pytheya.blogspot.com Webutation

১ এপ্রিল, ২০১২

Daniel: নেবু চাঁদ নেজ্জারের স্বপ্ন ব্যাখ্যা।


Nebuchadnezzar II Hebrew Nəḇūḵaḏneṣṣar; was an Assyrian king of the Neo-Babylonian Empire, who reigned c. 605 BC – 562 BC. Both the construction of the Hanging Gardens of Babylon and the destruction of Jerusalem's temple are ascribed to him. He is featured in the Book of Daniel and is mentioned in several other books of the Bible. He is also known as Bakhat Nasar, which means "winner of the fate", or literally, "fate winner".

Nebuchadnezzar was summoned to defeat Jerusalem, he was finishing a peace agreement with the people of Damascus. Because of this, he sent an officer to ease the tension in Jerusalem and create a peace treaty.The officer successfully met with the king of Jerusalem and made a peace treaty. As was custom for the Babylonians, the officer took hostages with him as and began the return journey to Nebuchadnezzar. When the officer reached Tiberias, he heard that the Israelites had revolted against their king and killed him because the king had given the Babylonians hostages.The hostages were then beheaded and Nebuchadnezzar made his way to Jerusalem.

Nebuchadnezzar ravaged the town, killed and enslaved the people, and then one of his officer discovered the prophet Jeremiah in a prison. He had been jailed for about three years for prophesying Jerusalem's fate as told to him by God. When Nebuchadnezzar hard this story of Jeremiah, he replied, "Wretched people, they defied their lord's messenger". He released him.

Nebuchadnezzar then conquers Egypt and moves further north in Africa before returning home with treasures and hoards of slaves. 

ইস্রায়েল থেকে নেবু চাঁদ নেজ্জার কর্তৃক ধৃত বন্দীরা পারস্যের কবার নদীর ধারে বসতি স্থাপন করে। এইসব বন্দীদের মধ্যে ছিলেন নবী ওযাইর (Ezra) ও বেশকিছু রাজবন্দী। ওযাইর ছিলেন ঐসময় অল্পবয়েসী বালক। যৌবনে তিনি জেরুজালেমে আসেন। কেননা, খোদা তাকে জানিয়েছিলেন যে, ঐ নগরী আবারও গড়ে তোলা হবে, আর তার জীবনকালেই তা হবে। কিন্তু জেরুজালেমে গিয়ে সেখানকার ধ্বংসযজ্ঞ দেখে তিনি বিষ্মিত হলেন। কারণ নগরীটি ছিল সম্পূর্ণ ভষ্মিভূত এবং পরিত্যক্ত! ওযাইর তার জীবনকালে এ নগরী পুনরায় গড়ে তোলার ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়লেন। 

যাহোক, পুরো শহর ঘুরে ফিরে দেখা শেষে একসময় সেখান থেকে বেরিয়ে এলেন ওযাইর। দীর্ঘ ভ্রমণের কারণে তিনি বেশ ক্লান্ত। একটু বিশ্রাম তার বড় প্রয়োজন। সুতরাং কাছাকাছি এক গাছের শাখায় গাধাটি বেঁধে তার ছায়ায় তিনি আশ্রয় নিলেন। ধ্বংসের ভয়াবহতায় ঐসময় তার ভারাক্রান্ত মনে বারবার কেবল এ প্রশ্ন উদয় হচ্ছিল- “খোদা শহরটিকে এত নিষ্ঠুরভাবে ধ্বংস করলেন কেন? এখানে কি তাঁর এবাদতকারী কেউ ছিল না?”

সেইসময় ওযাইর যখন চিন্তামগ্ন ছিলেন, তখন একটি পিঁপড়ে তার পায়ে কাঁমড় দিল, এতে তার আত্মমগ্নতা ভঙ্গ হল। তিনি লক্ষ্য করলেন তার বসার পাশে পিঁপড়েদের একটি বাসা রয়েছে। রাগান্বিত হয়ে তিনি পদদলিত করে সবগুলোকে মেরে শেষ করে দিলেন। এসময় খোদা তাকে বললেন, ‘ওহে ওযাইর! তোমাকে তো একটা পিঁপড়ে কাঁমড়েছিল, আর তুমি এতগুলিকে পায়ে দলে মেরে ফেললে?’ 
ওযাইর লজ্জিত হয়ে তাড়াতাড়ি করে উত্তর দিলেন, ‘হে খোদা! ওরা তো একই বংশজাত, একই প্রবৃত্তি ওদের; তাই আমি সবগুলিকে মেরে ফেললাম যাতে পরে আর একটিও আমাকে কাঁমড়াতে না পারে।’ 

নেবু চাঁদ নেজ্জার।
এই উত্তর দেবার সঙ্গে সঙ্গেই খোদার এই কঠোর ধ্বংসযজ্ঞের কারণ বুঝতে পারলেন ওযাইর। এতে তিনি আরও লজ্জিত হয়ে পড়লেন। এ অবস্থায় ক্লান্তির কারণে কখন যে তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন তা টেরই পেলেন না। তখন খোদা তাকে একশত বৎসর ঘুমন্ত অবস্থায় রাখলেন। যা হোক, এ কাহিনী এ আর্টিকেলের উপপাদ্য বিষয় নয়, সুতরাং আমরা মূল কাহিনীতে ফিরে আসছি-

স্রায়েলীরা জ্ঞান ও শিক্ষায় অন্যজাতির তুলনায় অগ্রগামী ছিল। নেবু চাঁদ নেজ্জার তা জানতেন। সুতরাং তিনি তার প্রধান কর্মচারী অস্পন্সকে আদেশ দিলেন যেন সে বন্দী ইস্রায়েলী রাজপরিবার ও সম্মানিত পরিবারগুলোর মধ্যে থেকে চটপটে, সুন্দর ও বুদ্ধিমান কিছু যুবককে বেঁছে নেয় যাদেরকে বাবিলীয়দের ভাষা ও সাহিত্য সম্বন্ধে শিক্ষা শেষে রাজদরবারের কাজে লাগান যাবে। অস্পন্স দানিউব, হনানীয়, মিকাইল ও অশরিয়কে মনোনীত করেছিল। প্রশিক্ষণের সময় তাদের নামগুলি পরিবর্তিত করে রাখা হয় বেল্টশৎসর, শদ্রক, মৈশক, এবং আবেদ-নগো। অত:পর তিন বৎসর শিক্ষা শেষে রাজদরবারে তাদেরকে হাজির করা হল। তখন তাদের সঙ্গে কথা বলে সম্রাট বুঝতে পারলেন যে, অস্পন্স তার দায়িত্ব যথাযত ভাবেই পালন করতে সমর্থ হয়েছে। যুবক চতুষ্টয়কে রাজকার্যে বহাল করা হল।

দানিয়েল নেবু চাঁদ নেজ্জারের স্বপ্ন ব্যাখ্যা করছেন।
নেবু চাঁদ নেজ্জার কোন এক রাতে এক স্বপ্ন দেখলেন। তার মন অস্থির হল এবং তিনি নির্ঘূম রাত কাটিয়ে দিলেন। পরদিন এই স্বপ্নের অর্থ করার জন্যে সম্রাটের সকল উপদেষ্টা, যাদুকর, রাজ জ্যোতিষীদের ডাকা হল। তারা এলে সম্রাট তাদেরকে বললেন, ‘আমি একটা স্বপ্ন দেখেছি; তার অর্থ জানার জন্যে আমার মন অস্থির হয়ে পড়েছে।’ 

তারা বলল, ‘হে মহারাজ! আপনি আপনার স্বপ্নটা বলুন, যাতে আমরা তার অর্থ বলে দিতে পারি।’
তিনি বললেন, ‘তোমরাই আমার স্বপ্নটা বল; তাহলে আমি বুঝতে পারব যে, তোমরা তার অর্থও আমাকে বলতে পারবে। আর যে আমার স্বপ্ন ও তার অর্থ বলতে পারবে, নিশ্চয় তার জন্যে রয়েছে উপযুক্ত পুরস্কার ও মহাসম্মান।’

স্বপ্নে দেখা বিরাট মূর্ত্তি।
তারা বলল, ‘কোন মহান সম্রাট পূর্বে কখনও এমন বিষয় তার উপদেষ্টাদের কাছে জানতে চাননি। সম্রাট যা চাইছেন তা বড়ই কঠিন। সুতরাং আমাদের জন্যে প্রয়োজনীয় সময় মঞ্জুর করা হোক।’
তিনি বললেন, ‘আমি নিশ্চিত জানি, তোমরা সময় ক্ষেপণ করার চেষ্টা করছ। আর আশা করছ তাতে অবস্থার পরিবর্তণ হবে। কিন্তু এ বিষয়ে আমার মন স্থির আছে। তোমাদের অপারগতা তোমাদের জন্যে কেবল একটাই শাস্তি নিশ্চিত করবে- আর তা হবে তোমাদের মৃত্যুদন্ড।’

তারা বলল, ‘সম্রাট আমাদের কাছে যা জানতে চেয়েছেন তা জানাতে পারে এমন লোক পৃথিবীতে নেই। দেবতারা ছাড়া আর কেউই এটা প্রকাশ করতে পারবেন না, আর তারা তো মানুষের মাঝে বাস করেন না।’

নেবু চাঁদ নেজ্জার বুঝতে পারলেন তার পরামর্শদাতারা তার স্বপ্নের উত্তর দিতে পারবে না। তথাপি তিনি তাদের জন্য দু’দিন সময় মঞ্জুর করলেন। অত:পর যখন বেঁধে দেয়া সময় অতিক্রান্ত হল, তখন তিনি তাদের সকলকে হত্যার আদেশ দিলেন। আর যখন এই আদেশ পালনের জন্যে তাদেরকে খোঁজা হচ্ছিল, তখন সেনাপতি অরিয়োককে কাছে পেয়ে দানিউব তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘সম্রাট এই কঠোর আদেশ কেন দিয়েছেন?’

সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন।
অরিয়োকের কাছ থেকে সকল কথা জানার পর দানিউব বুদ্ধি করে কিছুটা সময় চাইলেন। সেনাপতি তা মঞ্জুর করল। তখন তিনি তার কক্ষে ফিরে বন্ধু হনানীয়, মিকাইল ও অশরিয়সহ একযোগে খোদার নিকট ব্যগ্র প্রার্থনায় নিমগ্ন হলেন। রাতে এক দর্শনের মাধ্যমে সেই অজানা বিষয় দানিউবের কাছে প্রকাশিত হল। তখন তিনি খোদাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বললেন-

খোদা চিরকাল ধন্য হোন; জ্ঞান ও শক্তি তাঁরই।
সময় ও ঋতু তাঁরই অধীন।
তিনিই যাকে খুশী সিংহাসনে বসান ও নামিয়ে দেন।
তিনিই জ্ঞানীদের জ্ঞান দান ও মানীদের মান রক্ষা করেন।
গভীর ও লুকান বিষয়ের জ্ঞান একমাত্র তাঁরই।

হে আমার প্রতিপালক,
আমি তোমাকে ধন্যবাদ দেই, তোমার প্রশংসা করি,
কারণ তুমি আমাকে জ্ঞান ও ক্ষমতা দিয়েছ;
আমরা তোমার কাছে সম্রাটের স্বপ্নের বিষয়ে যা জানতে চেয়েছি
তা তুমি আমাকে জানিয়েছ।

মূর্ত্তির মাথা স্বর্ণের, বুক ও হাত রৌপ্যের
 এবং পেট ও উরু ব্রোঞ্জের।
সকালবেলা দানিউব সেনাপতি অরিয়োককে ডেকে বললেন, ‘পরামর্শ দাতাদের কাউকে যেন হত্যা করা না হয়। আমাকে সম্রাটের কাছে নিয়ে চলুন, যেন আমি তার স্বপ্নের অর্থ বলে দিতে পারি।’

অরিয়োক তখনই দানিউবকে রাজদরবারে নিয়ে গেল এবং সম্রাটকে জানাল, ‘ইস্রায়েলীদের মধ্যে আমি এমন একজনকে খুঁজে পেয়েছি যিনি মহামান্য সম্রাটের স্বপ্ন এবং তার অর্থ বলে দিতে পারবেন।’
নেবু চাঁদ নেজ্জার বিষ্মিত হলেন।তিনি দানিউবকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি কি সত্যিই আমার স্বপ্ন ও তার অর্থ বলে দিতে পারবে?’

দানিউব বললেন, ‘হে মহারাজ! এ কথা সত্য যে, সেই অজানা বিষয়ের জ্ঞান কোন গণক, যাদুকর বা জ্যোতিষের কাছে নেই, অজানা বিষয়ের জ্ঞান কেবল স্বর্গের প্রভুর।

--অন্যান্য লোকদের চেয়ে আমার জ্ঞান বেশী বলে যে এ আমার কাছে প্রকাশিত হয়েছে তা নয়, বরং এ প্রকাশিত হয়েছে যাতে আপনি এর অর্থ জানতে পারেন এবং খোদার মহিমা প্রকাশিত হয়।

--হে মহারাজ! আপনি স্বপ্নে আপনার সামনে একটা বিরাট মূর্ত্তিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন। যা ছিল উজ্জ্বল ও ভয়ঙ্কর চেহারার। সেই মূর্ত্তির মাথাটা ছিল স্বর্ণের, বুক ও হাত রৌপ্যের এবং পেট ও উরু ব্রোঞ্জের। তার পা লৌহের এবং পায়ের পাতার কিছুটা লৌহের ও কিছুটা মাটি দ্বারা নির্মিত ছিল।

 --আপনি দেখলেন একটা পাথর কেটে নেয়া হল আর সেটা লৌহ ও মাটি মিশ্রিত পায়ে আঘাত করে তা চুরমার করে ফেলল। তখন মূর্ত্তিটি টুকরো টুকরো হয়ে পড়ল এবং গরমকালে খামারের মেঝেতে পড়ে থাকা তুষের মত হয়ে গেল।পরে বাতাস তা এমন করে উড়িয়ে নিয়ে গেল যে তার আর কোন চিহ্নই রইল না। কিন্তু যে পাথরটা মূর্ত্তিটাকে আঘাত করেছিল সেটা একটা বিরাট পাহাড় হয়ে গিয়ে সমস্ত দেশটা দখল করে ফেলল।
এই আপনার স্বপ্নের বিবরণ।’

এই স্বপ্নের অর্থ হল- খোদা আপনাকে রাজ্য, ক্ষমতা, শক্তি ও সম্মান দান করেছেন। তাই আপনিই হলেন সেই মূর্ত্তির সোনার মাথা।

মূর্ত্তি টুকরো টুকরো হয়ে পড়ল।
--আপনার রাজ্যের পরে যে রাজ্য উঠবে সেটা আপনার রাজ্যের মত মহান হবে না। সেটা সেই রূপার বুক ও হাত। 
--তারপরে তৃতীয় আর একটা রাজ্য উঠবে, সেটা সেই ব্রোঞ্জের পেট ও উরু। 
--শেষে লোহার মত শক্ত চতুর্থ একটা রাজ্য উঠবে, আর লোহা যেমন সবকিছু ভেঙ্গে চুরমার করে তেমনি সেই রাজ্য অন্যসব রাজ্যকে ভেঙ্গে চুরমার করবে।

--স্বপ্নে যে পায়ের পাতা ও পায়ের আঙ্গুলগুলোর কিছু অংশ মাটি ও কিছু অংশ লোহা দিয়ে তৈরী ছিল, তাহল একটা ভাগ করা রাজ্য। সেই রাজ্যে লোহার মত কিছু শক্তি থাকবে আর কিছু অংশ থাকবে দুর্বল এবং রাজ্যের লোকেরা হবে মেশান। 

--ঐ সব রাজাদের সময়ে খোদা এমন একরাজ্য স্থাপন করবেন যেটা কখনও ধ্বংস হবে না কিংবা অন্য লোকদের হাতেও যাবে না। সেই রাজ্য ঐসব রাজ্য গুলোকে চুরমার করে দেবে কিন্তু রাজ্যটা নিজে চিরকাল থাকবে, আর এটাই হল সেই পাহাড় কেটে নেয়া পাথর যেটা মানুষের হাতে কাটা হয়নি।’

সবশুনে সম্রাট বললেন, ‘আমি বুঝতে পারলাম তোমাদের খোদা সত্যিই গুপ্ত বিষয় প্রকাশ করেন, কারণ তুমি গুপ্ত এই বিষয়টি প্রকাশ করতে পেরেছ।’ 

নেবু চাঁদ নেজ্জার তখনি দানিউবকে দামী উপঢৌকন দিলেন এবং বাবিল প্রদেশের প্রধান পরিচালক হিসেবেই শুধু তাকে নিযুক্ত করলেন তাই নয়, তার সমস্ত উপদেষ্টাদের প্রধান হিসেবেও তাকে মনোনীত করলেন। হনানি, মিকাইল ও অশরিয়কেও বাবিল প্রদেশের রাজকর্মচারীর উচ্চপদে নিয়োগ করা হল। -Book of Daniel, Chapter-2, Verse-1-49.

বা'ল দেব
সম্রাট নেবু চাঁদ নেজ্জার বা'ল দেবের নব্বুই ফুট উচ্চতার একটা স্বর্ণমূর্ত্তি নির্মাণ করে বাবিল প্রদেশের দূরা সমভূমিতে স্থাপন করলেন। অতঃপর সেই মূর্ত্তিটার প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্যে সকল উচ্চপদস্থ কর্মচারীদেরকে আমন্ত্রণ জানালেন। 

প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে সমবেত জনতার সম্মুখে সম্রাটের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হল, ‘হে নানা  দেশের ও জাতির, ভিন্ন ভাষা-ভাষী জনতা, আপনারা যখনি শিঙ্গা, বাঁশী, সূরবাহার ও বীণার বাজনা শুনবেন তখনি সম্রাটের স্থাপিত এই দেবমূর্ত্তিকে ভক্তি নিবেদন করবেন। আর সম্রাটের এ আদেশ অস্বীকার কারীদেরকে প্রজ্জ্বলিত অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত করা হবে।’ সুতরাং লোকেরা যখনি বাজনার শব্দ শুনল তখনি দেবমূর্ত্তিকে নমিত হয়ে ভক্তি ও প্রণাম জানাল। 

কয়েকদিন পর উপদেষ্টাদের কয়েকজন সম্রাটকে জানাল, ‘হে মহারাজ, কয়েকজন ইহুদি যাদেরকে আপনি বাবিল প্রদেশের রাজকার্যে নিযুক্ত করেছেন, তারা আপনার আদেশে কর্ণপাত করেনি। তারা আমাদের দেবতাদের সেবা করে না এবং আপনার স্থাপিত দেবমূর্ত্তিকে প্রণামও করে না।’

এতদ শ্রবণে সম্রাট শদ্রক, মৈশক, এবং আবেদ-নগোকে ডেকে পাঠালেন। তারা হাজির হলে তিনি বললেন, ‘এ কথা কি সত্যি যে, তোমরা আমি যে বা'ল দেবতার স্বর্ণমূর্ত্তি স্থাপন করেছি তাকে ভক্তি ও প্রণাম কর না?’

তারা বললেন, ‘হে মহারাজ, মহান খোদাই আমাদের একমাত্র উপাস্য দেবতা। আমরা কেবল তাঁকেই প্রণাম করি।’
তিনি বললেন, ‘রাজ আজ্ঞা রয়েছে- আদেশ অমান্যকারীদেরকে জলন্ত চুল্লিতে ফেলে দেয়া হবে। আর তা করলে কোন দেবতা আমার হাত থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করবে?
তারা বললেন, ‘খোদাই আমাদেরকে উদ্ধার করবেন। আর তিনি যদি তা না-ও করেন তবুও আমরা একটা মূর্ত্তিকে প্রণাম করতে পারি না।’
সম্রাট রাগান্বিত হলেন। তিনি আদেশ করলেন, ‘তাদেরকে জলন্ত চুল্লিতে নিক্ষেপ করা হোক।’

এ আদেশের পর দানিয়ূব ও তার বন্ধুদের পদোন্নতিতে উপদেষ্টাদের যারা অখুশি হয়েছিল তারা অতি আগ্রহের সাথে রাজ আজ্ঞা পালনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠল। তাদের উপস্থিতিতে প্রহরীরা শদ্রক, মৈশক, এবং আবেদ-নগোর হাত-পা বেঁধে অনেক কষ্টে জলন্ত চুল্লীতে নিক্ষেপ করল বটে, কিন্তু নিক্ষেপকালে তাদের কয়েকজন আগুনে মারাত্মক দগ্ধ হয়ে গেল।

তাদেরকে জলন্ত চুল্লিতে নিক্ষেপ করা হল।
এদিকে সম্রাট সারারাত্ নির্ঘুম কাটালেন। প্রভাতে তিনি ঘটনাস্থলে চলে এলেন। জলন্ত চুল্লির দিকে তিনি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন। হঠাৎ দেখলেন চারজন মানুষ আগুনের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের কেউই শৃঙ্খলিত নেই এবং তারা অগ্নিদগ্ধও হয়নি। আর ৪র্থ জনকে তার দেবদূতের মতই মনে হল। তিনি আশ্চর্য হলেন। অত:পর প্রহরীদের জিজ্ঞেস করলেন, আমরা কি তিন জনকে আগুনে নিক্ষেপ করিনি? তবে আমি চারজনকে দেখছি কেন?' তিনি চুল্লির অতি নিকটে গিয়ে চিৎকার করে বললেন, ‘হে মহান খোদার দাসেরা, তোমরা বের হয়ে এসো।’

এসময় শদ্রক, মৈশক, এবং আবেদ-নগো আগুনের মধ্যে থেকে বের হয়ে এলেন। লোকেরা অবাক হয়ে দেখল আগুন তাদের দেহের কোন ক্ষতি করেনি, তাদের পোশাকও নষ্ট হয়নি এমনকি তাদের মাথার একটা চুলও পোড়েনি। সম্রাট বললেন, ‘সেই খোদার গৌরব হোক, যিনি তার স্বর্গদূতকে পাঠিয়ে তার দাসদেরকে উদ্ধার করলেন। এরা তাঁর উপরেই বিশ্বাস করে রাজাজ্ঞা অগ্রাহ্য করেছিল এবং খোদা ব্যতিত অন্য কোন দেবতার সেবা ও পূজা করার পরিবর্তে জীবন দিতেও সম্মত ছিল। সেজন্যে আমি এ আদেশ দিচ্ছি যে, কোন জাতির, দেশের ও ভাষার লোক যদি এ সর্বশক্তিমান খোদার বিরুদ্ধে কিছু বলে তবে তাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হবে, কারণ আর কোন দেবতা এভাবে কাউকে উদ্ধার করতে পারেন না।’ 
সম্রাট শদ্রক, মৈশক, এবং আবেদ-নগোকে বাবিল প্রদেশের আরও উঁচু পদে অধিষ্ঠিত করলেন।

স্বপ্নে দেখা বিরাট গাছ।
আবারও সম্রাট নেবু চাঁদ নেজ্জার একটা স্বপ্ন দেখলেন। এই স্বপ্নের অর্থ করতে দানিউবকে ডাকা হল। সম্রাট তাকে বললেন, ‘আমি স্বপ্নে দেখলাম একটা গাছ পৃথিবীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। গাছটা দ্রুত বেড়ে উঠে বিরাট ও শক্তিশালী হল এবং তার মাথাটা গিয়ে আকাশ ছুঁইল; পৃথিবীর প্রান্তসীমা থেকে গাছটা দেখা যাচ্ছিল। তার পাতাগুলো ছিল খুব সুন্দর, ফলও ছিল প্রচুর এবং তা থেকে সকলেই খাবার পেত। তার ছায়ায় পশুরা এবং শাখায় আকাশের পাখীরা আশ্রয় পেত। 

--আমি দেখলাম উর্দ্ধাকাশ থেকে এক ফেরেস্তা নেমে এল এবং চীৎকার করে বলল, ‘গাছটা কেটে ফেল ও তার ডালগুলো ছেঁটে ফেলে দাও; তার পাতাগুলো ঝেড়ে ফেল এবং ফলগুলো ছড়িয়ে দাও। তার তলা থেকে পশুরা ও ডালপালা থেকে পাখীরা পালিয়ে যাক, কিন্তু তার কান্ড ও শিকড়গুলো লোহা ও ব্রোঞ্জের শিকল দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মাটিতে ঘাসের মধ্যে থাকুক। আকাশের শিশিরে সে ভিজুক এবং বনের বৃক্ষলতার মধ্যে পশুদের সঙ্গে সে বাস করুক যে পর্যন্ত না তার উপরে সাত কাল ঘুরে।’ 
-এ্ হচ্ছে সেই স্বপ্ন যা আমি দেখেছি। এখন তুমি বল এর অর্থ কি?’

স্বপ্নটা শোনার পর দানিউব হতভম্ব হয়ে গেলেন। এতে সম্রাট বললেন, ‘হে বেল্টশৎসর, স্বপ্ন কিংবা তার অর্থ তোমাকে চিন্তিত না করুক।’

নেবু চাঁদ নেজ্জারের জঙ্গলে পশুর ন্যায় বাস।
তখন দানিউব বললেন, ‘হে আমার প্রভু, আপনি যে বিরাট গাছটা দেখেছিলেন যেটা বিরাট ও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল, যার মাথা আকাশ ছুঁইয়ে ছিল ও যেটা পৃথিবীর সবাই দেখতে পেয়েছিল, যাতে সুন্দর পাতা ও প্রচুর ফল ছিল, যা সকলকে খাবার জোগাত, যা মাঠের পশুদের আশ্রয় দিত এবং যার ডালে আকাশের পাখীরা থাকার জায়গা পেত- আপনি, হে আমার প্রভু, আপনিই সেই গাছ।

--আপনাকে লোকদের কাছ থেকে এবং দেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে এবং আপনি কিছুদিন জঙ্গলে পশুদের সঙ্গে বাস করবেন। এভাবে সাত বৎসর অতিবাহিত হবে, যে পর্যন্ত না আপনি মনেপ্রাণে স্বীকার করবেন যে, ‘পৃথিবীর রাজ্যগুলোর উপর মহান খোদা কর্তৃত্ব করেন এবং তিনিই সেইসব রাজ্য যাকে ইচ্ছে তাকে দান করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছে তা ছিনিয়ে নেন।’
--শিকড়শুদ্ধ গাছটির গোড়া রেখে দেবার আদেশের উদ্দেশ্য এই যে, যখন আপনি খোদার কর্তৃত্ব মেনে নেবেন তখন আপনার রাজ্য আপনাকে ফিরিয়ে দেয়া হবে।’ 

সম্রাট চিৎকার করে বললেন, ‘আমার মহাশক্তির দ্বারা এবং আমার জাঁকজমকের গৌরব প্রকাশের জন্যে রাজধানী হিসেবে যেটা আমি তৈরী করেছি এ-কি সেই মহান বাবিল নয়? আমার পায়ের নীচ দিয়ে কি খরস্রোতা নদীগুলো বয়ে যাচ্ছে না?’ দানিউবকে জেলখানায় রাখা হল।
এক বৎসর পর বাণী পূর্ণ হল। লোকালয় থেকে সম্রাট বিতাড়িত হলেন। 

নেবু চাঁদ নেজ্জার সেনাবাহিনী নিয়ে এক যুদ্ধ যাত্রা করলেন। এই বাহিনী যখন কোন এক জঙ্গলের ধারে বিশ্রামে ছিল তখন সম্রাট একাকী শিকারে গেলেন। 

হঠাৎ সম্রাটের নজরে পড়ল একটা হরিণ। তিনি সেটাকে তাড়া করে গভীর জঙ্গলে চলে এলেন। তারপর একসময় হরিণটাকে হারিয়েও ফেললেন আর এটাও বুঝতে পারলেন যে, তিনি তার বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। তিনি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে যাবার চেষ্টা করলেন। অতঃপর একসময় আবিস্কার করলেন যে, তিনি পথ হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি আতঙ্কিত না হয়ে নিজেকে শান্ত রাখলেন এবং ফলমূল খেয়ে কয়েকদিন অতিবাহিত করলেন। এরপর একদিন তিনি তার ঘোড়াটাকেও হারিয়ে ফেললেন। এভাবে দিনের পর দিন অতিবাহিত হতে লাগল। আর এদিকে সম্রাট এগিয়ে গেছেন ভেবে তার বাহিনীও সম্মুখে এগিয়ে গেল।

এদিকে ঐ জঙ্গলের পাশেই ছিল এক রাজ্য। সেখানকার রাজপ্রাসাদে একদিন চুরি হল। চোর ঘোড়ায় চড়ে পালিয়ে গেল। কিন্তু প্রহরীরা টের পেয়ে তার পিছু নিয়েছিল। পিছনে প্রহরী বুঝতে পেরে চোর জঙ্গলে ঢুকে পড়ল। পিছনে প্রহরী। চোর বুঝতে পারল সে ধরা পড়তে যাচ্ছে। এসময় হঠাৎ সে দেখতে পেল এক গাছের তলে এক লোক ঘুমিয়ে। সে তাড়াতাড়ি করে ঘোড়াটিকে একটা গাছের সাথে বাঁধল। তারপর চুরি করা মালামাল লোকটির মাথার পাশে রেখে ঢেকে দিল, তারপর গাছে চড়ে সেটির মগড়ালে গিয়ে চুপ করে বসে রইল। প্রহরীরা চলে এল। তারা ঘোড়াটিকে দেখতে পেল, তারপর দেখল চোর গাছের নীচে ঘুমের ভানে। আর যখন তারা মালামাল পেয়ে গেল, তখন তারা তাকে বেঁধে রাজদরবারে হাযির করল। আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগই মিলল না। ভাগ্যের এই নির্মম পরিহাসে নেবু চাঁদ নেজ্জার ম্রিয়মান হয়ে পড়েছিলেন। এসময় রাজাজ্ঞা ঘোষিত হল- ‘ওকে জেলখানায় যাতা ঘুরানোর কাজে লাগানো হোক।’

অল্পদিনেই জেলখানার কর্মচারীরা জানতে পারল লোকটি শিক্ষিত এবং জ্ঞানী। কথা রাজার কানে হল। তিনি বললেন, ‘তাহলে ওকে আমার কন্যার গৃহশিক্ষক রূপে নিয়োজিত করি।’ রাজকন্যার গৃহ শিক্ষকরূপে নেবু চাঁদ নেজ্জারকে নিয়োগ পেলেন। 

একদিন তিনি রাজকন্যাকে কিতাব পাঠ করে শোনাচ্ছিলেন। অত:পর তিনি যখন পাঠ করলেন- "For riches are not for ever: and doth the crown endure to every generation?"

রাজকন্যা বলল, “একথা সত্য না। জোর যার মুল্লুক তার, শক্তিই সকল ক্ষমতার উৎস। আর আমার পিতার এই গুণের জন্যেই আজ পর্যন্ত কেউই এ রাজ্য আক্রমণে সাহস করেনি।”

তার কথা শুনে নেবু চাঁদ নেজ্জার হো হো করে হেসে উঠলেন। রাজকন্যা অপমানিত বোধ করল। সে তার শিক্ষকের এহেন আচরণ রাজাকে অবহিত করল। রাজা রাগান্বিত হলেন।

নেঁবু নেবু চাঁদ নেজ্জারকে রাজদরবারে ডাকা হল এবং তার হাসির কারণ ব্যাখ্যা করতে আদেশ দেয়া হল। তিনি বললেন, ‘একমাত্র খোদাই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। তিনি যাকে ইচ্ছে রাজ্য দান করেন এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছে তা ছিনিয়ে নেন। তিনি যাকে ইচ্ছে সম্মান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছে অপমানিত করেন। নিশ্চয় তিনি সর্ববিষয়ে ক্ষমতাশীল।’
রাজা বললেন, ‘তোমার বক্তব্যের সমর্থনে যুক্তি-প্রমান দেখাও।’

নেবু চাঁদ নেজ্জার নিজের পরিচয় প্রদান করতে পারলেন না। কেননা সত্য বললেও রাজা তা বিশ্বাস করবেন না। সুতরাং তিনি বললেন, “এগুলো কিতাবের কথা।” তখন রাজার আদেশে কিতাব নিয়ে আসা হল। আর তা পাঠ করতে নেবু চাঁদ নেজ্জারের হাতে দেয়া হল। অত:পর যখন তিনি তা পাঠ করলেন- "For riches are not for ever: and doth the crown endure to every generation?"

"Cease!" cried the king. "Who wrote those words?"

"They are the words of the Holy Book," নেবু চাঁদ নেজ্জার বললেন।
"Give me the book," commanded the king.

নেবু চাঁদ নেজ্জার placed it before his majesty. King Hagag gazed earnestly at the words that had been read, and he frowned. Raising his hand, he tore the page from the book and threw it to the ground.

"I, Hagag, am king," he said, "and all such passages that offend me shall be torn out." He flung the volume angrily from him.
"I have heard enough for today," he said. "Too long have I delayed my hunting expedition. Let the horses be got ready." নেবু চাঁদ নেজ্জার আবারও জেলখানায় যাতা ঘুরানোর কাজে ফিরে গেলেন। 

He descended from the throne, stalked haughtily through the trembling figure of his court, and went forth to the hunt. Soon he was riding furiously across an open plain toward a forest where a wild stag had been seen. A trumpet sounded the signal that the deer had been driven from its hiding place, and the king urged his horse forward to be the first in the chase. His majesty's steed was the swiftest in the land. Quickly it carried him out of sight of his nobles and attendants. But the deer was surprisingly fleet and the king could not catch up with it. Coming to a river, the animal plunged in and swam across. Scrambling up the opposite bank its antlers caught in the branch of a tree, and the king, arriving at the river, gave a cry of joy.


"Now I have thee," he said. Springing from his horse and divesting himself of his clothing he swam across with naught but a sword.


As he reached the opposite bank, however, the deer freed itself from the tree and plunged into a thicket. The king, with his sword in his hand, followed quickly, but no deer could he see. Instead, he found, lying on the ground beyond the thicket, a beautiful youth clad in a deer-skin. He was panting as if after a long run. The king stood still in surprise and the youth sprang to his feet.


"I am the deer," he said. "I am a genii and I have lured thee to this spot, proud king, to teach thee a lesson for thy words this morning."


Before King Hagag could recover from his surprise the youth ran back to the river and swam across. Quickly he dressed himself in the king's clothes and mounted the horse just as the other hunters came up. They thought the genii was King Hagag and they halted before him.

"Let us return," said the genii. "The deer has crossed the river and has escaped."

King Hagag from the thicket on the opposite side watched them ride away and then flung himself on the ground and wept bitterly. There he lay until a wood-cutter found him.

"What do you here?" asked the man.
"I am King Hagag," returned the monarch.

"Thou art a fool," said the wood-cutter. "Thou art a lazy good-for-naught to talk so. Come, carry my bundle of sticks and I will give thee food and an old garment."

In vain the king protested. The wood-cutter only laughed the more, and at last, losing patience, he beat him and drove him away. Tired and hungry, and clad only in the rags which the wood-cutter had given him, King Hagag reached the palace late at night.

"I am King Hagag," he said to the guards, but roughly they bade him begone, and after spending a wretched night in the streets of the city, his majesty, next morning, was glad to accept some bread and milk offered to him by a poor old woman who took pity on him. He stood at a street corner not knowing what to do. Little children teased him; others took him for a beggar and offered him money. Later in the day he saw the genii ride through the streets on his horse. All the people bowed down before him and cried, "Long live the king!"


"Woe is me," cried Hagag, in his wretchedness. "I am punished for my sin in scoffing at the words of the Holy Book."


He saw that it would be useless for him to go to the palace again, and he went into the fields and tried to earn his bread as a laborer. He was not used to work, however, and but for the kindness of the very poorest he would have died of starvation. He wandered miserably from place to place until he fell in with some blind beggars who had been deserted by their guide. Joyfully he accepted their offer to take the guide's place.


Months rolled by, and one morning the royal heralds went forth and announced that "Good King Hagag" would give a feast a week from that day to all the beggars in the land.


From far and near came beggars in hundreds, to partake of the king's bounty, and Hagag stood among them, with his blind companions, in the courtyard of the palace waiting for his majesty to appear. He knew the place well, and he hung his head and wept.


"His majesty will speak to each one of you who are his guests today," cried a herald, and one by one they passed into the palace and stood before the throne. When it came to Hagag's turn, he trembled so much that he had to be supported by the guards.

The genii on the throne and Hagag looked long at each other.

"Art thou, too, a beggar?" said the genii.

"Nay, gracious majesty," answered Hagag with bent head. "I have sinned grievously and have been punished. I am but the servant of a troop of blind beggars to whom I act as guide."

The genii king signed to his courtiers that he desired to be left alone with Hagag. Then he said: "Hagag, I know thee. I see that thou hast repented. It is well. Now canst thou resume thy rightful place."


"Gracious majesty," said Hagag, "I have learned humility and wisdom. The throne is not for me. The blind beggars need me. Let me remain in their service."

"It cannot be," said the genii. "I see that thou art truly penitent. Thy lesson is learned and my task is done. I will see that the blind beggars lack not."
With his own hands he placed the royal robes on Hagag and himself donned those of the beggar. When the courtiers returned they saw no difference.

Hagag বললেন, “সব বন্দীদের মুক্ত করে এখানে নিয়ে আস।” আর তিনি সবাইকে ঘোড়া, রসদ ও নগত অর্থ দিয়ে বিদায় করে দিলেন নেবু চাঁদ নেজ্জার ব্যতিত।


অার হাগাগ নেবু চাঁদ নেজ্জারকে তার মন্ত্রীর পদ গ্রহণ করতে অনুরোধ করলেন। এ সময় তিনি তার পরিচয় দিলেন। হগাগের দূত ছুটে গেল পারস্যে।


অত:পর অশুরীয় বাহিনী এল। 
তৎক্ষণাৎ সেনাপতি নেবু চাঁদ নেজ্জারকে চিনতে পারল। তাকে স্ব-সম্মানে রাজ্যে ফিরিয়ে আনা হল। নেবু চাঁদ নেজ্জার পুনঃরায় সিংহাসনে বসলেন এবং দানিউবও মুক্ত হয়ে আরো বড় পদে অধিষ্ঠিত হলেন।


আর King Hagagও রাজত্ব করতে লাগলেন sat on his throne again as a monarch who ruled more wisely or showed more kindness and sympathy to all his subjects.


সমাপ্ত।



ছবি: Wikipedia, icfwageningen, teachinghearts, bibleguy.hubpages, worldslastchance, worldsundayschool.


উৎস:

  • Bible, Book of Daniel.
  • Jewish Fairy Tales and Legends, by Aunt Naomi (pseud. Gertrude Landa), [1919]

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন