pytheya.blogspot.com Webutation

২ জানুয়ারী, ২০১৪

Anecdote: ঈমাম হাসান ইবনে আলীর বাগ্মিতা।

আমর ইবনুল আ’স ('Amr-ibn-al-'As) কুরাইশ বংশের উমাইয়া গোত্রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি সেই তিনজন মক্কী কবির অন্যতম, যাদের রচিত স্যাটেয়ার নবীজীকে এতটাই পীড়া দিয়েছিল যে, তিনি প্রতিউত্তর দিতে আল খাজরাজ গোত্রের তিন কবিকে নিয়োজিত করেছিলেন, যাদের একজন হলেন হাসান ইবনে সাবেত। 

আমর আল্লাহ ও তার রসূলের বিরুদ্ধে আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে বদর ও ওহোদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। অত:পর ৮ম হিজরীতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং পরপরই মক্কার তিন মাইল দূরে রোহাতে, হুদাইল গোত্রের দেবতা সা’লা (Salwah) ধ্বংস করতে নবীজী কর্তৃক প্রেরিত হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, ইসলাম গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি ওমানের শাসক আল আযদি (al-Azd) গোত্রের দু’জন রাজকুমারের নিকট প্রেরিত দূতও ছিলেন। আবু বকরের খেলাফত কালে তিনি প্যালেষ্টাইনের নিম্নাঞ্চলে এক বৃহৎ সেনাদলের অধ্যক্ষ হিসেবে প্রেরিত হন এবং খলিফার শেষ বৎসরে গাজা অবরোধ ও দখল করেন। 

কথিত আছে, গাজার সকল অধিবাসীকে আমর মাউন্ট সিনাইয়ের মরু প্রান্তরে পাঠিয়ে দেন খলিফার অধীনতা ও বশ্যতা স্বীকারের জন্যে। একই বৎসরে তিনি খালিদ বিন ওয়ালিদের অধীনে একজন জেনারেল হিসেবে দামেস্কের প্রান্তে পৌঁছেন এবং দেশটিকে সংকুচিত করে ফেলেন। আবু বকরের মৃত্যুর পর ওমর খেলাফতের দায়িত্বভার লাভ করলে খালিদকে অপসারিত করে (Khalid dismissed owing to his ever-growing fame and influence and Omar doing this because he wanted the people to know that victory came from God, not the general.) আবু ওবায়দাকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়। 

ওবায়দার অধীনস্ত থাকাকালীন আমর জেরুজালেম অবরোধের নির্দেশ পান। ১৬ হিজরীতে নগরীটি আত্মসমর্পণ করে খলিফার স্বশরীর উপস্থিতিতে। পরবর্তীতে খলিফা ওমর আমরকে মিসর অভিযানে প্রেরণ করেন। অবশ্য তিনি বেশ কয়েক বৎসর সিরিয়াতে অবস্থান করেছিলেন অবশিষ্ট কিছু শহর ও দূর্গ পদানত করতে এবং অত:পর ১৮ হিজরীতে তিনি মিসরে পদার্পণ করেন। তিনি মিসর দখল করে নেন এবং তার গভর্ণর নিযুক্ত হন।

আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরী।
মিসর দখল করার পর আমর তৎকালীন জ্ঞান-বিজ্ঞানের আধার মিসরের আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরীটি খলিফা ওমরের আদেশে (৬৪২ সনে) ধ্বংস করে ফেলেন। পাঁচ লক্ষাধিক মূল্যবান গ্রন্থ সমৃদ্ধ এই গ্রন্থাগারটি ধ্বংসের ব্যাপারে ওমর এমনই ঐতিহাসিক নির্দেশ দিয়েছিলেন - "if these books agreed in all points with the Book of God (al-Qur’an), the latter would still be perfect without them, and they would therefore be superfluous; but that if they contained anything repugnant to the doctrine of that book, they ought to be condemned as pernicious, and destroyed". (আর খলিফা ওমরের এ নির্দেশ ছিল কেবল জগৎবাসীর কাছে খলিফার তরফ থেকে কোরআনের সত্যতার সুকঠিন সাক্ষ্য তুলে ধরতে, কিতাব ধ্বংস করতে নয়।) উল্লেখ্য, টলেমি ফিলাডেলফিয়ার কন্যা আলেকজান্দ্রিয়ার নামানুসারে স্থাপিত এই গ্রন্থাগারটি অবশ্য ইতিপূর্বেও (৪৮ বিসি) একবার পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল জুলিয়াস সিজারের নির্দেশে। সেসময় এতে গ্রন্থের সংখ্যা ছিল চার লক্ষাধিক। 

সুয়েজ খাল।
গভর্ণর নিযুক্ত হবার পর আমর সুয়েজ খাল (Suez Canal) খননের কাজে হাত দেন। এই খালটি Arabian Gulf ও Mediterranean Sea-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই খাল খননে খলিফার অনুমোদন ছিল না, এ কারণে যে, এটি খৃষ্টানদেরকে আরবভূমিতে প্রবেশে সহায়তা করতে পারে। ফলে ২৪ হিজরীতে ওমরের উত্তরসূরি খলিফা ওসমান কর্তৃক আমর পদচ্যূত হন।

পদচ্যূতির পর আমর প্যালেস্টাইনে ফিরে আসেন এবং স্বাভাবিক নাগরিক জীবন-যাপন করতে থাকেন। অত:পর ওসমানের হত্যাকান্ডের পর আলী ও মুয়াবিয়ার মধ্যে খেলাফতের দাবিদারত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব বাঁধলে আমর মুয়াবিয়ার পক্ষ নেন এবং তার সাথে এইমর্মে চুক্তিবদ্ধ হন যে, তিনি তাকে মিসরের গভর্ণরের পূর্বপদ ফিরে পেতে সাহায্য করবেন। আর যখন এই সিদ্ধান্ত হয় যে, আলী ও মুয়াবিয়ার মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি হবে উভয় পক্ষ থেকে দু’জন করে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে, তখন সূচতুর মুয়াবিয়া আমরকে কাজে লাগান। আমর মুয়াবিয়ার পক্ষ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত দু’জন প্রতিনিধির একজন ছিলেন।

৪০ হিজরীতে মদিনায় খলিফা আলীকে, দামেস্কে মুয়াবিয়াকে এবং মিসরে আমরকে একইদিনে হত্যাকান্ডের এক চক্রান্ত হয়, কিন্তু এটা কেবল সফলতা লাভ করে আলীর ক্ষেত্রে। আমর ৪৩ হিজরীতে পীড়িত হয়ে মারা যান। যাইহোক, আমরা এবার মূল কাহিনীতে ফিরি। এ কাহিনী ওসমানের হত্যাকান্ড পরবর্তী।

ওসমানের হত্যাকান্ডের পর আলীর বিরুদ্ধবাদীরা মুয়াবিয়ার চারপাশে সমবেত হয়েছিল। এইসময় কোন এক মজলিসে আমর ইবনুল আ’স, ওয়ালিদ ইবনে ওকবা, ওবায়দা ইবনে আবু সুফিয়ান ও মুগীরা বিন শোবা নিজেদের মধ্যে পরামর্শ শেষে মুয়াবিয়াকে বললেন,“ও বিশ্বাসীদের নেতা! হাসান ইবনে আলীকে ডেকে পাঠান যেন সে আমাদের সম্মুখে উপস্থিত হতে পারে।

"কিন্তু কেন"? -মুয়াবিয়া জানতে চাইলেন।
"যাতে করে" তারা বললেন, "আমরা তাকে ভৎর্সণা করতে পারি এবং তাকে পরিস্কার জানিয়ে দিতে পারি যে, তার পিতাই ওসমানের হত্যাকারী।"

"কিন্তু" মুয়াবিয়া বললেন, "তোমরা তার সাথে এঁটে উঠতে পারবে না। তোমরা তার কাছ থেকে কিছুই পাবে না। বরং তোমরা যাকিছু বলবে তার প্রতিউত্তরে পাবে ডাহা মিথ্যা। আর যদি সে তার বাগ্মিতা তোমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগায়, তবে তার সমর্থক ও শ্রোতাদের সকলেই তাতে বশীভূত হবে এবং তার সাথে সহমত পোষণ করবে।"
কিন্তু তারা জোর দিয়ে বললেন, "তাকে ডেকে পাঠান, আমরা নিশ্চয়ই তার জন্যে এক কঠোর প্রতিপক্ষ হব।"

সুতরাং মুয়াবিয়া হাসানকে ডেকে পাঠালেন এবং তিনি এলে বললেন, "ও হাসান! আমি তোমাকে ডেকে আনতে চাইনি, বরং এরা চাইছিল তুমি আস, সুতরাং তাদের কি বলার আছে তা শোন।"
তখন হাসান বললেন, "তাদেরকে বলতে দিন, আমরা অবশ্যই তাদের কথায় মনোযোগ দেব।"

সুতরাং আমর ইবনূল আস উঠে দাঁড়ালেন এবং খোদাকে প্রশংসা করার পর বললেন, “ও হাসান! তুমি কি জান, তোমার পিতাই সর্বপ্রথম বিদ্রোহ উস্কে দিয়েছিল একচ্ছত্র ক্ষমতার লোভে? আর তাতে উপরওয়ালার (খোদার) বিচার সম্পর্কে তুমি কি ভাবছ?

এসময় ওয়ালিদ ইবনে ওকবা (আল ওয়ালিদ ইবনে ওকবা খলিফা আবু বকর কর্তৃক একজন জেনারেল মনোনীত হয়ে প্যালেস্টাইনের উপরিভাগে অভিযানে প্রেরিত হন। শুধু তাই নয়, দখল করার পূর্বেই তিনি ঐ প্রদেশের গভর্ণরও নিয়ুক্ত হয়েছিলেন। অত:পর দামেস্কে মুসলিমদের অভিযানের পূর্বে ওয়ালিদের বাহিনী প্যালেস্টাইনে কঠোর প্রতিরোধের মুখোমুখী হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে তিনি তার সেনাবাহিনীসহ শত্রুপক্ষের সম্মুখ থেকে পালিয়ে যান। ফলে মুসলিমদের মনোভাব ও আদর্শ প্রতিস্থাপনে তার এই ব্যর্থতার দরুণ তিনি পদচ্যূত হন।) উঠে দাঁড়িয়ে খোদার প্রশংসা শেষে বললেন, “ও হাশিম পুত্র! আমরা ওসমান ইবনে আফফানের নিকট আত্মীয়, আর শোকর আলহামদুলিল্লাহ যে, আল্লাহর রসূলের সাথে তোমার আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে যাতে তুমি বিশেষভাবে উপকৃত হয়েছ, তুমি উচ্চ মানবীয় গুণাবলী লাভ করেছ। (স্পষ্টই, আল ওয়ালিদ নবীজীর সঙ্গে আলীর রক্তের সম্পর্ক ওসমানের থেকেও নিকটতর এ বিষয়টি এড়িয়ে গেলেন। উল্লেখ্য, নবীজী ও ওসমানের পূর্বপুরুষ আবদ মান্নাফ যার ৪র্থ প্রজন্ম মুহম্মদ ও আলী আর ৫ম প্রজন্ম ওসমান। উপরন্তু, আলী নবীজীর একমাত্র কন্যা ফাতিমাকে বিবাহ করেছিলেন। আর ওসমান বিবাহ করেছিলেন নবীজীর দুই স্টেপ ডটারকে।) কিন্তু তোমরা ওসমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছ এবং তাকে হত্যা করেছ। আর তাই সত্যি বলতে কি, আমরা তোমার পিতার মৃত্যু কামনা করি। কিন্তু আমরা খোদার ভয় করি, তাই তাকে হত্যা করিনি। অবশ্য আমরা যদি তাকে হত্যাও করি, খোদার দৃষ্টিতে তা পাপ বলে গণ্য হবে না।

এসময় ওৎবা ইবনে আবু সুফিয়ান উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, “ও হাসান! যেহেতু তোমার পিতা ওসমানের বিরুদ্ধে সীমালংঘন করেছে এবং তাকে হত্যা করেছে পার্থিব সম্পদ ও রাজ্য লাভের আশায়, সুতরাং খোদা তার কাছ থেকে সেসব ছিনিয়ে নেবেন। আর সত্যিই আমরা তোমার পিতার মৃত্যু কামনা করি এবং করব যতক্ষণ না সে খোদার রোষানলে পড়ে নিহত না হয়।” এতক্ষণে আল মুগীরা বিন শোবা উঠে দাঁড়ালেন এবং উচ্চেস্বরে আলীকে ওসমানের হত্যাকারী হিসেবে চিহ্নিত করে বিষোৎগার করলেন।

যখন তাদের সকলের বলা শেষ হল, তখন হাসান উঠে দাঁড়িয়ে খোদার প্রশংসা শেষে বললেন, “With thee, O Mu'awiyah! will I begin, for such as these others cannot insult me. But thou dost insult me, by thy hatred, and enmity, and opposition to my maternal grandfather the Prophet of God.

তারপর তিনি লোকদের দিকে ঘুরে বললেন, “God is my witness before you, that he whom these men have insulted was without doubt my father. And he was the first who believed in God and prayed at the two Qiblahs. Whilst thou, O Mu’awiyah! wert an infidel and an idolater. And on the day of Badr, my father bore the standard of the Prophet, whilst the standard of the idolaters was borne by Mu’awiyah!

And the Most High is my witness before you, that Mu’awiyah was scribe to my maternal grandfather who one day sent for him, but the messenger returned and said, “He is eating.” And he sent the messenger to him three times, and every time he said, “He is eating.” Then cried the Prophet, “May Allah never appease the craving of thy belly!---” (See Sahih Muslim, 3/2010 no.2604) Dost thou acknowledge this of thy gluttony or not, O Mu’awiyah?”

তিনি বলে চললেন, “And I call God to witness before you whether you are not aware that Mu’awiyah was leading a camel on which his father was riding, while his brother here present was driving her. And the Prophet of God said (the Prophet cursed the rider, the leader and the driver. -See, Al-Khesaal, chapter 3, Hadith 264) what he said. And thou, thou knowest this! So much for thee, O Mu’awiyah!

—As for thee, O 'Amru! five of the Quraish were disputing with thee, and one of them got the better of thee, like el-Aiham. He was the meanest of them in estimation, and of lower degree than the others. Then thou didst rise in the midst of the Quraish, and said: “I have ridiculed Muhammad in a poem of thirty lines.” And when the Prophet heard this, he cried, “O Allah! I am no poet. O Allah! do thou for every line curse 'Amr-ibn-al-'As with a curse!” Then thou didst depart with thy poem to the en-Najjshy and didst tell him about it. And he gave thee the lie, and drove thee away in disgrace. So thou hast shown thyself an enemy to the sons of Hashim both as an infidel and as a Muslim.

—I do not blame thee for thy hatred at the present time, O thou son of Abu-Mait! (আল ওয়ালিদের পিতা ওকবা ইবনে আবু মুয়ীত একজন অন্যতম কুরাইশ নেতা ছিলেন। তিনি কোন সফর থেকে ফিরে এলে শহরের গণ্যমান্য লোকদের দাওয়াত করতেন এবং নবীজীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করতেন। এ ধরণের এক নিমন্ত্রণে নবীজী একদিন তার বাসগৃহে গেলেন। যখন ওকবা তার সামনে খানা উপস্থিত করলেন, তখন নবীজী বললেন, “আমি তোমার খানা গ্রহণ করতে পারি না যে পর্যন্ত না তুমি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ এক, এবাদতে তাঁর কোন অংশীদার নেই এবং আমি তার রসূল।” তখন ওকবা সাক্ষ্য দিলেন এবং নবীজী খাদ্য গ্রহণ করলেন।

উবাই ইবনে খলফ ছিলেন ওকবার ঘনিষ্ট বন্ধু। তিনি যখন ওকবার ইসলাম গ্রহণের কথা জানতে পারলেন, তখন খুবই রাগান্বিত হলেন। ওকবা ওজর পেশ করলেন, “কুরাইশ বংশের সম্মানিত অতিথি মুহম্মদ আমার গৃহে আগমন করেছিলেন। তিনি খাদ্য গ্রহণ না করে ফিরে গেলে তা আমার জন্যে অবমাননাকর হত। তাই অমি তার মনোরঞ্জনের জন্যে ইসলাম গ্রহণ করেছি।

উবাই বললেন, "আমি তোমার এই ওজর কবুল করব না, যে পর্যন্ত না তুমি গিয়ে তার গর্দানে পা রেখে তার মুখে থুথু নিক্ষেপ করবে।"
হতভাগ্য ওকবা বন্ধুর কথায় সম্মত হলেন এবং অত:পর তিনি ঐ কাজটি করলেন যখন নবীজী কা’বাতে উপবিষ্ট ছিলেন।

Kitab-al-Aghany
এরপর তাদের সম্পর্কে এই আয়াত নাযিল হয়েছিল- “জালেম সেদিন আপন হস্তদ্বয় দংশন করতে করতে বলবে, “হায় আফসোস, আমি যদি রসূলের সাথে পথ অবলম্বণ করতাম! হায় আমার দুর্ভাগ্য, আমি যদি ওমুককে বন্ধুরূপে গ্রহণ না করতাম। আমার কাছে উপদেশ আসার পর সে আমাকে বিভ্রান্ত করেছিল।” -(২৫:২৭-২৯) 

এই ওকবা ও উবাই দু‘জনই কুরাইশদের পক্ষে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই যুদ্ধে উবাই নিহত এবং ওকবা ধৃত হন।) and indeed how can I reproach thee for thy invective's against my father, when of a truth he lashed thee with eighty lashes for drinking wine? (খলিফা ওসমান তার চাচাত ভাই আল ওয়ালিদ ইবনে ওকবাকে কূফার গভর্ণর করেছিলেন।ঐ দায়িত্ব পালনকালে তিনি মাতাল অবস্থায় কোন এক নামাজে ঈমামতি করতে গিয়ে দু'রাকাতের নামাজ ৪ রাকাত পড়িয়েছিলেন। বিষয়টি দরবারে উত্থাপিত হলে খলিফা ওসমানের নির্দেশে শাস্তিস্বরূপ আলী তাকে ৮০টি বেত্রাঘাত করেন। -See Sahih Bukhari, Volume 5, Book 57, Number 45; volume 5, book 58, number 212; Ta'rikh al-Tabari, volume XV, p-120)

And by command of my maternal grandfather he killed thy father (বদর যুদ্ধে ওকবা ধৃত হলে নবীজী তাকে শিরোচ্ছেদের আদেশ দেন। তবে হাসান তার পিতা আলীকে ঐ শিরোচ্ছেদকারী হিসেবে উল্লেখ করলেও ঐতিহাসিক Abu'l-Faraj-Isfahani তার Kitab-al-Aghany (Book of Songs)-তে কিন্তু আসেম ইবনে সাবেতকে শিরোচ্ছেদকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।who had been taken and bound, and my maternal grandfather killed him by command of my Lord God? 


And when thy father stood before the executioner, he said, “Be gracious unto my young sons after me, O Muhammad!” But my maternal grandfather replied, “Hell-fire is their portion” (ওকবার সন্তানগণ এভাবে উপাধি পেল "Sibyat un-Ndr" অর্থাৎ Children of the Fire, or of Hell-fire,). For with him there could be no place for them excepting hell-fire, and with my father there could be nothing for them excepting the lash and the sword. 


— And as for thee, O 'Utbah! how canst thou reproach anyone for murder? For why didst thou slay him whom thou didst discover with thy wife, though taking her back again after that she had sinned?


— And as for thee, O thou one-eyed Thaktfy! (সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় মুগীরা তার একটি চক্ষু হারিয়ে ছিলেন ৬৩৬ সনে মুসলিম ও সম্রাট হেরাক্লিয়াসের মধ্যে সংঘটিত ইয়ারমুক যুদ্ধে।-Kitab Futuh al-Buldha by Ahmad ibn-Jabir al-Baladhuri. এই যুদ্ধে ২৪ হাজারের মুসলিম বাহিনীর বিপরীতে ছিল দু'লক্ষ সেনার বিশাল রোমান বাহিনী। তথাপি মুসলিম বাহিনী জয়লাভ করে এবং তাদের কমবেশী সাত'শ সেনার অঙ্গহানি ঘটে। অবশ্য কিছু কিছু ঐতিহাসিক বলেন যে, মুগীরার দৃষ্টিশক্তি হারানোর কারণ ছিল সূর্য্যগ্রহন অবলোকন।) for what reason dost thou revile Ali? Is it because his relationship to the Messenger of God was so very distant? or because of the injustice of his administration towards his subjects in this world?

For if thou sayest any such thing, thou dost lie, and men will be lie thee. And if thou sayest 'Ali killed (একথা ভাবার কোন অবকাশ নেই যে, আলীর ব্যক্তিগত সংশ্লিষ্টতা ছিল ঐ বিদ্রোহে যাতে ওসমান নিহত হয়েছিলেন। তবে একথা সঠিক যে, তিনি খলিফা ওসমানের বিরুদ্ধবাদীদের সাথে সরাসরি যোগদান যেমন করেননি, তেমনি তিনি তার শক্তি, সাহস ও কার্যাবলী দ্বারা স্বত:স্ফূর্তভাবে খলিফাকে সহায়তাও করেননি যা স্বভাবতই তার নিকট থেকে প্রত্যাশিত ছিল। তার এই উদ্যমহীনতাই অতিরঞ্জিত করে ফলাও প্রচার করে খলিফার নিকট-আত্মীয় ও সুবিধাভোগীগণ এবং তাকে হত্যাকারীদের অন্তর্ভূক্ত করে ফেলে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল ও ক্ষমতা লাভের আশায়।Othman, verily thou dost lie, and men be lie thee. 

And, moreover, such as thou resemble the gnat which settled on the palm-tree in the fable. The gnat cried out to the tree, “Hold fast, for I am going to fly off!” The palm-tree replied to her, “I was not even aware of thy presence, so, how could thy taking flight harm me?” And how, O thou one-eyed Thakify! could thy blame hurt us"?

এতটুকু বলে হাসান তার পরিধেয় পোষাকের ধূলো ঝাড়লেন এবং শান্তমনে সঙ্গীদের নিয়ে চলে গেলেন। তখন মুয়াবিয়া বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা তার সাথে কথায় পেরে উঠবে না? কসম আল্লার! সে চলে যাবার আগ পর্যন্ত আমার তো মনে হচ্ছিল চারপাশটা আঁধারে ছেয়ে গেছে।”

সমাপ্ত।

উৎস: Historical Tales and Anecdotes of the Time of the Early Khalifahs by Muhammad Diyab al-Atlidi.
চিত্র: mobygames.com; wikipedia.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন