছুক ইস্রায়েলীদের অহবা নদীর তীরে একত্রিত করেছিলেন। সেখানে তারা সকলে খোদার কাছে নিরাপত্তা এবং তাদেরকে পরিচালনার জন্যে প্রার্থনা করেছিলেন। উপাসনালয়ের জন্যে সংগৃহীত স্বর্ণ, রৌপ্য এবং মূল্যবান পাত্রসমূহ বহন করার জন্যে মনোনীতরাও ছয় হাজার ইস্রায়েলীর এই দলের সঙ্গে গমন করেছিল। এই সঙ্গে আরও সাহায্য সহযোগীতার প্রয়োজনে সম্রাটের পক্ষ থেকে জেরুজালেমের স্থানীয় গভর্নরকে আদেশ প্রদান করা হয়েছিল। এই আদেশ ছিল-

‘ইউফ্রেটিস নদীর পশ্চিম পারের সমস্ত ধন-ভান্ডার রক্ষকদেরকে সম্রাট অর্তখন্ত এই আদেশ দিচ্ছেন-

স্বর্গের প্রভু, খোদার আইন কানুনের শিক্ষক ঈমাম ওযাইর আপনাদের কাছে যাকিছু চাইবেন তা আপনারা যথাযথভাবে তাকে দেবেন। খোদা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন সেইমত তাঁর গৃহের জন্যে যেন সবকিছু যত্নের সঙ্গে করা হয়। যাতে তাঁর ক্রোধ সম্রাট, তার পুত্রদের ও রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রকাশিত না হয়। 
আমি আরও নির্দেশ দিচ্ছি খোদার গৃহের সেবা কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ঈমাম, লেবীয়, গায়ক, রক্ষী ও কর্মচারীরা সম্রাটের সকল প্রকার খাজনা থেকে মুক্ত।’ 


বসরার নিকট ওযাইরের সমাধি।
জেরুজালেমে পৌঁছিতে চার মাস সময় লেগেছিল। সেখানে পৌঁছে ইস্রায়েলীরা খোদাকে ধন্যবাদ দিল, তাঁর উদ্দেশ্য পশু উৎসর্গ করল এবং রাজ্যগভর্নরকে সম্রাটের নির্দেশ সম্পর্কিত পত্র হস্তান্তর করল।

জেরুজালেমে ওযাইর তার সবচেয়ে বড় আশঙ্কাকে বাস্তবায়িত অবস্থায় দেখলেন। সরুব্বাবিলের সময় থেকে পরবর্তী বৎসরগুলিতে লোকেরা মূসার ব্যবস্থা অমান্য এবং ধর্মীয় শৈথিল্যের একটি অবস্থায় পতিত হয়েছিল। তারা প্রতিমাপূজকদের সঙ্গে বিবাহ বিষয়ক আজ্ঞা এত বেশী মাত্রায় লংঘন করেছিল যে, তাতে অত্যন্ত বিখ্যাত বিখ্যাত পরিবারও জড়িত হয়ে পড়েছিল। ঘৃণায়, দুঃখে ওযাইর তার কাপড় ছিঁড়ে ফেললেন। অতঃপর নবী খোদার উদ্দেশ্য একটি ব্যগ্রপ্রার্থনা উৎসর্গ করলেন, লোকদের পক্ষে পাপ স্বীকার করলেন এবং তাদের পাপসমূহ ক্ষমা করার জন্যে মিনতী করলেন।

ওযাইরের সমাধি।
তার এই আন্তরিক প্রার্থনা এবং লোকদের প্রতি তার এই আকুল আহবানের ফলে অনেকে তাদের অতীতের পাপসমূহ স্বীকার করল। অনেকে প্রতিজ্ঞা করল তারা তাদের বিজাতীয় বিদেশী স্ত্রী এবং সন্তানদের পরিত্যাগ করবে। 

এ সম্পর্কীয় প্রতিটি বিষয় বিচার বিবেচনার জন্যে একটি বিশেষ আদালত স্থাপিত হয়েছিল। এই আদালতের আদেশ অমান্য করার শাস্তি স্বরূপ সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হত। দু’মাসের মধ্যে আদালত তার কাজ সমাপ্ত করেছিল।

ওযাইরের কাজ তার আভ্যন্তরীণ সংস্কার আন্দোলন থেকেও বহুদূর বিস্তৃত। তিনি উপাসনার যথাযথ অনুষ্ঠানমালা স্থাপনের বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এরমধ্যে ঈমামদের সমস্ত কর্তব্য এবং এবাদতখানার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বিষয়সমূহ ছিল। তিনি বিশেষ করে এ বিষয়টি দেখার জন্যে আগ্রহী ছিলেন যে লোকেরা মূসার শরীয়ত শিখছে।ওযাইর এবং তার সাহায্যকারী অন্যান্য ঈমামেরা সমবেত লোকদের সামনে রাখা একটি কাঠের তৈরী পুলপিটের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর তারা স্পষ্ট উচ্চারণপূর্বক তাওরাত পাঠ করলেন এবং ওযাইর তার অর্থ করে লোকদিগকে পাঠ বুঝিয়ে দিলেন। এই পাঠ চলল খুব ভোর থেকে দুপুর বেলা পর্যন্ত এবং উপস্থিত লোকেরা মনোযোগ সহকারে ব্যবস্থা পুস্তকের পাঠ শুনল। 

প্রাচীন একটি সিনাগগ, গালী।
এই মৌখিক শিক্ষাদানের সাথে সাথে ওযাইর,তাওরাত লিখিত আকারে বিতরণ করার ব্যবস্থা করেন। শিক্ষাদানের জন্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে তিনি এই সংকলন প্রস্তুত করেন এবং ভবিষ্যতের  জন্যে তাদের ক্রিয়া কলাপের একটি রূপরেখা প্রণয়ন করেন এবং প্রতিষ্ঠিত করেন ‘সিনাগগ’। তার এই কাজ ইস্রায়েলীদের জন্যে তো বটেই এমনকি সত্যধর্ম প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

ওযাইরের কার্যধারায়‘সিনাগগ’গুরুত্বপূর্ণ স্থান লাভ করে। সিনাগগ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হল একটি পারস্পরিক সম্মিলন। জেরুজালেমের বাইরে বসবাসকারী ইহুদিদের এমন একটি গৃহ বা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয়েছিল যা পবিত্র নগরী জেরুজালেমের উপাসনালয়ের মত উপাসনার্থে ব্যাবহার করা যায়। 

সিনাগগ সাধারণতঃ উপাসনা, ধর্মীয় শিক্ষা এবং লোকদের সামাজিক ও নাগরিক জীবনে দিক নির্দেশনা দেবার জন্যে ব্যাবহার করা হত। এমনকি জেরুজালেমেও এই প্রতিষ্ঠান ছিল, যেখানে মূল এবাদতখানা অবস্থিত ছিল। প্রত্যেক ইহুদি সম্প্রদায়ের আকার অনুসারে, এক বা একাধিক সিনাগগ ছিল। এমনকি পরবর্তীতে ইহুদিরা যেখানেই যেত সেখানেই তারা তাদের সিনাগগ স্থাপন করত। 

সমাপ্ত।
ছবি: Wikipedia, templeinstitute, crosswordese, thetrueknowledge, examiner.

উৎস:

  • Qur'an
  • Bible
  • Aunt Naomi, Jewish Fairy Tales and Legends, (1919), P-187-193,
  • 4th Apocrypha of Baruch, Ch.5, p- 1-34.



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন