pytheya.blogspot.com Webutation

৫ নভেম্বর, ২০১২

Solomon: সূর্য্যের নীচে নতুন কিছু নেই।


Solomon was known for his wisdom, his wealth and his writings. He became ruler in approximately 967 B.C.E. and his kingdom extended from the Euphrates River in the north to Egypt in the south. His crowning achievement was the building of the Holy Temple in Jerusalem.

Solomon was the son of King David and Bathsheba. Solomon was not the oldest son of David, but David promised Bathsheba that Solomon would be the next king. 


Solomon accumulated enormous wealth. He controlled the entire region west of the Euphrates and had peace on his borders. He owned 12,000 horses with horsemen and 1,400 chariots. Remains of stalls for 450 horses have in fact been found in Megiddo. Solomon strengthened his kingdom through marital alliances.He had 700 wives and 300 concubines, although some regard this number as an exaggeration. He had a large share in the trade between northern and southern countries. He established Israelite colonies around his province to look after military, administrative and commercial matters. The empire was divided into twelve districts, with Judah constituting its own political unit and enjoying certain privileges.


Although Solomon was young, he soon became known for his wisdom. People from surrounding nations also came to hear his wisdom. One of the most celebrated visits to Solomon was that of the Queen of Sheba, who came from southern Arabia. She asked him questions and riddles and was amazed at his wisdom. Solomon composed 3,000 proverbs and 1,005 songs. He wrote the Song of Songs, the Book of Proverbs and Ecclesiastes.


One of the most celebrated visits to Solomon was that of the Queen of Sheba, who came from southern Arabia. Historically, Arabia was a country rich in gold, frankincense, and myrrh. Solomon needed Sheba’s products and trade routes; the queen of Sheba needed Solomon’s cooperation in marketing her country’s goods. The queen came to Solomon with camels carrying spices, gold and precious stones. She asked him questions and riddles and was amazed at his wisdom.


Once Solomon’s empire was tranquil, he began to build the Holy Temple. His workers built the structure of the Temple, its decorations and its vessels. The Temple took seven years to complete. It was built of stone and cedar, carved within and overlaid with pure gold. When it was done, Solomon dedicated the Temple in a public ceremony of prayers and sacrifices.


Solomon died in Jerusalem after 40 years as ruler of Israel. He was buried in the City of David. যাহোক, আমাদের এ উপাখ্যানের আলোচ্য বিষয় তার জীবন-দর্শণ নিয়ে। জ্ঞানী এই ব্যক্তিটি মনুষ্য জীবন-দর্শণকে এভাবেই মূল্যায়ন করেছেন-


“মানুষ সূর্য্যের নীচে যে পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত হয়, তার সেই সমস্ত পরিশ্রমে তার কি ফল দেখতে পায়? এক পুরুষ চলে যায়, আর এক পুরুষ আসে; কিন্তু পৃথিবী নিত্য। সূর্য্য ওঠে, আবার তা অস্ত যায়; আবার ওঠে। যে বায়ূ দক্ষিণে বহে তা আবার ঘুরে উত্তরে ফিরে আসে; নিরন্তর আপন পথে চক্রাকারে চলতে থাকে। জলস্রোত সমূহ সমুদ্রে প্রবেশ করে, তবুও তা পূর্ণ হয় না; পানি পুন:রায় বাষ্পকারে মেঘে ও পরে তুষারপাতে, বৃষ্টিতে জলস্রোতের উৎপত্তিস্থলে ফিরে যায়। সমস্ত বিষয় বর্ণনা করা মানুষের অসাধ্য; দর্শণে চক্ষু তৃপ্ত হয় না এবং শ্রবণে কর্ণ। যা হয়েছে, তাই হবে; যা করা গেছে, তাই করা যাবে; সূর্য্যের নীচে নতুন কিছু নেই।


প্রাকৃতিক এমন কি কিছু আছে, যার সম্বন্ধে মানুষ বলবে, দেখ এ নতুন? এ পূর্বের, আমাদের পূর্ববর্তী যুগপর্যায়ে ছিল না? পূর্বকালীয় লোকদের বিষয় কারও স্মরণে নেই এবং ভাবীকালে যারা জন্মিবে, তাদের বিষয়ও তাদের পরবর্তীতে আগত লোকদেরও স্মরণে থাকবে না।


বাদশা শলোমন।
আমি প্রজ্ঞা দ্বারা আকাশের নীচে কৃত সমস্ত বিষয়ের অনুশীলন ও অনুসন্ধান করতে মনোযোগ করলাম; খোদা মনুষ্য জীবনকে শ্রমযুক্ত করতে কি অতি ভারী কষ্ট দিয়েছেন? যে যা বহন করতে সক্ষম কেবল তাকেই তাই দেয়া হয়েছে। সূর্য্যের নীচে কৃত সমস্ত কার্য্য আমি দেখেছি; দেখেছি যে, কুকুরের বক্র লেজ যেমন সোজা করা যায় না, তেমনি যা নেই তা গণনা করা যায় না। আমি নিজের মনের সাথে কথা বললাম, দেখ, আমার পূর্বে জেরুজালেমে যে সকল অধ্যক্ষ ছিলেন, তাদের অপেক্ষা আমি অধিক প্রজ্ঞা লাভ করেছি এবং আমার মস্তিস্ক নানা প্রকার প্রজ্ঞায় ও বিদ্যায় পারদর্শী হয়েছে। 

আকাশের নীচে মনুষ্য সন্তানদের সমস্ত জীবনকালে কি কি করা ভাল? আমি আপনার জন্যে মহৎ মহৎ কার্য্য করলাম, নিজের জন্যে নানা স্থানে বাটী নির্মাণ করলাম, দ্রাক্ষা ক্ষেতসমূহ প্রস্তুত করলাম, অনেক উদ্যান ও উপবন করে তার মধ্যে সর্বপ্রকার ফলবৃক্ষ রোপন কললাম; সেই বৃক্ষ উৎপাদক বনে জল সেচনার্থে স্থানে স্থানে পুস্করিণী খনন করলাম। আমি অনেক দাস দাসী ক্রয় করলাম এবং আমার গৃহেও দাসগণ জন্মিল; আর আমার গো-মেষাদি বা পশুধন অধিক ছিল। আমি স্বর্ণ ও রৌপ্য এবং নানা রাজ্যের ও নানা প্রদেশের বিশেষ বিশেষ ধন সঞ্চয় করলাম; আমি অনেক গায়ক ও গায়িকা ও মনুষ্য সন্তানদের সন্তোষকারিণী কত উপপত্নী পেলাম। বাস্তবিক আমি মহান ছিলাম, আর আমি আমার পূর্বে যারা জেরুজালেমে ছিলেন, তাদের অপেক্ষা সমৃদ্ধিশালী হলাম এবং আমার প্রজ্ঞাও আমার সহবর্ত্তিনী ছিল। আর আমার চোখ দুটি যা ইচ্ছে করত, তা আমি তাদের অগোচর রাখতাম না; আমার হৃদয়কে কোন আনন্দ ভোগ করতে বারণ করতাম না; বাস্তবিক আমার সমস্ত কার্য্যে আমার হৃদয় আনন্দ করত; সমস্ত পরিশ্রমে সেটাই আমার অংশ ছিল।

পরে আমি প্রজ্ঞা, ক্ষিপ্রতা ও অজ্ঞানতা দেখতে প্রবৃত্ত হলাম; কারণ যে ব্যক্তি রাজার পশ্চাতে আসবে, সে কি করবে? পূর্বে যা করা গিয়েছিল, তাই মাত্র। তখন আমি দেখলাম, যেমন অন্ধকার অপেক্ষা দীপ্তি উত্তম, তেমনি অজ্ঞানতা অপেক্ষা প্রজ্ঞা উত্তম। জ্ঞানবানের মস্তকেই চক্ষু থাকে, কিন্তু নির্বোধ অন্ধকারে ভ্রমণ করে; তথাপি আমি জানলাম যে, সকলেরই একই দশা ঘটে। পরে আমি মনে মনে বললাম, নির্বোধের প্রতি যা ঘটে তাইতো আমার প্রতি ঘটে, তবে আমি কি নিমিত্ত অধিক জ্ঞানবান হলাম? নির্বোধের ন্যায় জ্ঞানবানের বিষয়ও লোকে চিরকাল মনে রাখবে না, ভাবীকালে কিছুই স্মরণে থাকবে না। নির্বোধ যেমন মৃত্যুর অধীন, জ্ঞানবানও তেমনি। 

সূর্য্যের নীচে আমি যে পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত হতাম, আমার সেসমস্ত পরিশ্রমে বিরক্ত হলাম; কেননা আমার পরবর্তী ব্যক্তির জন্যে তা রেখে যেতে হবে। আর সে জ্ঞানবান হবে, কি নির্বোধ হবে, তা কে জানে? কিন্তু আমি সূর্য্যের নীচে যে শ্রমে পরিশ্রম করে জ্ঞান দেখাতাম, সেই সকল পরিশ্রমের ফলাধিকারী সে হবে। এক ব্যক্তির পরিশ্রম প্রজ্ঞা, বিদ্যা ও কৌশলযুক্ত; তথাপি যে ব্যক্তি সে বিষয়ে পরিশ্রম করেনি, তাকে তার অধিকার দিয়ে যেতে হয়। তবে সূর্য্যের নীচে মানুষ যে সকল পরিশ্রমে ও হৃদয়ের উদ্বেগে পরিশ্রান্ত হয়, তাতে তার কি ফল দর্শে? তার সমস্ত দিন তো ছিল ব্যাথা যুক্ত এবং তার কষ্ট ছিল মনস্তাপজনক, রাত্রিতেও তো তার মস্তিস্ক পূর্ণ বিশ্রামে ছিল না।

ভোজন পান করা এবং নিজ পরিশ্রমের মধ্যে অন্তরকে সুখভোগ করান ব্যতিত আর কোন মঙ্গল মানুষের হয় না; যা কিছু হয়, তা খোদার হাত দিয়েই হয়। আর আমা অপেক্ষা কে অধিক ভোজন করতে কিম্বা অধিক সুখ ভোগ করতে পারে? বস্তুত: যে ব্যক্তি খোদার প্রীতিজনক, তাকে তিনি প্রজ্ঞা, বিদ্যা ও আনন্দ দেন।

সকল বিষয়েরই সময় আছে- আকাশের নীচে সমস্ত ব্যাপারই কালের অধীন। জন্মের কাল ও মরণের কাল; রোপনের কাল ও বীজ সংগ্রহের কাল; যুদ্ধের কাল ও সন্ধির কাল ইত্যাদি। কর্মজী্বি ব্যক্তির পরিশ্রমে তার কি ফল দর্শে? খোদা মনুষ্য সন্তানদের জীবনকে কুসুমাস্তীর্ণ করেননি, বরং আমি দেখেছি তা অধিকাংশ ক্ষেত্রে দু:খ ও ক্লেষে পূর্ণ। তিনি সকলই যথাকালে মনোহর করেছেন, আবার তাদের হৃদয় মাঝে নিজেকে চিরকাল রেখেছেন; তথাপি খোদা আদি অবধি শেষ পর্যন্ত যে সকল কাজ করেন, মানুষ তার তত্ত্ব বের করতে পারে না। আমি জানি, যাবজ্জীবন আনন্দ ও সৎকর্ম করণ ব্যতিত আর কোন মঙ্গল তাদের হয় না। আর প্রত্যেক মানুষ যে ভোজন পান ও সমস্ত পরিশ্রমের মধ্যে সুখভোগ করে তাও খোদার দান। আমি জানি, খোদা যাকিছু করেন, তা চিরস্থায়ী; তা বাড়াতেও পারা যায় না, কমাতেও পারা যায় না; আর খোদা তা করেছেন, যেন তাঁর সম্মুখে মানুষ ভীত হয়। যা আছে তাই ছিল, যা হবে তাও ছিল এবং যা চলে গেছে, তাও হিসাবেরই অংশ।
 
যে ব্যক্তি রৌপ্য ভালবাসে, সে রৌপ্যে তৃপ্ত হয় না: আর যে ব্যক্তি ধনরাশি ভালবাসে, সে ধনাগমে তৃপ্ত হয় না। সম্পদ বাড়লে ভোক্তাও বাড়ে; আর দৃষ্টি সুখ ব্যতিত সম্পত্তিতে মালিকের কি ফল দর্শে? শ্রমজীবি অধিক বা অল্প আহার করুক, নিদ্রা তার মিষ্ট লাগে; কিন্তু ধনবানের পূর্ণতা তাকে নিদ্রা যেতে দেয় না। সূর্য্যের নীচে আমি দেখেছি যে, গৃহস্বামীর অনিষ্টের জন্যেই ধন রক্ষিত হয়; হয় দুর্ঘটনায় সেই ধনের ক্ষয় হয় নতুবা অলস পুত্রের হাতে, নিজের বলে কিছুই নেই। মানব -সে মাতৃগর্ভ হতে শূণ্য হাতে জন্ম নেয়, মৃত্যুর মধ্য দিয়ে পুন:রায় শূণ্য হাতে চলে যায়; পরিশ্রম করলেও সে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারে, এমন কিছুই নেই। সে যেমন আসে, সর্বত:ভাবে তেমনি যায়; অতএব বায়ূর নিমিত্তে পরিশ্রম করলে পর, তার কি ফল সে দেখবে?

সুতরাং এই উত্তম যে, খোদা মানুষকে যে কয়দিন পরমায়ূ দান করেছেন, সেই সমস্ত দিন সে যেন সূর্য্যের নীচে নিজের কর্ত্তব্য সুসম্পন্ন করে, তার সমস্ত পরিশ্রমের মধ্যে ভোজন পান ও সুখভোগ করে, কারণ এই তার অংশ। আবার খোদা কোন ব্যক্তিকে যে ধন-সম্পত্তি দান করেন, তা তাকে ভোগ করতে- নিজের অংশ নিতে ও নিজ পরিশ্রমে আনন্দ করতে ক্ষমতা দেন, এই খোদার দান। কারণ সে নিজ পরমায়ূর দিন সকল তত স্মরণ করবে না, কেননা খোদা তার হৃদয়ের আনন্দে তাকে উত্তর দেন।

মানুষের সমস্ত পরিশ্রম তার মুখের জন্যে, তথাপি আকাঙ্খা পূর্ণ হয় না। বস্তুত: নির্বোধ অপেক্ষা জ্ঞানবানের কি উৎকর্ষ? দৃষ্টি সুখ যত ভাল, প্রাণের লালসা তত ভাল নহে। সমস্ত জীবিত লোকের মধ্যে প্রত্যাশা আছে, কেননা মৃত সিংহ অপেক্ষা বরং জীবিত কুকুর ভাল। জীবিত লোকেরা জানে যে তারা মরবে; কিন্তু মৃতেরা কিছুই জানে না এবং তাদের আর কোন ফলও হয় না, কারণ লোকে তাদের বিষয় ভুলে গেছে। তাদের প্রেম, তাদের দ্বেষ ও তাদের ঈর্ষা সকলই বিনষ্ট হয়ে গেছে; সূর্য্যের নীচে যে কার্য্য করা যায়, তাতে কোন কালেও তাদের আর কোন অধিকার হবে না।

সুতরাং তুমি আনন্দ পূর্বক তোমার খাদ্য ভোজন কর, হৃষ্টচিত্তে পান কর, কেননা খোদা পূর্বাবধি তোমার কার্য্য গ্রাহ্য করে আসছেন। তোমার বস্ত্র সর্বদা শুক্ল থাকুক, তোমার মাথায় তৈলের অভাব না হোক। সূর্য্যের নীচে খোদা তোমাকে যতদিন আয়ূস্কাল দিয়েছেন, তোমার সেইসমস্ত দিন থাকতে তুমি আপন প্রিয়া ভার্য্যার সাথে সুখে জীবন-যাপন কর, কেননা জীবনের মধ্যে এবং সূর্য্যের নীচে তুমি যে পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত হচ্ছ, তার মধ্যে এই তোমার অধিকার। তোমার হস্ত যে কার্য্য করতে পারে, তোমার সমস্ত শক্তির সাথে তা কর; কেননা তুমি যে স্থানে যাচ্ছ, সেই পরপারে কোন কার্য্য- কি সঙ্কল্প, কি বিদ্যা- কি প্রজ্ঞা, কি আছে তার কিছুই তোমার জানা নেই।

মেঘ যখন বৃষ্টিতে পূর্ণ হয়, তখন ভূ-তলে জল সেচন করে; বায়ূ যে দিকে বহে, বৃক্ষ সেই দিকে হেলে। যে বায়ূ মানে, সে বীজ বপন করবে না এবং যে জন মেঘ দেখে, সে শস্য কাটবে না। বায়ূর গতি ও গর্ভস্থ অস্থির বৃদ্ধি তুমি জান না, তেমনি সর্বসাধক খোদার কার্য্যও তুমি জান না। তুমি প্রাত:কালে আপন বীজ বপন কর এবং সায়ং কালেও নিবৃত্ত হইও না। কেননা এ কিম্বা ও, কোনটা সফল হবে, কিম্বা উভয় সমভাবে উৎকৃষ্ট হবে, তা তুমি জান না।

খোদা মানুষকে সরল করে নির্মাণ করেছিলেন, কিন্তু তারা অনেক কল্পনার অন্বেষণ করে নিয়েছে। জেনে রেখ, মানুষ মৃত্তিকা হতে সৃষ্টি এবং তার দেহ পূর্ববৎ মৃত্তিকাতে প্রতিগমন করবে, আর আত্মা যার দান, তা তাঁর কাছেই ফিরে যাবে। সুতবাং খোদাকে ভয় কর ও তাঁর আজ্ঞাসমূহ পালন কর; এ দুনিয়ায় তোমার অর্জিত ধন পরকালের জন্যে সঞ্চয় কর। কেননা এই মানুষের কর্ত্তব্য। জেনে রেখ, খোদা সমস্ত কর্ম- ভাল হোক কিম্বা মন্দ, সমস্ত গুপ্ত বিষয়ের খবর রাখেন। কর্মফল দ্বারা চিরস্থায়ী নিবাস নির্ধারণে সকলই শেষবিচারে পর্যালোচিত হবে।”

সমাপ্ত।
ছবি: phoenixmasonry.

Source:


Qur'an
Bible
Encyclopedia Britannica.
Encyclopedia Judaica.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন