pytheya.blogspot.com Webutation

১৪ জুলাই, ২০১৫

Newton: নিউটন ও তার বিতর্কিত গ্রন্থ।

স্যার আইজ্যাক নিউটন (Sir Isac Newton) ১৬৪২ সনের ২৫শে ডিসেম্বর উল্সথর্প মনর, লিঙ্কনশায়ার (Lincolnshire), ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্মের তিন মাস পূর্বে তার পিতা আইজ্যাক নিউটন মারা যান। অত:পর তার তিন বৎসর বয়সের সময়, তার মাতা হান্না আয়সকফ (Hannah Ayscough)) তাকে তার মাতার হেফাজতে রেখে রেভারেন্ড বার্ণাবাস নামক এক ব্যক্তির সাথে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। নিউটন তার এই সৎপিতাকে পছন্দ করতেন না। 

ট্রিনিটি কলেজ, কেম্ব্রিজ।
দি কিংস স্কূল, গ্রান্থাম (The King's School, Grantham)-এ নিউটন ৫ বৎসর পড়াশুনো করেন। এ সময় তার সৎপিতা মারা যান। ফলে ১৬৫৯ সনে তাকে স্কূল থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে তার বিধবা মাতা তাকে কৃষি কাজে নিয়োজিত করেন, যদিও নিউটন কৃষি কাজকে একদম পছন্দ করতেন না। এসময় কিংস স্কূলের এক শিক্ষক হেনরী স্টোকস দূর্দান্ত মেধাবী ছাত্র নিউটনের স্কূল শিক্ষা সমাপনীর জন্যে তার মাতাকে প্ররোচিত করেন। সুতরাং নিউটন পূনরায় স্কূলে ভর্তি হলেন এবং স্কূলের সেরা  মেধাবী ছাত্র নির্বাচিত হলেন।

স্কূল শিক্ষা সমাপনীর পর ১৬৬১ সনের জুন মাসে নিউটন কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে (Trinity College, Cambridge) ভর্তি হন। এ সময় এ কলেজটিতে এরিষ্টটলীয় পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদান করা হত। যাহোক, নিউটন এই কলেজ থেকে ১৬৬৫ সনের আগস্ট মাসে ডিগ্রী অর্জন করেন। তার এই ডিগ্রী অর্জনের পরপরই এক প্লেগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সতর্কতামূলক ভাবে কলেজটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দু’বৎসর কলেজটি বন্ধ থাকে। 

স্যার আইজ্যাক নিউটন।
ইতিমধ্যে নিউটন জেনারেলাইজড বায়োনোমিয়াল থিয়োরী (Generalized Binomial Theorem) আবিস্কার এবং গণিতের অপর একটি শাখা ইনফিনাইটসিমাল ক্যালকুলাস (Infinitesimal Calculus) ডেভেলোপ করেন। তিনি আলোক ও মাধ্যাকর্ষণ সূত্র (Law of Gravitation)ও আবিস্কার করে ফেলেন। ১৬৬৭ সনে তিনি পুনরায় কেম্ব্রিজে ট্রিনিটি কলেজের ফেলো হিসেবে যোগদান করেন এবং অচিরেই মর্যাদাপূর্ণ ”লুকাসিয়ান চেয়ার” (Lucasian Chair) নির্বাচিত হন।

এরপর নিউটন থেমে থাকেননি। ১৭২৪ সনের ২০শে মার্চ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করেছেন এবং যুগান্তকারী সব আবিস্কার করেছেন। তিনি ছিলেন একাধারে পদার্থবিদ, গণিতজ্ঞ, এস্ট্রনোমার, দর্শণবিদ, আলকেমিস্ট এবং থিয়োলজিয়ান। তাকে ধরা হয় মানব সভ্যতার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বড় উদ্দিপক বিজ্ঞানী (Greatest Influential Scientist)। তার রচিত ফিলোসফি ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা (Philosophiæ Naturalis Principia Mathematica) গ্রন্থটি এ কালের অধিকাংশ ক্লাসিক্যাল ম্যাথমেটিক্স এর ভিত্তি রচনা করেছে।

নিউটনের সমাধি।
ইংরেজ কবি আলেকজান্ডার পোপ (Alexander pope) নিউটনের এপিটাফ (Epitaph) লিখেছিলেন এভাবে:

Nature and nature's laws lay hid in night;
God said "Let Newton be"
and all was light.

অর্থ:
“প্রকৃতি ও প্রকৃতির বিধান ঢাকা পড়ে ছিল রাতে; 
ঈশ্বর বললেন “নিউটন সৃষ্টি হও” 
এবং সব আলোকিত হল।”

নিউটন ক্যাথলিক ধর্মের ত্রিত্ববাদী তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলেন না। প্রকৃতপক্ষে তিনি ছিলেন একত্ববাদী। কিন্তু তিনি তার জীবদ্দশায় ধর্মীয় বিশ্বাসকে প্রকাশ্যে ব্যক্ত করা কখনও বিচক্ষণতার পরিচায়ক বলে মনে করেননি। কেননা তার সময়কালে রাষ্ট্র ও গির্জা ধর্ম বিরোধীদের প্রতি প্রচন্ড কঠোরতা অবলম্বণ করেছিল। ধর্ম বিরোধীদের প্রতি আরোপিত ছিল মৃত্যুদন্ড, যা “জুডিকাম ডেই” বা “ঈশ্বরের বিচার” নামে খ্যাত। এই আইনে অপরাধীকে জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে বা ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করা হত।

কিন্তু বিজ্ঞানের ছাত্র নিউটন ধর্মের প্রতি আগ্রহী হলেন কেন? এর কারণ এই যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল গির্জার অধীনে এবং ধর্মগ্রন্থ পঠন ছিল আবশ্যিক। এতে নিউটন ধর্মগ্রন্থ পাঠে যথেষ্ট সময় ব্যয় করেন এবং অচিরেই বাইবেলের নানা অসঙ্গতি তার মনোযোগ আকর্ষণ করে। হিব্রু গবেষকগণ হিসেব করে দেখেছেন যে, নিউটনের বাইবেল পঠন সম্পর্কিত লেখা রয়েছে এক মিলিয়ন শব্দেরও অধিক। তবে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই যে, এই মহাজ্ঞানী ব্যক্তিটি বুক অফ ডানিয়েল পড়ার পর ১৭০৪ সনে একটি নোট লেখেন যাতে তিনি পূর্বাভাস দেন যে ২০৬০ সনে এই পৃথিবী ধ্বংস হবে। 

নিউটন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন বুক অফ ডানিয়েল, অধ্যায় ১২, আয়াত ৭ থেকে, যেখানে বলা হয়েছে- And I heard the man clothed in linen, which was upon the waters of the river, when he held up his right hand and his left hand unto heaven, and sware by him that liveth for ever that it shall be for a time, times, and a half; and when he shall have accomplished to scatter the power of the holy people, all these things shall be finished. – KJB.

The phrase “time, times, and a half” caught the attention of Isaac Newton. He interpreted it as three and a half years or 1260 days (also referenced in Daniel 7:25, Revelation 11: 3, 12: 6 and 13: 5). Isaac Newton made a slight adjustment, interpreting days like years, 1260 years that marked the countdown to the end of the world and the return of Christ.

নিউটনের পত্র যাতে তিনি পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে,
পৃথিবী ২০৬০ সনে ধ্বংস হবে।
But Newton required a starting date in order to predict the “return of Christ”. Newton used the establishment of the Holy Roman Empire in 800 CE by Charlemagne. This marked the fusion of religious primacy of the pope with the political supremacy of Charlemagne. Consequently, the 2060 date was simply the result of adding 1260 years to 800 CE.

The Prophecy of the End Times was very popular in the Protestant movement during the days of Newton.

Newton believed that 800 CE marked the earliest start date for the countdown, but added that it could be later.

It “did not commence before the year 800 in which the pope’s supremacy commenced,” Newton said. He later added, “It may end later, but I see no reason for it ending sooner.”

“This I mention,” Newton added, “not to assert when the time of the end shall be, but to put a stop to the rash conjectures of fanciful men who are frequently predicting the time of the end, and by doing so bring the sacred prophesies into discredit as often as their predictions fail.”

যা হোক, মূল উপস্থাপনায় ফিরি, নিউটনের মনোযোগ যখন ধর্মগ্রন্থের অসংগতিগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হল, তখন তিনি ঐ সব অসংগতি ও পরস্পর বিরোধী তথ্য ও তত্ত্বগুলো নিয়ে এক যুগান্তকারী পুস্তক “An Historical Accounts of Two Notable Corruptions of Scripture.” রচনা করলেন।

১৬৯০ সনে পুস্তকটি রচনার পর নিউটন ঐ পান্ডুলিপির প্যাকেটটি ফ্রান্সে জন লকের কাছে প্রেরণ করেন। কেননা এটি ইংল্যান্ডে প্রকাশ করা তার জন্যে চরম বিপজ্জনক ছিল। আর তাই তিনি আশা করেছিলেন লক তার পুস্তিকাটি ফরাসী ভাষায় অনুবাদ ও ফ্রান্সে প্রকাশের কাজে সহায়তা করবেন। 

লক, ১৬৯২ সনে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির রচনা হিসেবে পুস্তকটির ল্যাটিন অনুবাদ প্রকাশের চেষ্টা করেন। নিউটন ব্যাপারটা জানতে পেরে এ প্রকাশনা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে লককে অনুরোধ করেন। কারণ, তার ধারণা হয়েছিল, ঐ সময়টিও ঐ পুস্তিকা প্রকাশের জন্যে অনুকূল নয়। 

কি ছিল ঐ গ্রন্থটিতে? 
পুস্তকটিতে নিউটন বর্তমান বাইবেলের (নিউ টেষ্টামেন্ট) জন (৫:৭) প্রসঙ্গে বলেছেন: “ত্রিত্ববাদ সম্পর্কে জেরোমের সময় এবং তার আগে ও পরে বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত শক্তিশালী দীর্ঘকালীন ও স্থায়ী কোন বিতর্কেই তিন ঈশ্বরের বিষয়টি কখনোই ছিল না। এটা এখন প্রত্যেকের মুখে এবং কাজের প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিগণিত এবং নিশ্চিতভাবে তাদের জন্যেই তা করা হয়েছে যেভাবে তাদের গ্রন্থগুলোতে রয়েছে।”

“যারা যোগ্য, এ ব্যাপারে তাদের বোধোদয় হওয়া উচিত। আমার পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়। যদি এটা বলা হয় যে আমার ধর্মগ্রন্থ কী তা নির্ধারণ এবং ব্যক্তিগত বিচারের কেউ নেই সেক্ষেত্রে যে সব স্থানে বিরোধ নেই সেখানে আমি এটা স্বীকার করি, কিন্তু যেখানে বিরোধ আছে সেখানে আমি সবচেয়ে যা ভাল বুঝি, তাই করি। মানব সমাজের উত্তপ্ত মেজাজ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন অংশ ধর্মীয় ব্যাপারে চিরকালই রহস্যময়তার ভক্ত, আর এ কারণেই তারা যা কম বোঝে সেটাই বেশি পছন্দ করে। এ ধরনের লোকেরাই প্রেরিত দূত যোহনকে যেভাবে খুশী ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু তার প্রতি আমার এমন শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে যাতে আমি বিশ্বাস করি তিনি যে উদ্দেশ্যে লিখেছেন যা থেকে ভালটুকু গ্রহণ করা যায়।”

“এই অংশটি এরাসমাসের নিউ টেষ্টামেন্টের তৃতীয় সংস্করণে প্রথম দেখা যায়। এই সংস্করণ প্রকাশের আগে এই মিথ্যা অংশটি নিউ টেষ্টামেন্টে ছিল না। তারা যখন এই সংস্করণে ত্রিত্ববাদ পেল তখন তারা নিজেরাই নিজেদের ধর্মগ্রন্থ থেকে তা ছুঁড়ে ফেলল যেমন লোকজন পুরোনো আলমানাককে ছুঁড়ে ফেলে। এ ধরনের পরিবর্তনের ঘটনা কি কোন বিবেচক ব্যক্তিকে সন্তুষ্ট করতে পারে?”---- “ভাঙ্গা বাদ্যযন্ত্রে সুর তোলার মতই এটা ধর্মের জন্য উপকারী হওয়ার পরিবর্তে বিপজ্জনক।” 

১ তীমথীয় (৩:১৬) প্রসঙ্গে নিউটন বলেন: “উত্তপ্ত ও দীর্ঘস্থায়ী আরিয়ান বিতর্কের কোন সময়েই এটা শোনা যায়নি.... যারা বলে যে “ঈশ্বর রক্তমাংসের মানুষের মধ্যে প্রকাশিত” তারা তাদের উদ্দেশ্যের চূড়ান্ত লক্ষ্য হাসিলের জন্যেই তা বলে থাকে।”

নিউটন সবশেষে বলেন: “দেবতা (Deity) শব্দটি অধীনস্থ প্রাণীকুলের উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশক এবং ঈশ্বর (God) শব্দটি স্বতস্ফূর্তভাবে প্রভুত্ব প্রকাশক। প্রত্যেক প্রভুই ঈশ্বর নয়। এক আধ্যাত্মিক সত্তার মধ্যে প্রাধান্য বিস্তারের মাধ্যমে ঈশ্বরের প্রকাশ ঘটে। যদি এ প্রাধান্য সত্য হয় তা হলে সে সত্তাই প্রকৃত ঈশ্বর। এটা যদি সন্দেহপূর্ণ হয় তবে তা হবে মিথ্যা ঈশ্বর, আর যদি তা সন্দেহাতীত হয়, তবে তিনি হবেন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর।” 

ক্ষণজন্মা এই বিজ্ঞানী নিউটন, ওল্ড টেষ্টামেন্টের প্রতীকী বা দ্বৈত ব্যাখ্যারও বিরোধী ছিলেন। তিনি সব ধর্মগ্রন্থকে সমান শ্রদ্ধা করতেন না। হুইষ্টন বলেন, তিনি অন্য দু’টি প্রধান ধর্মগ্রন্থের উপরও গবেষণা গ্রন্থ রচনা করেছিলেন যেগুলোকে যাজক এথানাসিয়াস বিকৃত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে আজ আর তার সেসব গ্রন্থের কোন হদিস পাওয়া যায় না। 

সমাপ্ত।

উঃস: 
  • Muhammad Ata ur-Rahim, Jesus- A Prophet of Islam.
  • Jeffery Pritchett, Isaac Newton Predicted The World Would End in 2060.
  • Dobbs, Betty Jo Tetter. The Janus Faces of Genius: The Role of Alchemy in Newton's Thought. (1991), 
  • Force, James E., and Richard H. Popkin, eds. Newton and Religion: Context, Nature, and Influence. (1999),
  • Pfizenmaier, Thomas C. (1997). "Was Isaac Newton an Arian?".
  • Ramati, Ayval. "The Hidden Truth of Creation: Newton's Method of Fluxions" 
  • Snobelen, Stephen "'God of Gods, and Lord of Lords': The Theology of Isaac Newton's General Scholium to the Principia," 
  • Snobelen, Stephen D. (1999). "Isaac Newton, Heretic: The Strategies of a Nicodemite". 
  • Stephen D. Snobelen, "A Time and Times and the Dividing of Time": Isaac Newton, the Apocalypse and 2060 AD.
  • Wiles, Maurice. Archetypal Heresy. Arianism through the Centuries. (1996)
  • Westfall, Richard S.[1983]. Never at Rest: A Biography of Isaac Newton.
  • Stokes, Mitch (2010). Isaac Newton . Thomas Nelson. p. 97.
  • Keynes, Milo ( 2008). "Balancing Newton's Mind: His Singular Behaviour and His Madness of 1692-93" .
  • Newton, Isaac. "Waste Book" . 
  • Błaszczyk, Piotr; Katz, Mikhail; Sherry, David (2012), "Ten misconceptions from the history of analysis and their debunking", 
  • Olivier Darrigol ( 2012). A History of Optics from Greek Antiquity to the Nineteenth Century . 
  • Newton, Isaac. "Hydrostatics, Optics, Sound and Heat" .
  • William R. Newman, "Newton's Early Optical Theory and its Debt to Chymistry,"
  • Hall, Alfred Rupert (1996). Isaac Newton: adventurer in thought . p. 67.
  • Newton, Issac. "Of Colours" . The Newton Project. 
  • Iliffe, Robert (2007) Newton. A very short introduction.
  • Keynes, John Maynard (1972). "Newton, The Man". 
  • Dobbs, J.T. (December 1982). "Newton's Alchemy and His Theory of Matter".
  • Curtis Wilson, "The Newtonian achievement in astronomy", pages 233–274
  • Edelglass et al., Matter and Mind, 
  • On the meaning and origins of this expression, see Kirsten Walsh, Does Newton feign an hypothesis? ,
  • "John Locke Manuscripts -- Chronological Listing: 1690" . psu.edu.
  • John C. Attig, John Locke Bibliography — Chapter 5, Religion, 1751–1900 
  • David Brewster. "Memoirs of the Life, Writings, and Discoveries of Sir Isaac Newton:" p.268.
  • Levenson, Thomas (2009). Newton and the counterfeiter: the unknown detective career of the world's greatest scientist. 
  • "Sir Isaac Newton's Unpublished Manuscripts Explain Connections He Made Between Alchemy and Economics" . 
  • Michon, Gerard. "Coat of arms of Isaac Newton" . 
  • "Duillier, Nicholas Fatio de (1664–1753) mathematician and natural philosopher" . 
  • "Silly relic-worship" . The New York Times. 16 January 1881. p. 10. 
  • Snobelen, Stephen D. (1999). "Isaac Newton, heretic: the strategies of a Nicodemite" 
  • Tyson, Neil Degrasse (2005). "The Perimeter of Ignorance". Natural History Magazine.
  • "Papers Show Isaac Newton's Religious Side, Predict Date of Apocalypse" 
  • Berkun, Scott ( 2010). The Myths of Innovation. 
  • "Newton's apple: The real story" .
  • Christianson, Gale (1984). In the Presence of the Creator: Isaac Newton & His Times. 
  • Craig, John (1958). "Isaac Newton – Crime Investigator". 
  • Craig, John (1963). "Isaac Newton and the Counterfeiters".
  • White, Michael (1997). Isaac Newton: The Last Sorcerer.
  • Wikipedia.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন