pytheya.blogspot.com Webutation

২১ ডিসেম্বর, ২০১২

Apocrypha: হারমাসের মেষ-পালক।


হারমাসের ’দি শেফার্ড’ (The Shepherd) বা মেষ-পালক গ্রন্থটি রচিত হয়েছিল ৮৮ থেকে ৯৭ সনের মধ্যে, এফিসাসের কাছে প্যাটমস-এ। বার্নাবাসের গসপেলের মত এ গ্রন্থেও খোদার একত্বের বাণী প্রচার করা হয়েছে। পলীয় চার্চ ত্রিত্ববাদ ধারণ করলে এ গ্রন্থটি ধ্বংসের জন্যে সমন্বিত চেষ্টা চালানো হয়। ৩২৫ সনে নিকাইয়ার কাউন্সিলে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যে সকল গ্রন্থ নিষিদ্ধ করা হয়, এটি ছিল তার অন্যতম।

The Shepherd.
ধারণা করা হয় যে, জন যখন তার গসপেল রচনা করেছিলেন, সেই সময়েই এটি লেখা হয়েছিল। অনেকের মতে এটি জনের গসপেলেরও আগে রচিত। যাইহোক, এটা সত্য যে হারমাস বর্তমান নিউ টেষ্টামেন্টের অন্তর্ভুক্ত ৪টি গসপেলের কোনটিই দেখেননি বা পাঠ করেননি। অবশ্য কেউ কেউ বলেন, হারমাস হিব্রু গসপেল দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তবে প্রথম দিককার ঐ রকম কোন গসপেলের সন্ধান পাওয়া যায়নি। আর এ গ্রন্থটি কিভাবে লেখা হয়েছিল সে বিষয়ে হারমাস যে বিবরণ দিয়েছেন তাতে ঐ ধারণার কোন সমর্থন মেলে না।

Clement of Alexandria.
নিকাইয়ার কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত ঈসার প্রাথমিক অনুসারীদের কাছে এ গ্রন্থটি ব্যাপকভাবে সমাদৃত ছিল। তারা হারমাসকে একজন নবী হিসেবে গণ্য করতেন। দ্বিতীয় শতাব্দীর শেষ নাগাদ আলেকজান্দ্রিয়ার ক্লিমেন্ট (Clement of Alexandria) কর্তৃক এ গ্রন্থটি নিউ টেষ্টামেন্টের অংশ হিসেবে গৃহীত হয়। অরিজেন ও (Origen, ১৮৫-২৫৪ খৃষ্টাব্দ) এ গ্রন্থটিকে ঐশী গ্রন্থ হিসেবে গ্রহণ করেন এবং চতুর্থ শতাব্দীতে ব্যবহৃত Codex Sinaiticus- এর শেষাংশে এটি স্থান লাভ করে।

Origen.
তবে সবার কাছে এটি সমাদৃত ছিল এটি বলা যাবে না। কেননা কেউ কেউ এটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। যেমন, কায়সারিয়ার ইউসেবিয়াস (Eusebius of Caesaria)। আবার অনেকে এটি গ্রহণ করেও পরে প্রত্যাখ্যান করেন। যেমন, এ.ডি টারটালিয়ান (AD Tertullian, ১৬০-২২০ খৃষ্টাব্দ)। আবার এথানাসিয়াস (Athanasius) ৩৬৭ সনে এটি গ্রহণ করেন এই যুক্তিতে যে এটি নতুন ধর্মান্তরিতদের ব্যক্তিগত পাঠের জন্যে অত্যন্ত উপযোগী।

Eusebius of Caesaria.
সুতরাং একথা বলা চলে, দি শেফার্ড এমন এক গ্রন্থ যা কোন রকমেই উপেক্ষণীয় ছিল না, বরং এটি একটি ঐশী গ্রন্থ হিসেবে সে যুগের খৃষ্টান চিন্তাবিদ ও খোদা প্রেমীদের দ্বারা মূল্যায়িত হয়েছিল।

ঈসা মসিহ ইহুদিদের নিকট মুসার প্রচারিত ধর্ম পুনরুদ্ধার ও বিস্তারের জন্যে এসেছিলেন। ঈসা যেমন একজন আচারনিষ্ঠ ইহুদি ছিলেন, তেমনি ছিল তার অনুসারীগণও। ঈসার জ্ঞানের আলোকে তারা তাদের এতদিনের বিভ্রমজনিত অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়। তারা ওল্ড টেষ্টামেন্ট পরিত্যাগ করেনি বরং তাতে বিশ্বাস দৃঢ় করেছে এবং পরিপূর্ণ অনুসরণে নিজেদেরকে নিয়োজিত করেছে। তাই যেহেতু ’দি শেফার্ড’ গ্রন্থটিতে তারা যা জানত তাই ব্যক্ত হয়েছিল, এ কারণে তারা সেটিকে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থের অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

AD Tertullian;
ঈসার শিক্ষাকে গ্রীক মনোভাবাপন্ন (Hellenise) করার প্রক্রিয়া শুরু হলে, কেউ কেউ যখন এ মর্মে বলতে শুরু করেন যে, খৃষ্টানদের ইহুদিদের আইন মেনে চলার প্রয়োজন নেই, তখন বাইবেল (নিউ টেষ্টামেন্ট) ও তৌরাহ (ওল্ড টেষ্টামেন্ট) এর মধ্যে বিরোধ দেখা দিতে শুরু করে। তবে এসব বিরোধ সত্ত্বেও চার্চ কর্তৃপক্ষ ওল্ড টেষ্টামেন্ট বহাল রাখে। কারণ ওল্ড টেষ্টামেন্টকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা বহু লোকের কাছেই স্বয়ং ঈসাকে প্রত্যাখ্যান হিসেবেই গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।

এদিকে উভয় টেস্টামেন্ট বহাল থাকায় অনিবার্য ফল হিসেবে দেখা দিল বিভ্রান্তি। ওল্ড টেষ্টামেন্টকে গ্রহণ না বর্জনের পাশাপাশি নিউ টেষ্টামেন্টের মধ্যেই স্ব-বিরোধিতা দেখা দেয়, যেহেতু তা পুরোনোটিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান না করেই ‘নতুন’ হয়েছিল। তবে চার্চের গোড়ার দিকে এসব গ্রন্থ এবং বিভিন্ন মতবাদ ও বিবরণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সেগুলোর তুলনামূলক যাচাই ও বিচারের কোন আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ নেয়া হয়নি। প্রথম দিকের খৃষ্ট সমাজের নেতৃবৃন্দ অবাধে তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারতেন এবং তাদের বিচারে যেসব গ্রন্থে যীশুর শিক্ষা ভালভাবে আছে বলে মনে হত সেগুলোর কথাই কেবল তারা উল্লেখ করতেন।

অত:পর ৩২৫ খৃষ্টাব্দে. ত্রিত্ববাদের উদ্ভাবন, তার রূপ রেখা প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রহণের কারণে পলীয় চার্চের কাছে এ ধরনের স্বাধীনতা আর গ্রহণযোগ্য ছিল না। ৪টি স্বীকৃত গসপেল নির্বাচন করা হয় এবং যীশুর জন্মের পরে লিখিত সকল ধর্মীয় গ্রন্থ নিষিদ্ধ ও বাতিল ঘোষিত হয়। তদুপরি, পলীয় চার্চের নেতৃবৃন্দ, যারা তাদের রহস্যময় ধর্মমতের ব্যাপারে সম্পূর্ণরূপে সন্তুষ্ট ছিল না, যা ঐসময় গড়ে উঠছিল, তারা কিছু গ্রন্থের নিষিদ্ধতার বৈধতা স্বীকার করলেও, এ সব গ্রন্থের কয়েকটিকে তারা চার্চের নয়া ধর্মমতের সাথে সরাসরি বিরোধিতা সত্ত্বেও বহাল রাখতে চেয়েছিলেন। সুতরাং এসব গ্রন্থ একত্রে জড়ো করা হয় এবং সেগুলো শুধু চার্চের ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের ব্যবহারের মধ্যেই সীমিত রাখা হয়। এগুলো পরিচিত হল ‘Apocrypha’ নামে যার অর্থ ’জনগণের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা’। এরপর সেগুলো বাইবেল থেকে অপসারণ করা হল। এতে বার্নাবাসের গসপেলের মত হারমাসের 'The Shepherd'- এর ভাগ্যেও একই পরিণতি ঘটেছিন। ঐ গ্রন্থটিকেও নিউ টেষ্টামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয়। যেহেতু সেটির কারণে ত্রিত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপনের জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত লোকদের মনে সংশয় দেখা দিয়েছিল।

নিষিদ্ধ ঘোষিত গ্রন্থের ব্যাপারে যথেষ্ট কঠোরতা অবলম্বণ করা হয়েছিল। অত:পর যে সকল লোকের কাছে এ সব নিষিদ্ধ ঘোষিত গ্রন্থ পাওয়া গেল তাদেরকে হত্যা ও গ্রন্থগুলো প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলা হল।

তবে এ সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল বলে প্রমাণিত হয়। হরমাসের গ্রন্থটির কথা বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু পাশ্চাত্যের কেউ দীর্ঘকাল তা পাঠ করতে সক্ষম হয়নি। আকস্মিকভাবে ১৯২২ খৃষ্টাব্দে এ গ্রন্থটির একটি তৃতীয় শতাব্দীর প্যাপিরাস পাণ্ডুলিপি আলোর মুখ দেখতে পায়।

প্রাপ্ত হারমাসের এই ’দি শেফার্ড’ গ্রন্থটি সম্ভবত: সর্বসাধারণের কথা ভেবেই রচিত হয়েছিল। সহজ সরল ঘরোয়া গ্রীক ভাষা এবং তাঁর মৌলিক প্রকাশভঙ্গী বইটিকে সহজ পাঠ্য করেছে।

Hermas
হারমাস (Hermas) তার গ্রন্থটি শুরু করেছেন তার দেখা চারটি স্বপ্নের বিবরণ দিয়ে। শেষ স্বপ্নটিকে তিনি আখ্যায়িত করেছেন প্রত্যাদেশ প্রাপ্তি বলে যেহেতু এ সময় মেষপালকের পোশাকে সজ্জিত এক স্বর্গীয় দূত তাঁর কাছে এসেছিল। স্বর্গীয় দূত তাঁকে জ্ঞাত করে যে, ‘সর্বাপেক্ষা সম্মানিত স্বর্গীয় দূত’ অর্থাৎ গাব্রিয়েল (Gabriel) তাকে তাঁর কাছে প্রেরণ করেছেন। হারমাস যতদিন জীবিত থাকবেন ততদিন সেও তার সাথে থাকবে।

এরপর স্বর্গীয় দূত হারমাসকে ‘সকল নির্দেশাবলী ও ধর্মমতের ব্যাখ্যা’ লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেয়। যেহেতু স্বর্গীয় দূত কর্তৃক এগুলো লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং উক্ত স্বর্গীয় দূতকে নির্দেশ দিয়েছিলেন ‘সর্বাপেক্ষা সম্মানিত স্বর্গীয় দূত’ সে কারণে তৎকালীন খৃষ্টানগণ এ গ্রন্থকে ঐশী গ্রন্থ হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

হারমাস যে সব নির্দেশাবলী (সর্বমোট ১২টি) লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ প্রাপ্ত হয়েছিলেন সেগুলো নিম্নরূপ :

১. সর্বপ্রথমেই বিশ্বাস করতে হবে যে খোদা এক এবং তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং সেগুলোকে সংগঠিত করেছেন, তিনি ছাড়া আর কোন স্রষ্টা নেই, তিনি সব কিছুকে ধারণ করেন, কিন্তু তিনি নিজে ধারণকৃত নন। তাঁকে বিশ্বাস কর ও ভয় কর এবং তাঁকে ভয় করে আত্ম-সংযমী হও। এ আদেশ মান্য কর এবং নিজের সকল দুষ্ট প্রবৃত্তি দূর কর, এবং সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হও। আদেশ মান্য করলে তুমি খোদার সান্নিধ্য লাভ করবে।

২. বিশ্বস্ত ও সরলমনা হও। কারো সম্পর্কে মন্দ কথা বলবে না এবং কেউ বললেও তাতে কর্ণপাত করবে না। ন্যায়নিষ্ঠ হও এবং মুক্তহস্তে দান কর।
৩. সত্যকে ভালোবাস।
৪. পবিত্র হও। শুধু কাজে নয়, চিন্তায়ও পবিত্র হতে হবে।
৫. সহিষ্ণু ও ধৈর্যশীল হও। খোদা ধৈর্যশীল, কিন্তু শয়তান অসহিষ্ণু।

৬. যা সত্য সেটাই বিশ্বাস কর। যা সত্য নয়, তা বিশ্বাস কোরও না। ন্যায়ের পথ সহজ ও সরল কিন্তু অন্যায়ের পথ বাঁকা। মানুষের সাথে দু’জন স্বর্গীয় দূত আছে, একজন ন্যায়ের হিসাব রাখে অন্যজন অন্যায়ের।
৭. খোদাকে ভয় কর ও তাঁর আদেশ মেনে চল।
৮. অন্যায়ের ব্যাপারে নিজকে সংবরণ কর, অন্যায় কোরও না। তবে ন্যায়ের ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ কোরও না। যা সঠিক তাই কর। সকল অসৎ কাজ থেকে নিজকে সংযত কর এবং সত্য পথ অনুসরণ কর।

৯. নিজের মন থেকে সন্দেহ দূর কর। কোন সংশয় ছাড়া খোদার কাছে চাও এবং তুমি সব কিছু পাবে। খোদা মানুষের ন্যায় ঈর্ষা পরায়ণ নন, তিনি ক্ষমাশীল এবং তাঁর সৃষ্টির প্রতি করুণাশীল। সুতরাং জাগতিক গর্ব- দম্ভ থেকে হৃদয়কে মুক্ত কর।
১০. মন থেকে দুঃখবোধ দূর কর, কারণ তা সন্দেহ ও ক্রোধের সহোদরা স্বরূপ।
১১. যে ভণ্ড নবীর সাথে আলাপ পরামর্শ করে সে মূর্তিপূজক ও সত্য বিচ্যুত।

হারমাস স্বর্গীয় দূতের কাছে জানতে চান যে কীভাবে একজন সত্য ও মিথ্যা নবীকে চেনা যাবে। জবাবে সে বলে, যিনি নবী তিনি হবেন ভদ্র, নম্র ও বিনয়ী।তিনি সকল অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকবেন। তার কোন জাগতিক আকঙ্খা থাকবে না। তিনি নিজের কোন কথা বলবেন না.... খোদা যখন চাইবেন, তখনি তিনি কথা বলবেন.....খোদা সর্বশক্তিমান।

একজন মিথ্যা নবী নিজেই নিজের প্রশংসা করবে এবং নিজের জন্যে উচ্চাসন চাইবে। সে হবে দুর্দান্ত, নির্লজ্জ ও বাচাল। সে বিলাস ব্যসনের মধ্যে থাকবে এবং তার নবীত্বের জন্যে পারিশ্রমিক গ্রহণ করবে। কোন পবিত্র আত্মা কি নবীত্বের জন্যে পারিশ্রমিক গ্রহণ করতে পারেন? মিথ্যা নবী সৎ লোকদের পরিহার করে এবং নীচে তাদের সাথেই সংশ্লিষ্ট থাকে যারা সন্দেহ প্রবণ ও দাম্ভিক। সে তাদের কাছে সর্বদা মনোরঞ্জনকর মিথ্যা কথা বলে। একটি শূন্য পাত্র অন্য শূন্য পাত্রের মধ্যে রাখা হলে ভেঙে যায় না, বরং তাদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য ও সম্প্রীতি লক্ষিত হয়। একটি পাথর হাতে নিয়ে আকাশের দিকে ছুঁড়ে দাও, দেখ তা আকাশ ছুঁতে পারে কিনা। জাগতিক বস্তুসমূহ অক্ষম ও দুর্বল। অন্যদিকে ঐশী শক্তি প্রবল। একটি শিলা ক্ষুদ্র বস্তু, কিন্তু তা যখন মানুষের মাথার উপর পড়ে, তখন কত না যন্ত্রণা দেয়। অথবা দেখ, ছাদের উপর থেকে পানির ফোঁটা মাটিতে পড়ে মিলিয়ে যায়। অথচ এই পানির ফোঁটা পড়ে পড়েই পাথরের বুকে গর্ত সৃষ্টি হয়। সুতরাং ঐশী শক্তি অত্যন্ত শক্তিশালী।

১২. মন থেকে সকল অসৎ ইচ্ছা দূর কর এবং সৎ ও পবিত্র ইচ্ছায় মনকে সজ্জিত কর। খোদা মানুষের স্বার্থেই বিশ্বে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। খোদাপ্রেমী ব্যক্তি সব কিছুর অধিকারী হবে। খোদার একজন দাসের মত আচরণ কর। যারা খোদার দাস, শয়তান তাদের কবজা করতে পারে না। শয়তান তাদের সাথে লড়াই করতে পারে, কিন্তু পতন ঘটাতে পারে না।

ম্যানিচিয়াস (Manichaeaus) নামক পারস্যের এক খৃষ্টান ব্যক্তি হারমাসের এই ’দি শেফার্ড’গ্রন্থটি প্রাচ্যে নিয়ে যান। ধারণা করা হয়, দান্তে (Dante) এ গ্রন্থ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।

সমাপ্ত।

উৎস: Jesus-A Prophet of Islam by Muhammad Ata-ur-Rahim.
ছবি: Wikipedia, fineartamerica, ishmaelite.blogspot.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন