pytheya.blogspot.com Webutation

১৯ আগস্ট, ২০১৫

Pickthall: মুসলমানরা ইসলাম মিরাসি সূত্রে প্রাপ্ত।

মারমাডিউক উইলিয়াম পিকটাল (Marmaduke William Pickthall) এর জন্ম ইংল্যান্ডের সফকের (Suffolk) উডব্রীজের নিকটবর্তী চিলিসফোর্ড (Chillesford) গ্রামে ১৮৭৫ সনের ৭ই এপ্রিল। তার পিতা চার্লস গ্রেসন পিকটাল (Charles Grayson Pickthall) ছিলেন স্থানীয় গির্জার একজন বিশপ। প্রথমা স্ত্রী মারা গেলে চার্লস পিকটাল ডি.এন.ও ব্রাইনের কন্যা মেরি হল’কে (Mary Hale) ২য় স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন। এই হলের গর্ভেই মারমাডিউক পিকটালের জন্ম। 

১৮৮১ সনে চার্লস পিকটাল মারা যান। এসময় তার পরিবার সফকের যাজক স্বত্ত্ব (Suffolk rectory) বিক্রি করে দিয়ে লন্ডনে চলে আসে। শহরে এসে পিকটাল নারফুকের স্কুলে ভর্তি হন। এরপর তিনি হেরোতে (Harrow) সরকারি স্কুলে এ্যাডমিশন নেন। এখানে তিনি ওয়েলস ও গ্যালিক ভাষা শেখেন। ভাষায় উপর তিনি এতটাই দক্ষতা অর্জন করেন যে, তার শিক্ষক তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি শূণ্য পদে নিয়োগের জন্যে সুপারিশ করেন।কিন্তু পিকটাল ঐ পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হতে পারেননি তবে ঐ সময় জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় তিনি সফল হন। প্রেমিকা মুরেল স্মিথ (Muriel Smith) তার প্রোপোজ একসেপ্ট করেন। 

পড়াশোনাকালীন সময়েই উইন্সটন চার্চিলের (Winston Churchill) সঙ্গে 
পিকটালের বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বন্ধুত্ব সম্পর্ক আজীবন অটুট ছিল। একসময়ে চার্চিল বৃটিশ রাজনীতিতে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মারমাডিউক উইলিয়াম পিকটাল
এদিকে মাধ্যমিক শিক্ষার পাঠ চুকিয়ে পিকটাল ফ্রান্সে গমন করেন। সেখানে তিনি ফরাসি ভাষা শেখেন। ফ্রান্স থেকে যান ইটালিতে। ইটালিয়ান ভাষাতেও তিনি দক্ষতা অর্জন করেন। এরপর দেশে ফিরে জার্মান ও স্প্যানিশ ভাষা শেখেন। এ সময়ই সাহিত্য ও ইতিহাসের প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। এ সূত্রেই তিনি প্রাচ্য ও প্রাচ্যের জীবন-সাহিত্যের সাথে পরিচিত হন। 

১৮৯৪ সনে পিকটাল মধ্যপ্রাচ্যে গমন করেন। প্রথমে মিসর যান এবং সেখানকার সংস্কৃতিতে আকৃষ্ট হন। আর তাই আরবী ভাষা-ভাষী লোকদের দৈনিন্দন জীবনাচার সম্পর্কে জানতে অত:পর একজন দোভাষী এবং গাইডকে সঙ্গে নিয়ে মরুভূমি পাড়ি দিয়ে রামাল্লা এবং গাজায় পৌঁছে যান তিনি। 

প্যালেস্টাইনীদের জীবনযাত্রা পিকটালকে খুবই আকৃষ্ট করে। তিনি দেখতে পান যে, সেখানে পাবলিক স্কুলের একজন ছাত্র প্রায় পৌত্তলিক আবেগ নিয়েও অকল্পনীয় স্বাধীনতার মধ্যে বেড়ে উঠছে। Most Palestinians never set eyes on a policeman, and lived for decades without engaging with government in any way. Islamic law was administered in its time-honoured fashion, by qadis who, with the exception of the Sahn and Ayasofya graduates in the cities, were local scholars. Villages chose their own headmen, or inherited them, and the same was true for the bedouin tribes. The population revered and loved the Sultan-Caliph in faraway Istanbul, but understood that it was not his place to interfere with their lives.

The deep faith of the Levantine peasantry which so amazed him was sustained by the sincerity that can only come when men are free, not forced, in the practice of religion. For the state to compel compliance is to spread vice and disbelief; as the Arab proverb which he well-knew says: ‘If camel-dung were to be prohibited, people would seek it out.’

Pickthall saw Islam as radical freedom, a freedom from the encroachments of the State as much as from the claws of the ego. It also offered freedom from narrow fanaticism and sectarian bigotry. Late Ottoman Palestine was teeming with missionaries of every Christian sect, each convinced, in those pre-ecumenical days, of its own solitary rightness. He was appalled by the hate-filled rivalry of the sects, which, he thought, should at least be united in the land holy to their faith. But Christian Jerusalem was a maze of rival shrines and liturgies, where punches were frequently thrown in churches, while the Jerusalem of Islam was gloriously united under the Dome, the physical crown of the city, and of her complex history.

It soon became clear to Pickthall that their Dissenting theology, which moved far beyond Calvin in its rejection of original sin and orthodox Trinitarian doctrine, and its emphasis on knowing God through closeness to nature, was precisely the message of Islam. This was a religion for autonomous communities, self-governing under God, each free to elect its own minister. 

প্যালেস্টাইন থেকে পিকটাল সিরিয়ায় গমন করেন। The picaresque adventures of his days in Palestine had given way to a serious spiritual and intellectual quest. Like Henry Stubbe, another Commonwealth dissident, he saw in Islam the fulfilment of the English dream of a reasonable and just religion, free of superstition and metaphysical mumbo-jumbo, and bearing fruit in a wonderful and joyful fellowship. As the New Statesman put it in 1930, reviewing his Koranic translation: ‘Mr Marmaduke Pickthall was always a great lover of Islam. When he became a Muslim it was regarded less as conversion than as self-discovery.’ 

দামেস্কের মসজিদ।
সিরিয়ায় এসে পিকটাল আরবী শেখা শুরু করেন বিখ্যাত দামেস্কের মসজিদের শায়খ উল উলেমার নিকট। এসময় রহস্যময় আরবী গ্রামারের উপর নিয়মানুযায়ী অনুশীলনের প্রয়োজনে পাঠ করেন কোর‘আন। কোর’আন পড়তে পড়তেই তিনি তার শিক্ষক শায়খের নিকট ইসলাম গ্রহণের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। 

শায়খ ছিলেন পোড়খাওয়া বর্ষীয়ান ব্যক্তি, তিনি পিকটালকে তার মায়ের প্রতি দায়িত্ব-কর্তব্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেন এবং মায়ের সঙ্গে পরামর্শ না করে ইসলাম গ্রহণ করতে নিষেধ করেন। ‘No, my son,’ were his words, ‘wait until you are older, and have seen again your native land. You are alone among us as our boys are alone among the Christians. God knows how I should feel if any Christian teacher dealt with a son of mine otherwise than as I now deal with you.’ […]  এ সম্পর্কে পিকটাল আত্মকথনে লেখেন, “এ উপদেশ আমার উপর ভালই প্রভাব ফেলে, কারণ আমার ধারণা ছিল, মুসলমানরা বিধর্মীদের মুসলিম বানানোর জন্যে অতি উৎসাহী হয়ে থাকে।”

আরবী শেখার পর পিকটাল প্রাচ্যের গদ্য-পদ্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপর পাঠ নিতে থাকেন। অবশ্য সমালোচকেরা বলেন যে, তিনি আরবী ভাষা রপ্ত করেছিলেন কেবল প্যালেস্টাইনে ইংল্যান্ডের কন্সুলার পদটি অধিকার করার মানসে।

যা হোক, শায়খের অসম্মতির কারণে পিকটাল ইসলাম গ্রহণ ব্যতিরেকেই দামেস্ক ছেড়ে জেরুজালেমে ফিরে আসেন। এসময় চারিদিক থেকে চাকুরী তাকে হাতছানি দিচ্ছিল। ব্রিটিশ মিউজিয়াম তার প্রাচীন ওয়েলস ও আইরিশ জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে তাকে একটি পদ অফার করে। কিন্ত তিনি ঐ চাকুরীতে যোগদানে সম্মত হননি। এরপর জেরুজালেমের হাইফাতে ব্রিটিশ কন্সুলেটে ভাইস কন্সুলশিপ তাকে অফার করা হয়। কিন্তু বয়স অল্পের কারণে পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করে কর্তৃপক্ষ।  

প্যালেস্টাইন থেকে এরপর তিনি উটে চড়ে জুদি পাহাড় সফরে যান। এইসব ভ্রমনে আরব কৃষকদের জীবনাচার সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তিনি। প্রাচ্যের সাদামাটা এবং প্রাকৃতিক জীবনধারা তাকে প্রভাবিত করে, তাকে তার জীবন বোধ সম্পর্কে নূতন উপলব্ধি এনে দেয়। তিনি অনুভব করেন মুসলিমগণ পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে সুখী, never complaining even when faced with dire threats. The Christians among them were protected and privileged by the Capitulations. The Ottoman Balkans, under the sultans a place of refuge for victims of church wars, had been cruelly diminished by crusade and insurrection, prompted, in every case, from outside.

He saw the Morea, the first land of Greek independence, in which a third of a million Muslims had been slaughtered by priests and peasants. The remaining corners of Ottoman Europe seemed overshadowed by a similar fate; but still the people smiled. It was the grace of rida. পরবর্তীতে আত্ম-উপলব্ধিতে তিনি লিখেছিলেন- 

“When I read The Arabian Nights I see the daily life of Damascus, Jerusalem, Aleppo, Cairo, and the other cities as I found it in the early nineties of last century. What struck me, even in its decay and poverty, was the joyousness of that life compared with anything that I had seen in Europe. The people seemed quite independent of our cares of life, our anxious clutching after wealth, our fear of death.”

এসময় পরিবার থেকে ডাক আসে পিকটালেরলন্ডনে ফিরে প্রেমিকার বাড়ীর সামনে অবস্থান নেন এবং তার মাতা পিতাকে রাজী করান। ১৮৯৬ সনের সেপ্টেম্বরে পিকটাল তার প্রেমিকা মুরেল স্মিথ এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। চার্চের রীতি অনুসারে বিবাহের আগের দিন তারা রোজা রেখেছিলেন। 

১৯০৩ সনে পিকটালের প্রথম উপন্যাস “The Fisherman Said” প্রকাশিত হয়। অবশ্য ইউরোপের অধিকাংশ প্রকাশনাই প্রথমে এটি ছাপতে রাজী হয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে বইটি বেস্ট সেলারের তালিকায় চলে এলে ফরাসি, জার্মানসহ ইউরোপের অন্যান্য ভাষায়ও সেটি অনুদিত হয়। H.G. Wells, এই পুস্তক সম্পর্কে লেখেন, “I wish that I could feel as certain about my own work as I do of yours, that it will be alive and interesting people fifty years from now.” 

Enid (১৯০৪), Brendle (১৯০৫), The House of Islam (১৯০৬) ও The Myopes (১৯০৭)  প্রকাশনার পর পিকটাল এক আমন্ত্রণে প্রায় ১০ বৎসর পর দ্বিতীয়বারের মত মিসরের আলেকজান্দ্রিয়ায় গমন করেন। এ সময় নিজের অর্জিত অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে Children of the Nile (১৯০৮) ও The Valley of the Kings (১৯০৯) উপন্যাস দু’টি লেখেন। 

Enid হচ্ছে পিকটালের ১ম celebrated Suffolk tales, reminiscent in some respects of the writings of the Powys brothers. It was followed by The House of Islam, which he wrote while nursing his mother in her final illness, and at a time when his life was saddened by the growing realisation that he would never have children. The novel is unsteady and still immature: still only in his twenties, Pickthall could manage the comic scenes of Said the Fisherman, but could not fully sustain the grave, tragic theme which he chose for The House, which described the anguish of a Muslim compelled to take his sick daughter to a Western Christian doctor when traditional remedies had failed. 

মিসর থেকে স্ব-স্ত্রীক বৈরুতে চলে আসেন পিকটাল এবং সেখান থেকে দামেস্কে। সেই silent city of lanes, hidden rose-bowers, and walnut trees. এখানকার গভীর শান্ত পরিবেশ তার অভিযান প্রিয় মনকে কিছুকাল শান্ত রাখে।

Cleveland Coxe
১ম বিশ্বযুদ্ধের দামামা বেজে উঠলে পিকটাল দামেস্ক থেকে লন্ডনে ফিরে আসেন। ইতিমধ্যে তার বেশ কয়েকটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে- Pot an Feu (১৯১১), Larkmeadow (১৯১২), The House at War (১৯১৩)। 

যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পিকটাল লন্ডনেই ছিলেন। এ সময় ‍তিনি ইসলামিক রিভিউ সাময়িকীর সংকলন ও সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। যুদ্ধে ক্রিশ্চিয়ানদের বিজয়ে এসময় ইংল্যাণ্ড ছিল পুরো উল্লাসিত। তুর্কীর সুহৃদ ও সমর্থক হওয়ায় এই বিজয়ের ডামাডোলে পিকটাল ছিলেন বিচূর্ণ। The Bishop of London held a service of intercession to pray for the victory of the Bulgarian army as it marched on Istanbul. Where, in all this, was Pickthall’s high Anglicanism?

It was the English mood of holy war which finally drove him from the faith of his fathers. He had always felt uncomfortable with those English hymns that curse the infidel.One particular source of irritation was Bishop Cleveland Coxe’s merry song:

“Trump of the Lord! I hear it blow!
Forward the Cross; the world shall know
Jehovah’s arms against the foe;
Down shall the cursed Crescent go!
To arms! To arms!
 God wills it so.

And now, in a small Sussex village church, Pickthall heard a vicar hurling imprecations against the devilish Turk. The last straw was Charles Wesley’s hymn ‘For the Mahometans’:

‘O, may thy blood once sprinkled cry
For those who spurn Thy sprinkled blood:
Assert thy glorious Deity
Stretch out thine arm thou triune God
The Unitarian fiend expel
And chase his doctrines back to Hell.’

Pickthall thought of the Carnegie Report, which declared, of the Greek attack on Valona, that ‘in a century of repentance they could not expiate it.’ He thought of the forced conversions of the Pomaks in Bulgaria. He remembered the refugees in Istanbul, their lips removed as trophies by Christian soldiers. He remembered that no Muslim would ever sing a hymn against Jesus. He could stand no more. He left the church before the end of the service, and never again considered himself a Christian.

With the Turk in Wartime (১৯১৪), Tales from Five Chimneys (১৯১৫), প্রকাশের পর পিকটালের great harem novel, Veiled Women (১৯১৬) প্রকাশিত হয়। সন্দেহ নেই, he was concerned to be true to his perceptions; he would document English and Oriental life as he found it, not as he or others would wish it to be. The greatness of the Oriental vision would in this way shine through all the brighter.

Knights of Araby (১৯১৭), প্রকাশের পর ২৯ শে নভেম্বর ১৯১৭ সনে নটিং হিল, পশ্চিম লন্ডনে মুসলিম লিটারেরী সোসাইটিত “ইসলাম ও প্রগতি:”’র উপর বক্তৃতা দান শেষে পিকটাল নাটকীয় ভাবে তার ইসলাম গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন। তার এ ঘোষণায় শিক্ষিত ও রাজনৈতিক মহলে হৈ-চৈ পড়ে যায়। স্ত্রী মুরিয়েল followed him soon afterwards.

এসময় পিকটাল বলেছিলেন, ‘আমি বহু পড়াশোনা ও গবেষণার পর মুসলমান হয়েছি। আমার জীবনে এর অসীম গুরুত্ব রয়েছে। মুসলমানরা ইসলাম মিরাসি সূত্রে প্রাপ্ত। এজন্যে তারা এর কদর বোঝে না। বাস্তবতা হল ইসলাম পরিত্রাণ, শান্তি ও নিরাপত্তার ভাণ্ডার। এ নেয়ামতের জন্যে খোদার নিকট যত কৃতজ্ঞতাই প্রকাশ করা হোক না কেন, তা যথেষ্ট হবে না।’ 

সত্যি বলতে কি, পিকটালের মুসলমান হওয়া যতটা না কনভার্সান তার চেয়ে অনেক বেশী নিজের অর্জণ, যা ছিল অনেকটা পৌত্তলিক পরিবারে জন্ম নেয়া ইব্রাহিমের সত্য ও সরল পথটি খুঁজে পাবার মত। 

Oriental Encounters -Palestine and Syria (১৯১৮), Sir Limpidus (১৯১৯) প্রকাশের পর ১৯২০ সনে উমর সুবহানীর আমন্ত্রণে পিকটাল স্ব-স্ত্রীক (with wife Muriel Smith) বোম্বে আসেন এবং তৎকালীন স্বনামধণ্য পত্রিকা বোম্বে ক্রনিকেল (The Bomby chronicle) এর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময়, most of the Chronicle’s staff were on strike; within six months Pickthall had turned it around and doubled its circulation, through a judicious but firm advocacy of Indian evolution towards independence. 

১৯২৪ সনে, the Raj authorities found the Chronicle guilty of misreporting an incident in which Indian protesters had been killed. Crushing fines were imposed on the newspaper, and Pickthall resigned from The Bomby Chronicle. ইতিমধ্যে তার আরো দু’টি উপন্যাস The Early Hours (১৯২১) ও As others See us (১৯২২) প্রকাশিত হয়েছে। 

পত্রিকার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে পিকটাল কিছুদিন বিশ্রামের জন্যে পশ্চিমে চলে যান। এসময়ই হায়দারাবাদের নিজাম পত্র মারফত তাকে চাদরঘাট কলেজের প্রিন্সিপালের দায়িত্বভার নেবার বিশেষ অনুরোধ করেন। পিকটাল নিজামের এ অনুরোধ রক্ষা করেন এবং ১ জানুয়ারি ১৯২৫ সালে নতুন ঐ দায়িত্বভার বুঝে নেন। পরবর্তীতে নিজাম তাকে রাজ্যের সিভিল সার্ভিস একাডেমীর মহা-পরিচালকের পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন।

১৯২৭ সনে পিকটাল ইসলামিক কালচার (Islamic Culture) নামে একটি ষান্মাসিক ইংরেজি সাময়িকী বের করেন। এতে বৈজ্ঞানিক, সাহিত্যিক, দার্শনিক এবং তাত্ত্বিক প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশ হত। মূলত এটি ছিল ইসলামি সংস্কৃতি ও সুসমাচারের দর্পন, যাতে বহু প্রাচ্যবিদের (Orientalist) লেখা প্রকাশিত হত। 

পিকটালের সবচেয় বড় কীর্তি হচ্ছে তার অনূদিত কোর’আন। ১৯৩০ সালে এই তর্জমা Qur’an The Glorious নামে এক যোগে লন্ডন এবং নিউইয়র্ক থেকে ছাপা হয়। এটি দু’খণ্ডে হায়দারাবাদ থেকেও ছাপা হয়। পিকটাল তার অনূদিত কোর’আনের (Quran The Glorious) ভূমিকায় লেখেন- “এ অনুবাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, পুরো বিশ্বের মুসলমানরা কোর’আনের শব্দাবলি থেকে যা জ্ঞাত হন, তা শিক্ষিত ইংরেজদের সামনে পেশ করা। আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছে ইংরেজ ভাষী মুসলমানদের অভাব পূরণ করা। এ দাবি অত্যন্ত পবিত্রতার সঙ্গে করা যায় যে, প্রত্যাদেশ এবং ঐশ্বরিক পয়গাম অবিশ্বাসী ব্যক্তির দ্বারা কোন ঐশি গ্রন্থ নিখাদভাবে উপস্থাপন অসম্ভব।’

১৯৩৫ সালের জানুয়ারিতে পিকটাল হায়দারাবাদ এডুকেশন সার্ভিস থেকে পদত্যাগ করেন। নিজাম আজীবন তার জন্যে পেনশন নির্ধারণ করে দেন। পিকটাল লন্ডন (St Ives, Cornwall.) ফিরে যান। ইসলামিক কালচার যা পূর্বে হায়দারাবাদ থেকে বেরুচ্ছিল, এখন লন্ডন থেকে তা প্রকাশ হতে লাগল। 

মারমাডিউক উইলিয়াম পিকটাল- এই মুসলিম মনীষী, আলেম ও চিন্তক মাত্র ৬১ বৎসর বয়সে ১৯ মে ১৯৩৬ সনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। তাকে সমাহিত করা হয় লন্ডনের সূরের ব্রুকউড মুসলিম সেমিটারীতে, যেখানে পরবর্তীতে আব্দুল্লাহ ইউসূফ আলীকে (Abdullah Yusuf Ali) সমাহিত করা হয়। 

সমাপ্ত।
উৎস:
  • Shaheen, Mohammad. "Pickthall, Marmaduke William (1875–1936)". 
  • Murad, Abdal Hakim. "Marmaduke Pickthall: a brief biography" .
  • Fremantle, Anne (1938). Loyal Enemy. 
  • Pickthall, Muriel (1937). "A Great English Muslim".
  • Rentfrow, Daphnée. "Pickthall, Marmaduke William (1875-1936)" 
  • Hurst, Dennis G (2010). America on the Cusp of God's Grace .
  • Anne Jackson Fremantle, Loyal Enemy. London: Hutchinson, 1938.
  • Peter Clark, Marmaduke Pickthall: British Muslim, London: Quartet, 1986.
  • Peter Clark, ‘A man of two cities: Pickthall, Damascus, Hyderabad.’ Asian Affairs 25/iii (1994), 281-292.
  • Marmaduke Pickthall, ‘In Memory of British Statesmanship’, The Muslim Outlook, Jan 22, 1920, pp.3-4.
  • Marmaduke Pickthall, ‘Muslim Education’, Islamic Culture 1 (1927), 100-9.
  • Marmaduke Pickthall, ‘Mr Yusuf Ali’s Translation of the Qur’an’, Islamic Culture IX (1935), 519-21.
  • Muriel Pickthall, ‘A Great English Muslim.’ Islamic Culture XI (1937), 138-42.
  • Omar Khalidi, ‘The Caliph’s Daughter’, Cornucopia 31 (2004), 34-38.
  • Nabil Matar, Islam in Britain 1558-1685. Cambridge: Cambridge University Press, 1998.

এক পাঠক প্রশ্ন করল- “তা ১ম বিশ্বযুদ্ধের দামামা বাজানো রণসঙ্গীত, বিশপ Cleveland এর  “war-cry” এর কি কেউ জবাব দেয়নি?” জবাবে আমি বললাম, “ইবলিসের শত প্রচেষ্টাতেও দুনিয়ার সব মানুষ কখনও “গে” হবে না। সুতরাং প্রতিউত্তর থাকবেই।” পাঠকদের সুবিধার্থে দু’টোই পাশাপাশি এখানে রাখলাম।

The Cursed Crescent"
The war-cry of Cleveland Coxe
Bishop, Western Diocese, New York.
(a theological appeal of Christianity against Mohammedanism)

“Trump of the Lord! I hear it blow!
Forward the Cross; the world shall know
Jehovah’s arms against the foe;
Down shall the cursed Crescent go!
To arms! To arms!
 God wills it so.

God help the Russians-God bless the Czar,

Shame on the swords that trade can mar,
Shame on the Laggards, faint and far,
 That rise not to the holy war.
To arms! To arms!
 The Cross and Czar.

How long, O Lord, Thou art just,

Vengeance is Thine, in Thee we trust,
Wake, arm of God, and dash to dust,
Those hordes of rapine and of lust.
To arms! To arms!
 Wake swords that rust.

Forwards the Cross. Break, clouds of Ire,

Brake with the Thunder and the fire,
To new Crusades let Faith inspire,
Down with the crescent to the mire.
To arms! To arms! 
 The vengeance dire.

To high Stamb.iul that Cross restore! 

Glitter its glories as of yore. 
Down with the Turk! From Europe's shore 
Drive back the Payuim, drunk with gore.
To arms! To arms! 
To arms once more!”

The Bishop Answered by Mr. W. Croffut.

Thou Man of God, who thus implore,
Thy brother's sacred blood to pour,
In hateful tides of turbid gore,
From Dardanelles to Danube's shore.
Be still! Be still!
Blaspheme no more.

God help the babes, God help the Wives;
Shame on the Priests that whet the knives,
Shame on the Church whose alter thrives,
By wrecking peaceful peasants' lives.
Be still! Be still!
`Tis hell that drives.

How long, O Lord, before Thy shrine,
Shall men pray Vengeance, God, is Thine,
Then worship Moloch as Divine,
And drink the battle's bloody wine?
Be still! Be still!
O heart of mine.
-----

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন