pytheya.blogspot.com Webutation

২০ জুন, ২০১২

God: বিধাতার স্বরূপ।

"He is Allah , [who is] One,
 Allah , the Eternal Refuge.
 He neither begets nor is born,
 Nor is there to Him any equivalent."Quran, al-Ikhlas, 112:1-4

বিধাতার স্বরূপ কি? এর উত্তর জানতে আদিকাল থেকেই মানুষ সচেষ্ট। Mansur al-Hallaj, the master of all secretes, define God with His essence as-

God
-Al Hallaj [Arberry, A.J., The Doctrine of the Sufis]

"Before" does not outstrip Him,
"after" does not interrupt Him
"of" does not vie with Him for precedence
"from" does not accord with Him
"to" does not join with Him
"in" does not inhabit Him
"when" does not stop Him
"if" does not consult with Him
"over" does not overshadow 

Him "under" does not support Him
"opposite" does not face Him
"with" does not press Him
"behind" does not limit Him
"previous" does not display Him
"after" does not cause Him to pass away
"all" does not unite Him
"is" does not bring Him into being
"is not" does not deprive Him from Being.

Concealment does not veil Him
His pre-existence preceded time,
His being preceded non-being,
His eternity preceded limit.
If thou sayest 'when', 
His existing has outstripped time;

If thou sayest 'before', before is after Him;
If thou sayest 'he', 'h' and 'e' are His creation;
If thou sayest 'how', His essence is veiled from description;
If thou sayest 'where', His being preceded space;
If thou sayest 'ipseity' (ma huwa),

His ipseity (huwiwah) is apart from things. 
Other than He cannot
be qualified by two (opposite) qualities at
one time; yet With Him they do not create opposition.
He is hidden in His manifestation, 
manifest in His concealing. 
He is outward and inward,
near and far; and in this respect He is
removed beyond the resemblance of creation.

He acts without contact,
instructs without meeting,
guides without pointing.
Desires do not conflict with Him,
thoughts do not mingle with Him:
His essence is without qualification (takyeef),
His action without effort (takleef).

On the other hand, Greek Philosopher Plato, define God and His Attribution logically as-

বিধাতার স্বরূপ সম্পর্কে প্রথমত: বলা যায়, তাঁর রূপ হচ্ছে উত্তম। আমরা একথা নিশ্চয় স্বীকার করব যা উত্তম তা কখনও ক্ষতিকর বলে পরিচিত হতে পারে না। আবার যা ক্ষতিকর নয় তা কোন ক্ষতির কারণও নয়। সুতরাং বিধাতা উত্তম বলে, তিনি কোন ক্ষতির কারণ হতে পারেন না, তিনি কোন অন্যায়ও সাধন করতে পারেন না। আর যিনি অন্যায় সাধন করতে পারেন না, তিনি কোন অন্যায়ের কারণও হতে পারেন না। সুতরাং বলা যায় বিধাতা উত্তম, মঙ্গলকর। আর এজন্যে তাঁকে মঙ্গলের কারণ বলে আখ্যায়িত করা যায়। 

সুতরাং বিধাতা (God) সবকিছুরই মূলে বা সবকিছুরই কারণ বলে যে কথা প্রচলিত, তা যথার্থ নয়। কারণ, বিধাতা যদি উত্তম হন, তাহলে তিনি সবকিছুর কারণ স্বরূপ হতে পারেন না। কেননা উত্তম কেবল উত্তমেরই কারণ। সুতরাং বিধাতা কেবল মনুষ্য জীবনের কোন কোন বিষয়েরই মাত্র কারণ স্বরূপ।

মানুষের জীবনে অন্যায়ের পরিমাণ অধিক; ন্যায়ের পরিমাণ কম। বিধাতা মনুষ্য জীবনের ন্যায়ের কারণ; অন্যায়ের নয়। সুতরাং কেউ যদি ইলিয়াডে হোমার যেমন বর্ণনা করেছেন, তেমনি করে বলে-

‘খোদার কাছে রক্ষিত আছে দু‘টি ভান্ডঃ
একটি ন্যায়ের অপরটি অন্যায়ের।
আর সেই ভান্ড থেকে ন্যায় ও অন্যায়ের মিশ্রণ ঘটিয়ে
যার ভাগ্য তৈরী করেছেন তিনি,
তার জীবনে খেলা চলে দু:সময় আর সুসময়ের।
কিন্তু যার ভাগ্য তৈরী হয়েছে কেবলমাত্র অন্যায়ের আরক দিয়ে
সুন্দর পৃথিবীর বুকে বুভুক্ষার তাড়নে সে তাড়িত হয় নিশিদিন
কারণ খোদা হচ্ছেন ন্যায় এবং অন্যায়ের বিধাতা।’
                             
-তা হবে সর্বৈব মিথ্যা। যা যথার্থ এবং ন্যায় বিধাতা কেবল তারই কারণ হিসেবে কাজ করেন। এতে যদি দুর্ভোগ কারও ভাগ্যে নিপতিত হয়, তবে বুঝতে হবে তা ন্যায্য বলেই নিপতিত হয়েছে। কিন্তু কেউ এ কথা বলতে পারে না যে, দুর্ভাগ্যের কারণ হচ্ছেন বিধাতা। সে কেবল বলতে পারে, দুরাচারের  দুর্ভোগ আসে, কারণ এ তার প্রাপ্য। আর বিধাতা সেই দুর্ভোগ তার মঙ্গলের জন্যেই দিয়েছেন। কিন্তু একদিকে বিধাতা উত্তম, অপরদিকে তিনি অন্যায়ের কারণ- এ কথা বোধ সম্পন্ন কেউ বলতে পারে না। 

দ্বিতীয়ত: বিধাতা জাদুকরের ন্যায় বিভিন্ন রূপের দ্বারা আমাদের বিভ্রান্ত করতে পারেন না। কারণ, বিধাতার রূপ এক এবং অপরিবর্তনীয়ভাবে তিনি আপন রূপে প্রতিষ্ঠিত।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করা যাক। প্রথমে আমরা পরিবর্তনের কথা ধরি। কোন কিছুতে যখন কোন পরিবর্তন সংঘটিত হয় তখন সে পরিবর্তনের কারণ হয় সেই বস্তু নিজে নয়ত: অপর কোন শক্তি। আর বস্তুর ব্যাপারে যে বস্তু যত উত্তম সে তত অপরিবর্তনীয়। দৃষ্টান্ত স্বরূপ, যে ব্যক্তি যত সুস্থ্য এবং শক্তিশালী সে মদ্য কিম্বা মাংস আহারে ততকম অসুস্থ্য হয়। এমন কি যে উদ্ভিদ যত সতেজ- বায়ূর আঘাত, সূর্যের তাপ বা অপর কোন কারণে তার ক্ষতিও তত কম। সুতরাং যে সবচেয়ে সাহসী এবং সবচেয়ে জ্ঞানী বাইরের কোন প্রভাবে সে বিভ্রান্ত বা পথভ্রষ্ট হবে খুবই সামান্য। কেবল মানুষের ক্ষেত্রে নয়, তৈজসপত্র, গৃহ বা বস্ত্রাদি অর্থাৎ যে কোন সুমিশ্রিত বস্তুর ক্ষেত্রেই একথা সত্য। এ সমস্ত বস্তু যখন সুগঠিত হয় তখন সময় কিম্বা অবস্থান্তরের আঘাতে তাদের পরিবর্তনও খুব সামান্য ঘটে। 

সুতরাং যা কিছু উত্তম তা মানুষের শিল্পকর্ম কিম্বা প্রকৃতির সৃষ্টিকর্ম যাই হোক না কেন, বাইরের আঘাতে তার পরিবর্তন খুব সামান্যই সংঘটিত হয়। কিন্তু বিধাতা বা বিধাতার সৃষ্টি সম্পর্কে আমরা কি বলব? বিধাতা নিজে এবং তাঁর সৃষ্টি অবশ্যই সর্বপ্রকার সুসম্পূর্ণ। সুতরাং বাইরের অভিঘাত তাকে বিভিন্ন রূপ গ্রহণে নিশ্চয়ই বাধ্য করতে পারে না। তিনি যদি আদৌ পরিবর্তিত হন তাহলে সে পরিবর্তন সুস্পষ্টত: নিজে থেকেই সাধিত হবেন। আর সেক্ষেত্রে নিজের পরিবর্তন তিনি কি অধিকতর উত্তমের উদ্দেশ্যে সাধন করবেন, না অধিকতর নিকৃষ্টের জন্যে তিনি নিজেকে পরিবর্তন করবেন?

বিধাতা যদি আদৌ পরিবর্তিত হন তাহলে তাকে নিকৃষ্টতর হতে হবে। কারণ, ধর্ম বা কান্তি কোন ক্ষেত্রেই বিধাতা অসম্পূর্ণ ছিলেন এমন কথা আমরা ভাবতে পারিনে। অন্যদিকে বিধাতাই হোন আর মানুষই হোক কেউ নিজেকে নিকৃষ্টতর করে পরিবর্তিত করতে চাইবে না। সুতরাং বলা যায় বিধাতা আদৌ নিজের কোন পরিবর্তন কামনা করতে পারেন না। কারণ, তিনি হচ্ছেন সর্বোত্তম এবং মনোহরতম। তাই তিনি তাঁর নিজের রূপে নিত্যকালের জন্যেই থাকবেন অপরিবর্তিত।  এ কারণেই যিশুখৃষ্ট যেমন ঈশ্বর হতে পারেন না, তেমনি মানুষের মাঝে নানারূপ নিয়ে খোদার উপস্থিতিও অসম্ভব আর এ কারণেই খোদার রূপ কল্পনা করে কোন বস্তু, মূর্তি-প্রতিমার নিকট অর্ঘ্য প্রদান খোদার নিকট ঘৃণ্য, অমার্জিত পাপ কারণ, তৈরীকৃত প্রতিমূর্তি তাঁর প্রকৃত স্বরূপকে নিকৃষ্ট করে; তাঁর স্বরূপের মিথ্যা প্রতিভাস তৈরী করে।সুতরাং কেউ যদি বলেঃ

খোদা বৈদেশিকের বস্ত্র ধারণ করে
বিচিত্ররূপে আমাদের মধ্যে বিচরণ করেন। 

তা আমরা বিশ্বাস করতে পারি না। কিন্তু কেউ যদি বলে খোদা অপরিবর্তনীয় হলেও যাদুমন্ত্রণাদির সাহায্যে তিনি আমাদের সামনে বিভিন্ন রূপের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে হয়ত: উপস্থিত হতে পারেন। কিন্তু বিধাতা কথায় কিম্বা কর্মে নিজেকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবেন বা নিজের মিথ্যা প্রতিভাস তৈরী করবেন, এমন কথা আমরা ভাবতে পারি না। আর কেউই তার যথার্থ প্রকৃতিতে মিথ্যা প্রতিপন্ন হতে চায় না। যাকে সে নিজের সর্বোত্তম বা যথার্থতম প্রকৃতি বলে বিবেচনা করে সে প্রকৃত মিথ্যার করায়ত্ব হোক, এমন ইচ্ছা কারও পক্ষেই স্বাভাবিক নয়। অর্থাৎ আমরা বলতে চাচ্ছি মানুষ নিজের আত্মার সত্ত্বায়- অর্থাৎ তার চরিত্রের সর্বোত্তম ক্ষেত্রে প্রতারণা বা মিথ্যাকে প্রশ্রয় দিতে পারে না। এমন প্রবণতা মানুষের কাছে অবশ্যই ঘৃণ্য।

প্রতারিতের আত্মার এই অজ্ঞানতাকেই আমরা সত্য-মিথ্যা বা যথার্থ মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করতে চেয়েছি। কারণ শব্দের মিথ্যা তো আত্মার জন্যে কেবল মিথ্যার আভাস মাত্র, বলা যায় মিথ্যার আঁচ। এ মিথ্যা অবিমিশ্র মিথ্যা নয়। আর এমন অবিমিশ্র মিথ্যা কেবল খোদার কাছেই ঘৃণ্য নয়, মানুষও একে ঘৃণা করে।

কিন্তু শব্দগত মিথ্যা সবসময় ঘৃণ্য নাও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে শব্দগত মিথ্যার ব্যাবহারগত সুবিধার দিক আছে। শত্রুর সঙ্গে আচরণ, এর একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে। অথবা ধরি আমাদের কোন সুহৃদ উন্মাদনা বা বিভ্রান্তির মুহুর্তে কোন ক্ষতিকর কার্য্য সম্পাদন করতে যাচ্ছে। তেমন অবস্থায় আমাদের পক্ষে মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ তার জন্যে নিরাময় বা প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। পুরানের ক্ষেত্রেও এমনটি ঘটে। পুরানের প্রকৃত কথা আমরা জানিনে। তাই পুরাণ সম্পর্কে আমাদের মিথ্যাকে আমরা সত্যের আকার প্রদান করি। আর সেই সত্যের আকার দিয়ে আমরা নিজেদের উদ্দেশ্য সাধন করি। কিন্তু মিথ্যা ব্যবহারের এ সমস্ত কারণের কোনটিকেই আমরা বিধাতার উপর প্রয়োগ করতে পারিনে। কেননা বিধাতা তো পুরাণের বিষয়ে অজ্ঞ নয় যে পুরাণের কারণে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নেবেন। আবার বিধাতা কোন শত্রুর ভয়ে বা জ্ঞানহীন কোন বন্ধুর কারণে মিথ্যার আশ্রয় নেবেন তাও আমরা ভাবতে পারিনে। অর্থাৎ আমরা এমন কোন কারণ বা উদ্দেশ্যের কথা চিন্তা করতে পারিনে যে জন্যে বিধাতা মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করতে পারেন। সুতরাং বিধাতা মিথ্যার আশ্রয় নিতে একেবারেই অক্ষম।

তাহলে আমরা বলতে পারি, বিধাতা কথায় এবং কর্মে সরল এবং সত্য; তার কোন পরিবর্তন নেই। শব্দে বা সংকেতে তিনি কাউকে প্রতারণা করতে পারেন না।

যে সত্ত্বা জ্ঞান এবং সত্যের মূল এবং যিনি সৌন্দর্যে জ্ঞান এবং সত্যেরও অধিক, তাঁর সৌন্দর্য যে কি বিষ্ময়কর তা কল্পণা করাও আমাদের পক্ষে অসম্ভব। সূর্য্যরে কথাই ধরি। সূর্য্য কেবল দৃশ্যের মূল নয়; সূর্য্য, বস্তুর সৃষ্টি, পুষ্টি এবং বৃদ্ধিরও কারণ। কিন্তু সূর্য্য নিজে স্রষ্টা নয়। তেমনিভাবে, পরম যে উত্তম তিনি কেবল সকল জ্ঞাত বস্তুর জ্ঞানের মূল নন, বস্তুর অস্তিত্বেরও তিনি মূল, বস্তুর সারেরও তিনি মূল-কিন্তু পরম উত্তম নিজে সার নন। মর্যাদা এবং শক্তির দিক থেকে তিনি সারকেও অতিক্রম করে যান। Thus Qur'an Says-

God is the Light of the heaven and earth;
The parable of His light is- a lamp in a niche of a wall,
The lamp enclosed in a glass appears as a shining star.
Lit through a blessed tree, an olive,
That is neither of the east nor of the west,
Whose oil is well-nigh luminous,
Although no fire touched it.
Light upon Light!

God doth guide- whom He wills to

God doth set forth His Light- parables for men:
And God doth knows all things.-[Qur’an, al-Noor, 24:35].


সমাপ্ত।

Source: 
Quran
Mansur al-Hallaj, Kitab al-Tawasin,
Plato (360 BCE), The Republic; Translated-Benjamin Jowett.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন