pytheya.blogspot.com Webutation

২৩ মার্চ, ২০১২

Nimrod: নমরুদ ও মশা কাহিনী।

বাইবেলের বুকস অব জেনেসিস ও বুকস অব ক্রোনিকেলস অনুসারে নমরুদ (Namr Ud ("Namra Udu"- shining light) -in Hebrew "Nimrod.") ছিলেন কুশের পুত্র, হামের পৌত্র (Grandson) এবং নূহের প্রোপৌত্র (Great-grandson). He proclaims himself a god and is worshiped as such by his subjects. ইহুদি ধর্ম পুস্তকগুলো তাকে উপস্থাপন করেছে- "as a man of power in the earth, and a mighty hunter."

অনেকের মতে নমরুদ অর্থ বিদ্রোহী (Rebel)। তিনি খোদার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। আর আমরা তার সম্পর্কে ইতিহাস ও অন্যান্য ধর্মপুস্তক গুলিতে যা পাই তা এটা প্রমান করার জন্যে যথেষ্ট যে তার শক্তি, ক্ষমতা ও দম্ভের প্রকাশ আকাশ ছুঁয়েছিল- তিনি ঐশ্বরিক শক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নেমেছিলেন। এই আর্টিকেলে আমরা দেখব ঐ প্রতিদ্বন্দ্বীতার ধরণ কেমন ছিল এবং তা কি ধরণের ফলাফল বয়ে নিয়ে এসেছিল।

হিব্রোণে বাস করার এক পর্যায়ে আল্লাহ ইব্রাহিমকে বললেন, "হে ইব্রাহিম! তুমি নমরুদকে সতর্ক কর তার উপর শাস্তি আসার আগেই।"

সুতরাং ইব্রাহিম (Abraham) পুনঃরায় ফেরাউনের রাজদরবারে উপস্থিত হলেন। ফেরাউন (Nimrod was not the first king of kings. He became labeled as king of kings by gathering all kings of 42 cities in Egypt to be an assembly house called Pharaoh in the year after Noah's death and after that assembly the term ”pharaoh” has become a respectful designation for the king Nimrod.) তাকে চিনতে পেরে বললেন, "হে ইব্রাহিম! কি উপলক্ষ্যে তোমার এ আগমন?"

Pharaoh Nimrod.
ইব্রাহিম বললেন- "হে ফেরাউন! আমি আল্লাহ প্রেরিত রসূল, যিনি এক-যার কোন শরীক নেই, যিনি আরশের অধিপতি।"

নমরুদ কখনও আল্লাহর কর্তৃত্ব স্বীকারের পক্ষপাতি ছিলেন না। ইতিপূর্বে তো তিনি এ বিষয়ে ইব্রাহিমের সাথে বাদানুবাদেও লিপ্ত হয়েছিলেন সেইসময় যখন ইব্রাহিম তাকে সিজদা করতে অস্বীকার করে বলেছিলেন- "আমি সিজদা করি একমাত্র আল্লাহকে, যিনি আমার প্রতিপালক।"
এতে অবাক হয়ে ফেরাউন জিজ্ঞেস করেছিলেন, "হে ইব্রাহিম, কে তোমার প্রতিপালক?"

In that confrontation with Nimrod, Abraham argues that Allah (God) is the one who gives life and gives death. The king responds by bringing out two people sentenced to death. He releases one and kills the other as a poor attempt at making a point that he also brings life and death. Abraham refutes him by stating that Allah brings the Sun up from the East, and so he asks the king to bring it from the West. The king is then perplexed and angered.

এ সংক্রান্ত কোরআনের আয়াতসমূহ- সে (নমরুদ) ইব্রাহিমের সাথে তার প্রতিপালক সম্পর্কে তর্ক করেছিল, যখন ইব্রাহিম বলল, "আমার প্রতিপালক তিনি, যিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান।"
সে বলল, "আমিও জীবন দান করি এবং মৃত্যু ঘটিয়ে থাকি।"
ইব্রাহিম বলল, "নিশ্চয় তিনি সূর্য্যকে উদিত করেন পূর্ব দিক থেকে, এবার আপনি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত করে দেখান।" তখন সে অবিশ্বাসী হতভম্ব হয়ে গেল।-(২:২৫৮)

এ কারণেই এসময়ে নমরুদ ইব্রাহিমের সাথে পুনরায় তার প্রতিপালক সম্পর্কে বিতর্কে না গিয়ে সরাসরি ফয়সালার পথ বেঁছে নিলেন। এক কথায়- Nimrod persisting in his rebellion against God, or resuming it. আর তাই তিনি বললেন, "হে ইব্রাহিম! দুনিয়ার রাজত্ব তো আমার। শীঘ্রই আকাশের রাজত্বও আমি তোমার আল্লাহর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেব।"
ইব্রাহিম বললেন, "হে ফেরাউন, কিভাবে আপনি আকাশে পৌঁছিবেন?"
তিনি বললেন, "আমার বিজ্ঞ পরিষদবর্গই এ ব্যাপারে আমাকে পূর্ণপথ বাৎলে দেবে।"

Tower of Babel.
অতঃপর নমরুদ যখন এ ব্যাপারে পরিষদবর্গের পরামর্শ চাইলেন, তখন পরিষদবর্গের একজন পরামর্শ দিল সূউচ্চ এক টাওয়ার নির্মাণের, যাতে করে তার চূঁড়া থেকে বেহেস্তে লুকিয়ে থাকা ইব্রাহিমের খোদাকে সহজেই ধরাশায়ী করা যায়। 

দীর্ঘ্ দিনে হাজার হাজার শ্রমিকের অক্লান্ত পরিশ্রমে টাওয়ার অব বাবেল নির্মিত হল। এই টাওয়ার অব বাবিল (Tower of Babel) সম্পর্কে বাইবেলে আছে- "....and a tower, whose top may reach unto heaven....". -(Genesis 11:4)

যাহোক, নমরূদ অত:পর টাওয়ারের চূঁড়ায় আরোহণ করলেন। but he was greatly surprised to find that the heavens were still as remote from him as when he was on the ground. He was still more mortified on the following day, when the tower collapsed with such a noise that the people fainted with terror, those that recovered losing their speech or power of hearing which was illustrated in the Bible as an allusion to the confusion of tongues.

এই দু:সময়ে পরিষদবর্গের একজন হয়ে ইবলিস বিকল্প হিসেবে এক অদ্ভূত পরামর্শ দিল। তার পরামর্শে চারটি বৃহৎ শকুনকে লালন-পালন করা হল। অতঃপর একটি সিন্দুক তৈরী করে শকুন চারটিকে কয়েক দিন অভুক্ত রেখে ঐ সিন্দুকের চার কোনায় বেঁধে দেয়া হল। তারপর সিন্দুকের উপর দিকে শকুনের নাগালের বাইরে কিন্তু দৃষ্টির সীমানায় ঝুলিয়ে দেয়া হল মাংসের টুকরো।

ফেরাউন ও তার সেনাপতি প্রস্তুত হয়ে সিন্দুকে আরোহণ করলেন। যাহোক, শকুনেরা মাংসের টুকরো খেতে চাইল, আর তাদেরকে নিয়ে সিন্দুকসহ উর্দ্ধপানে উড়ে চলল। এ সম্পর্কে ইহুদি রাব্বানিক সাহিত্য জানায়- "Nimrod goes on to try storming Heaven, throwing arrows in person, in a chariot driven by birds." আর তাই বাইবেলেও তার সম্পর্কে বলা হয়েছে- "He was a mighty hunter against the Lord." -(Genesis 10:9).

উর্দ্ধ আকাশে পৌঁছে অর্থাৎ যেখান থেকে অাকাশ বা পৃথিবীর, কিছুই আর দৃষ্টি গোচর হল না, নমরূদ প্রস্তুতি নিলেন তীর নিক্ষেপের। তারপর তারা একের পর এক তীর উপরের দিকে নিক্ষেপ করলেন। ঐ সময় আল্লাহ জিব্রাইলকে বলেন, "আমার এই বান্দা যেন নিরাশ না হয়।" Gabriel thereupon sent the arrows back stained with blood, so that Nimrod was convinced that he had avenged himself upon Abraham's God.

এদিকে সকল তীর নিক্ষেপ শেষে নমরুদ পৃথিবী পৃষ্ঠে ফিরে আসতে চাইল। সেজন্যে শকুন গুলিকে নিম্নগতি করার লক্ষ্যে সিন্দুকের উপরের দিকে ঝুলিয়ে দেয়া মাংস একই ভাবে নিচের দিকে ঝুলিয়ে দেয়া হল। অবতরণের সময় সিন্দুক প্রচন্ড শব্দে মাটিতে আছড়ে পড়ে গুড়িয়ে যায়। নমরুদ নিজে অবশ্য এই পতনে কোনরূপ আঘাত প্রাপ্ত হননি।

মাটিতে অবতরণের পর নমরুদের রক্ষীরা নিক্ষিপ্ত তীরগুলি কুড়িয়ে আনল। যেগুলো পাওয়া গেল তার সবগুলোই রক্তরঞ্জিত। ফেরাউন রক্তমাখা তীরগুলি দেখে সফলতার আনন্দে আত্মহারা হয়ে সঙ্গীদেরকে বললেন, "নিশ্চয় আমরা ইব্রাহিমের খোদাকে হত্যা করেছি, তীরে লেগে থাকা রক্তই তার সাক্ষ্য বহন করে।"

এ সম্পর্কে বুক অব জাসের (Book of Jasher, -Hebrew, "Sefer ha-Yashar" = "Book of the Righteous One") জানায়- "...they cast the arrows toward the heavens, and all the arrows fell upon them filled with blood, and when they saw them they said to each other, Surely we have slain all those that are in heaven. -(Jasher, 9:29) "..They thought that they killed God." -(Jasher, 9:30)

থোদা ইব্রাহিমকে জানালেন, "ইব্রাহিম! নমরুদকে সতর্ক কর তার উপর শাস্তি আসার আগেই।"
সুতরাং ব্রাহিম হাজির হলেন রাজদরবারে। এবার তাকে দেখে উৎফুল্ল হলেন নমরূদ। বললেন, "নিশ্চয় আমরা তোমার খোদাকে হত্যা করতে সমর্থ্য হয়েছি।‘ তিনি তার সিংহাসনের পাশ থেকে একটা তীর হাতে নিয়ে, আত্মগর্বে সেটিকে পরখ করতে করতে বললেন, ’তীরে লেগে থাকা এ রক্তই তার সাক্ষ্য বহন করে।"
ইব্রাহিম বলেন, "আমার স্রষ্টা চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী।"
তখন নমরুদ বলেন, "তিনি যদি মারা গিয়ে না থাকেন, তবে তাঁর সৈন্যদলকে একত্রিত করতে বল। আমিও আমার সৈন্যদল ময়দানে সমবেত করছি।"

ইব্রাহিম তাকে বলেছিলেন, "আল্লাহকে ভয় করেন, তিনিই তো আপনাকে রাজ্য ও রাজত্ব দান করেছেন। আর তিনিই পরজগতের প্রতিফল দাতা।" কিন্তু ফেরাউন তার কথায় কান না দিয়ে বলেন যে, দুনিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি কেবল তিনি and challenged God to fight with him. আর তিনি তিন দিনের সময়ও বেঁধে দিলেন। 

নির্দিষ্ট দিনে নমরুদ তার সেনাবাহিনী ময়দানে সমবেত করলেন। বেঁধে দেয়া তিন দিনের ঐ স্বল্প সময়ে তিনি যথেষ্ট সংখ্যক সৈন্যের সমাবেশ ঘটিয়েছিলেন।

ময়দানে নমরূদ তার সেনাবাহিনী নিয়ে অপেক্ষা করছেন কিন্তু প্রতিপক্ষের কোন দেখা নেই। ইব্রাহিমকে একাকী দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে তিনি অবাক হয়ে তাকে ডেকে বললেন, "ওহে ইব্রাহিম! তোমার প্রতিপালকের সেনাদল কোথায়? তিনি নিশ্চয় আমার শক্তিবল দেখে ভীত হয়ে পশ্চাৎপসারণ করেছেন।"

ইব্রাহিম বললেন, "আমার রব ক্ষমতায় মহান, কোনরূপ ভীতি তাকে আচ্ছন্ন করতে পারে না, বরং তিনিই তা প্রদর্শণ করে থাকেন। একথা নিশ্চিত যে তার সেনাদল ময়দানে এসে পৌঁছিবেই-আর তা অতি অল্প সময়ের মধ্যেই।"
নমরুদ সেনাপতিদের বললেন, "যুদ্ধ পতাকা উড়িয়ে দাও, সতর্ক হও, নাকাড়া বাজাও।"

মশা! 
ষাট লক্ষ [??] সেনার শোরগোলে ভূমি প্রকম্পিত হল। ফেরাউন পুনঃরায় ইব্রাহিমকে বললেন, "কোথায় তোমার রবের সৈন্যদল?"

ইব্রাহিম দূরে আকাশের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করলেন। দূরে কাল রঙের একটা মেঘ দেখা যাচ্ছে। যখন সেটা কাছে, মাথার উপর চলে এল, লক্ষ লক্ষ মশার গুণ গুণ কলতানে চারিদিক মুখরিত হল। 

মশা! ক্ষুদ্র এ প্রাণীটি সন্ত্রাসী, বেপরোয়া। রক্তের নেশায় জীবনের ঝুকি নিয়ে তারা আক্রমণ করে মানুষ, পশুকে। আর এ মশা তো আল্লাহ প্রেরিত, যুদ্ধের নিমিত্ত। কিন্তু ফেরাউন এদের ব্যক্তিত্বকে খাটো করে দেখলেন। অবজ্ঞার সূরে বললেন, "এ তো মশা! তুচ্ছ এক প্রাণী, তার উপর নিরস্ত্র। তোমার রবের কি অস্ত্র-ভান্ডার বা মালখানা নেই?"

এখানে বলে রাখা ভাল- অনেকের মতে এগুলো মশা ছিল না, ছিল মশার আকৃতির, আকারে আরও ক্ষুদ্র প্রাণী, মাংসাশী (Carnivorous), Gnat.

Gnat
ইব্রাহিম বললেন, "আমার রবের সেনাবাহিনী সম্পর্কে আপনার কোন ধারণাই নেই। আপনার এই সেনাবাহিনীর জন্যে তিনি এই তুচ্ছ, নিরস্ত্র মশাকেই যথেষ্ট মনে করেছেন। আর নিরস্ত্র হলেও এরা তাদের যুদ্ধ কৌশল জানে। এখন আপনি শুধু এই বাহিনীর মোকাবেলা করে আপনার শক্তি, সামর্থ্য ও মেধার পরিচয় দিন।"

এদিকে এই মশা বাহিনীর সঙ্গে কিরূপে যুদ্ধ করতে হবে তা ভেবে পাচ্ছিল না নমরুদের সেনারা। এত ক্ষুদ্র প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের পূর্ব কোন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা বা ট্রেনিং- কোনটাই নেই। সুতরাং তারা হতভম্ভ হয়ে আদেশের অপেক্ষায় সাঁরিবদ্ধ ভাবে নিশ্চল দাঁড়িয়ে রইল। 

এই অবসরে প্রতিটি সৈন্যের মাথার উপর একটি করে মশা অবস্থান নিল। অতঃপর কেউ কিছু বুঝে উঠার পূর্বেই তারা তাদের নাসিকা পথে মস্তিস্কে প্রবেশ করল। তারপর দংশন। সেনাবাহিনীর মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হল। হিতাহিত জ্ঞান শুণ্য হয়ে তীরন্দাজগণ উর্ধ্বে তীর নিক্ষেপ করতে লাগল। আর পদাতিক সেনারা নিজেদের চতুষ্পার্শ্বে অন্ধের মত তরবারী চালনা শুরু করল। এভাবে একে অপরকে নিজেদের অজান্তেই তারা আহত বা নিহত করে ফেলল।

নমরুদ পালিয়ে প্রাসাদে ফিরে আসছিলেন। এসময় একটি দূর্বল মশা তাকে তাড়া করল। সে কিছুক্ষণ তার শিরোস্ত্রাণের চতুষ্পার্শ্বে কয়েকবার প্রদক্ষিণ শেষে সুড়ুৎ করে তার নাসিকা পথে মস্তিস্কে ঢুকে পড়ল। তারপর ধীরে সুস্থ্যে মগজে দংশন শুরু করল। যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়লেন নমরুদ। উন্মাদের ন্যায় প্রাসাদে প্রবেশ করলেন। এক সময় দিশেহারা হয়ে পাদুকা খুলে নিজের মাথায় আঘাত করতে শুরু করলেন তিনি। এতে মশা দংশনে বিরত রইল। তিনি একটু আরাম বোধ করলেন। কিন্তু আঘাত বন্ধ করতেই মশা পুন:রায় দংশন শুরু করল। অবশেষে নমরুদ তার মাথায় মৃদু আঘাত করার জন্যে একজন সার্বক্ষণিক কর্মচারী নিযুক্ত করলেন। সূদীর্ঘ ৪০ বৎসর তিনি ঐ দু:সহ যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন।

এটা অদ্ভূত ছিল যে, পাদুকা ব্যতিত অন্যকিছুর আঘাতে মশা দংশনে বিরত থাকত না। এসময়ই ইব্রাহিম তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, "হে ফেরাউন! স্বীয় মস্তকে, স্বীয় পাদুকা দ্বারা আঘাতের জন্যে, স্বীয় অর্থেই গোলাম নিযুক্ত করে রাখা জঘণ্য। সুতরাং এখনও সময় আছে আল্লাহকে সর্বশক্তিমান ও অদ্বিতীয় বলে স্বীকার করে নিন। তাতে তিনি আপনার পাপসমূহ ক্ষমা করবেন এবং আপনি এই কঠিন বিপদ থেকে মুক্তি পাবেন।"

নমরুদ মনে করতেন খোদাকে স্বীকার করে নিলে তার ক্ষমতা ও প্রভাব বিলুপ্ত হবে। তাই তিনি উত্তর দিলেন, "হে ইব্রাহিম! আমিই দুনিয়ার অধিশ্বর। অন্য কাউকে আমি স্বীকার করি না।" ইব্রাহিম বুঝতে পারলেন যাকে আল্লাহ পথ প্রদর্শণ করেননি, সে কখনও পথ খুঁজে পাবে না। তিনি হতাশ হয়ে ফিরে এলেন।

এ কারণেই তার সম্পর্কে বলা হয়েছে- Whether or not conceived as having ultimately repented, Nimrod remained in Jewish and Islamic tradition an emblematic evil person, an archetype of an idolater and a tyrannical king. In rabbinical writings up to the present, he is almost invariably referred to as "Nimrod the Evil".- (Hebrewנמרוד הרשע)

এদিকে নমরুদের সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মচারী অতিষ্ট হয়ে পড়েছিল। এক মুহুর্ত অবসর নেই। সামান্য বিরতিতেই তিরস্কার। একসময় তার মনে এমন বিরক্তি ও ক্রোধের সৃষ্টি হল যে, সে তার হস্তস্থিত পাদুকা দ্বারা সজোরে এক আঘাত হানে। ঐ আঘাতেই নমরুদের মৃত্যু হয়।

নমরুদের এই যুদ্ধ ও পরিণতি সম্পর্কে ইহুদি রাব্বানিক সাহিত্য (some versions) জানায়- "Nimrod then challenges Abraham's God to battle. When Nimrod appears at the head of enormous armies, God produces an army of gnats which destroys Nimrod's army.Some accounts have a gnat or mosquito enter Nimrod's brain and drive him out of his mind."

অন্যদিকে এ সম্পর্কে Book of Chamis জানায়- “বার বর্গমাইল [??] জায়গায় নমরুদের সেনাবাহিনী ছাউনি ফেলল। তখন আল্লাহ জিব্রাইলকে ইব্রাহিমের কাছে একথা জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, তাকে উদ্ধারে কোন প্রাণী পাঠাবেন তিনি? ইব্রাহিম বেঁছে নিলেন মশা। অাল্লাহ বললেন, “Verily, if he had not chosen the fly, an insect would have come to his aid, seventy of which are lighter than the wing of a fly.”

মহান আল্লাহ তখন মাছিদের রাজাকে সমন পাঠালেন এবং তাকে আদেশ করলেন নমরুদের বিরুদ্ধে তার বাহিনী নিয়ে অগ্রসর হতে। সে তখন দুনিয়ার সকল মশা-মাছি নিয়ে নমরুদের বাহিনীকে এমন হিংস্রভাবে আক্রমণ করল যে, অল্প সময়ের মধ্যে পুরো ময়দানে মানুষের মাথার খুলি, হাঁড়-গোঁড়, তরবারী, বল্লম ও তীরে-ধনুক ব্যতিত অপর কিছু আর পরিদৃষ্ট হল না। কেননা সেগুলো তাদের শরীরের চামড়া, মাংস এমনকি মাথার মগজ পর্যন্ত চুষে খেয়ে ফেলেছিল।

নমরুদ পালিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রাসাদের একটা পুরু দেয়াল ঘেরা কক্ষে আঁটকে ফেলেন। কিন্তু তার সাথে সেখানেও একটা মশা পৌঁছে গিয়েছিল। সাত দিন ঐ মশা তার মুখের চারপাশে ঘোরাফেরা করে, তবে নমরুদ কোনভাবেই তাকে ধরতে পারেননি। তারপর সেটি তার নাসিকা পথে প্রবেশ করে। নমরুদ যতই তাকে বাইরে বের করতে চেষ্টা করেন, সেটি ততই গভীরে প্রবেশ করে এবং একসময় মস্তিস্কে পৌঁছায়। তারপর সেটি তার মস্তিস্ক চুষে খেতে শুরু করে।

এসময় ব্যাথা প্রশমনে দেয়ালে মাথা ঠুকা ছাড়া নমরুদের আর কোন উপায় রইল না। পরে তিনি একজন কর্মচারীকে নিয়োগ করেন কাঠের এক হাতুড়ি দিয়ে মাথায় মৃদু আঘাত করার জন্যে। এদিকে মশা অবিরাম খেতে খেতে আকারে বৃদ্ধি পেতে লাগল। আর ৪র্থ দিনে সেটি তার মস্তিস্ক ফুঁড়ে বেরিয়ে এল। ঐ মশা এসময় বৃদ্ধি পেতে পেতে একটা কবুতরের অাকারের হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটি উড়ে যেতে যেতে মরোন্মুখ নমরুদকে, যার তখন্ এমনকি তওবা করারও সমর্থ্য ছিল না, বলল, “Thus does Allah, whenever he pleases, permit the feeblest of his creatures to destroy the man who will not believe in him and in his messenger.” -(Book of Chamis,)

যাইহোক, এক দোর্দন্ড প্রতাপশালী ফেরাউনের জীবনাবসানের এমনি কাহিনীই আমরা শুনে আসছি সেই বাল্যকাল থেকে। অবশ্য আমরা কাহিনীর আরো অনেক কৌতুহলী শাখা-প্রশাখার কথাও শুনেছি। যেমন- যখন আল্লাহ জিব্রাইলকে বললেন, "আমার এই বান্দা যেন নিরাশ না হয়।" তখন জিব্রাইল তীরের অগ্রভাগ রক্তরঞ্জিত করতে পশু, পাখী ও জলজ জীবের কাছে রক্ত চেয়েছিল। কিন্তু কেউই নিজের রক্ত দিতে সম্মত হয়নি "বেলে মাছ" ছাড়া। এ কারণেই বেলে মাছের শরীরে কোন রক্ত নেই।

আর এ বিষয়ে Book of Chamis জানায়- "Respecting the blood which was seen on Nimrod's arrow, the learned are not agreed as to whence it came: many contend it was the blood of a fish which the clouds had carried with them from the sea, and adduce this circumstance as the reason why fish need not be slaughtered."-

NB: নমরূদকে অনেকসময় “ফেরাউন” সম্বোধন করা হত রাজ্যাধিপতি হিসেবে, কিন্তু কখনও এ্ই উপাধি তার নামের সাথে যুক্ত হয়নি। অর্থাৎ তাকে কখনও “ফেরাউন নমরুদ” হিসেবে সম্বোধন করা হয়নি। ফেরাউন উপাধিটি প্রথম নামের সাথে যুক্ত করেন মিসরীয় রাজবংশের shoshenks of dyn.XXII. 


British Egyptologist Sir Alan Gardiner discusses the term "Pharaoh" and cites the earliest example of its application to the king. During the reign of Amenophis IV (c. 1353 - 1336 BCE) as recorded in the Kahun Papyrus. Regarding the term Pharaoh, Gardiner says:



সমাপ্ত।
ছবি: Wikipedia, israel-a-history-of, parkerliveonline.

# বিজ্ঞ পাঠক, ক্ষমা চাচ্ছি এ করণে যে, আমার এ অর্টিকেলে উপস্থাপিত তথ্যে অসংখ্য বিচ্যূতি রয়েছে তা আমি জানি এবং আপনারাও তা সহজেই বুঝতে পারছেন। আমি কেবল তথ্য উপস্থাপন করেছি দু’টো কারণে- যারা নাস্তিক তাদের বিনোদনের জন্যে এবং যারা আস্তিক তারা যেন আার্টিকেলের প্রতিপাদ্য বিষয়টি-“Thus does Allah, whenever he pleases, permit the feeblest of his creatures to destroy the man who will not believe in him and in his messenger.” বুঝতে পারে।


প্রাচীন কালের মানুষ ঘটনার গুরুত্ব বোঝাতে সংখ্যা বাড়িয়ে বলত। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে তিল হয়ে যেত তাল। আর বনি ইস্রায়েলে অধিকাংশ নবীর আগমন হওয়ায় প্রায় সকল কাহিনীর ডিটেইলগুলো এসেছে তাদের উৎস থেকে, আর তারা তো ছিল এ বিষয়ে ওস্তাদ। তারা তাদের ধর্মীয় গ্রন্থেও এর অনুপ্রবেশ ঘটায়। ফলে কোরআনের অবতরণ।


আর ইসলামি পন্ডিতগণ কোরাণিক ইতিহাস সম্বলিত আয়াতগুলোর ব্যাখ্যা হাদিসে না পেলে ইহুদিসূত্রগুলোর দিকে হাত বাড়াতেন সঙ্গত কারণে, কিন্তু তারা ইহুদিদের প্রকৃতি জানা সত্ত্বেও সেইসব সূত্র থেকে সত্য বের করে আনতে পারেননি, যা সত্যিই দু:খজনক। আমার বক্তব্য বোঝার সুবিধার্থে একটা উদাহরণ দেব। 


ইস্রায়েলীরা মূসার নেতৃত্বে মিসর থেকে বেরিয়ে এসে দক্ষিণ কনান তথা সিরিয়ার প্রান্তে এসে ছাউনি ফেলে। ঐ সময় তিনি নেতৃস্থানীয় বারজনকে কনানে পাঠান, যেন তারা গিয়ে ঐ দেশের প্রয়োজনীয় খবরাখবর -দেশের ভূমি, উৎপন্ন ফসল, শহরগুলোর ধরণ ও তার বাসিন্দাদের গড়ন ইত্যাদি জেনে আসতে পারে, যা তাদেরকে মোকাবেলায় কাজে লাগবে। যাত্রার পূর্বে তিনি তাদেরকে বলে দেন- তারা সেখানে যা কিছু দেখবে, তা যেন প্রথমে তাকে জানায় এবং তার অনুমতি ছাড়া কারও কাছে কোনকিছু না প্রকাশ করে। 


ঐ বারজন তাদের যাত্রা পথে, এক শহরের বাইরে অমালিকা সম্প্রদায়ের আউজ বিন উনূক নামক এক ব্যক্তির মুখোমুখি হল। আউজ কথাবার্তা বলে বুঝতে পারল যে, তারা তাদের সাথে যুদ্ধ করতে এসেছে। তখন সে রেগে গিয়ে তাদের বারজনকে একাই বন্দী করে রাজদরবারে হাজির করে। সেখানে তাদেরকে আটক রাখা হল এবং দরবারে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ চলল। কেউ কেউ বলল, ‘তাদেরকে হত্যা করা হোক।’ আর অন্যেরা বলল, ‘তাদেরকে মুক্তি দেয়া হোক।’ 


অবশেষে সিদ্ধান্ত হয় তাদেরকে মুক্তি দেয়া হবে, যেন তারা ফিরে গিয়ে তাদের সম্প্রদায়ের কাছে অমালিকাদের দৈহিক আকৃতি ও শক্তির কথা বর্ণনা করতে পারে। আর যেন তাদের যুদ্ধের সাধ একেবারেই মিটে যায়। সুতরাং তারা মুক্তি পেল এবং চল্লিশ দিন দেশাটা ঘুরেফিরে দেখে ফিরে এসে মূসাকে সব জানাল। 

মূসা তাদেরকে বললেন, ‘আমরা শহরে ঢুকব কারণ, খোদা আমাদেরকে দেশটা দিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেছেন- ‘‘তোমরা এ জনপদে প্রবেশ কর এবং যেখানে ইচ্ছে যাও ও যা ইচ্ছে খাও, মাথা নীচু করে প্রবেশ কর আর বল, ‘ক্ষমা চাই’ আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করব; আর যারা সৎকর্ম করে তাদের জন্যে আমার দান বাড়িয়ে দেব।’-(২:৫৮) আর তিনি তাদেরকে অাবারও সাবধান করে দিলেন যেন কাউকে কিছু না বলে। কারণ মূসা জানতেন ৪০০ বৎসর মিসরীয়দের গোলামী করে তাদের মানষিক দৃড়তার কিছু্ই অবশিষ্ট নেই। তাছাড়া তাদের তিলকে তাল করার অভ্যাস তো আছে

কিন্তু, শেষপর্যন্ত কাজ হল মূসার নির্দেশের পরিপন্থী। যদিও তারা প্রকাশ্যভাবে কাউকে কিছু বলেনি। কিন্তু প্রত্যেকে স্বীয় বন্ধুর কাছে গোপনে অমালিকাদের শক্তিমত্তার কথা বর্ণনা করল, দু‘জন (ইউশায়া ইবনে নূন ও কালেব বিন ইউকেনা) ছাড়া। এতে দু’ এক দিনের মধ্যেই সকল ইস্রায়েলীর মধ্যে বিতর্ক ছড়িয়ে গেল। একদল বলতে লাগল, ‘তারা এক একজন এক‘শ হাত লম্বা ও ষাট হাত চওড়া।’ অন্যরা বলে চলল, ‘তাদের কেউ সমুদ্রে নামলে পানি তার হাঁটু সমান হয়।’ আর একদল এদেরকেও ছাড়িয়ে গেল। তারা বলল, ‘তারা সমুদ্র থেকে মাছ ধরে সূর্য়্যের আগুণে পুড়িয়ে খায়।’

সুতরাং অমালিকাদের সাথে যুদ্ধের জন্য মূসা যখন সকলকে প্রস্তুতি নিতে বললেন, তখন তারা রাজী হল না। এতে তিনি তাদেরকে বললেন, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা স্মরণ কর আল্লাহর অনুগ্রহ, তিনি তোমাদের মধ্যে থেকে নবী করেছিলেন, তোমাদেরকে রাজ্যের অধিপতি করেছিলেন ও বিশ্বে যা কাউকে দেননি তা তোমাদেরকে দিয়েছিলেন। হে আমার সম্প্রদায়! আল্লাহ তোমাদের জন্যে যে পবিত্রভূমি নির্দিষ্ট করেছেন সেখানে প্রবেশ কর, আর পিছু হোটও না, পিছু হোটলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়বে।’
তারা বলল, ‘হে মূসা! সেখানে এক দুর্দান্ত সম্প্রদায় রয়েছে, আর তারা সেখান থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত আমরা কখনও সেখানে প্রবেশ করব না। তারা সেখান থেকে বের হয়ে গেলেই আমরা প্রবেশ করব।’ -(৫:২০-২২)

এসময় দু’জন, ইউশায়া ও কালেব তাদেরকে সাহস দিয়ে বলেন, ‘তোমরা প্রবেশ দ্বারে তাদের মোকাবেলা কর। প্রবেশ করতে পারলেই তোমাদের জয় হবে। আর তোমরা বিশ্বাসী হয়ে আল্লাহর উপরই নির্ভর কর।’ -(৫:২৩)
কিন্তু বনি ইস্রায়েলীরা যখন তাদের নবী মূসার কথাই বিশ্বাস করছে না, তখন এদের কথা কি করে বিশ্বাস করবে? সুতরাং তারা মূসাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ‘হে মূসা, যতদিন তারা সেখানে থাকবে ততদিন আমরা সেখানে প্রবেশ করব না। সুতরাং তুমি ও তোমার প্রতিপালক যাও ও গিয়ে যুদ্ধ কর।’(৫:২৪) 

এখন মূসা কি করবেন? তিনি তখন খোদার কাছে অভিযোগ করলেন এবং বললেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার ও আমার ভাই ছাড়া অন্যকারও উপর আমার কর্তৃত্ব নেই; সুতরাং তুমি আমাদের ও সত্যত্যাগী সম্প্রদায়ের মধ্যে ফয়সালা করে দাও।’ 
আল্লাহ বললেন, ‘তবে এ চল্লিশ বৎসর তাদের জন্যে নিষিদ্ধ রইল। তারা পৃথিবীতে উদ্ভ্রান্তের মত ঘুরে বেড়াবে। সুতরাং তুমি সত্যত্যাগী সম্প্রদায়ের জন্যে দুঃখ কোরও না।’-(৫:২৫-২৬) 

আর তা আল্লাহ কেন তাদেরকে তাঁহ প্রান্তরে বন্দী করেছিলেন তা আমরা জানতে পারছি। তাঁহ অর্থ পথভ্রষ্ট হয়ে ঘোরা। কনান দেশটি দেখতে যে চল্লিশ দিন লেগেছিল, সেই চল্লিশ দিনের প্রতিদিনের জন্যে এক বৎসর করে মোট চল্লিশ বৎসর ইস্রায়েলীরা ঐ প্রান্তরে নজর বন্দী ছিল। তারা চাইত এখান থেকে বেরিয়ে মিসরে ফিরে যেতে। সারাদিন ঘুরে ঘুরে সন্ধ্যায় তারা নিজেদেরকে ঐস্থানেই পেত যেখান থেকে সকালে রওনা হয়েছিল। এই প্রান্তটির দৈর্ঘ্য ছিল ত্রিশ ফারসেক অর্থাৎ নব্বুই মাইল আর প্রস্থ ছিল নয় ফারসেক বা সাতাশ মাইল। কোরআনে আল্লাহ বলেন- আর তাদের উপর আরোপ করা হল লাঞ্ছনা ও পরমুখাপেক্ষিতা। তারা আল্লাহর রোষানলে পতিত হয়ে ঘুরতে থাকল। এমন হল এ জন্যে যে, তারা আল্লাহর বিধি-বিধান মানত না এবং নবীগণকে অন্যায়ভাবে হত্যা করত। তার কারণ, তারা ছিল নাফরমান, সীমালঙ্ঘনকারী।-(২:৬১)

এবার মূল কথায় আসি- ঠিক এমনিভাবে যেভাবে ইস্রায়েলীরা তথ্যকে বাড়িয়ে বলত, তেমনিভাবে তারা তাদের ধর্মীয় পুস্তকগুলোকেও তাদের মত করে পরিবর্তণ করে নেয়। [উদাহরণ স্বরূপ, নবী মূসার চাচাত ভা ইস্রায়েলীদের মধ্যে সর্বাধিক ধনী ব্যক্তি ছিলেন। কতটা ধনী ছিলেন তার বর্ণনায় Jewish Talmud says- "The keys to Korah's treasure house was a load for 300 white mules and the keys and locks were leather." -Sanhedrin 110a; Pesachim 119a]. আর মুসলিম লেখকগণ তা কপি-পেস্ট করেছেন কোন রকম যাঞ্চাই বাঁছাই ছাড়াই। ফলে আমরা নমরূদের সৈন্যসংখ্যা একজনের কাছ থেকে পাচ্ছি ৬০ লক্ষ। আর অন্যজন যদিও সংখ্যা উল্লেখ করেননি সম্ভবত তার সূত্র জোরালো ছিল না তাই, তথাপি তার বর্ণনায় যা এসে পড়েছে তা আরও ভয়ানক। তিনি উল্লেখ করেছেন বার বর্গমাইল জায়গায় নমরুদের সেনাবাহিনী ছাউনি ফেলেছিল। আর এসব মুসলিম লেখক দেখেন যে ইহুদিরা কিতাবধারী, সুতরাং তথ্যটা সত্য ধরা যায়, কেননা কোরআনে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি। কিন্তু ঐ আমলে সারা মিসরে ৬০ লক্ষ লোক থাকা সম্ভব কিনা  বা বার বর্গমাইলে ছাউনি ফেলতে হলে সৈণ্য সংখ্যা কত হতে হবে, এসব সাধারণ জ্ঞান তারা ব্যবহার করেননি। 

যা হোক, আমি আর কি বলব, আমার অনেক আগেই ইবনে খালদুন বলে বসে আছেন- “Historians, Qur'an commentators and leading transmitters have committed frequent errors in the stories and events they reported. They accepted them in the plain transmitted form, without regard for its value. They did not check them with the principles underlying such historical situations, nor did they compare them with similar material. Also, they did not probe (more deeply) with the yardstick of philosophy, with the help of knowledge of the nature of things, or with the help of speculation and historical insight. Therefore, they strayed from the truth and found themselves lost in the desert of baseless assumptions and errors.”- (al-Muqaddimah p-59),. 

প্রথিতযশা তফসিরকারী, ঐতিহাসিক, ও হাদিস সংকলকদের উপস্থাপিত তথ্য বিশ্লেষণের পর ইবনে খালদুন কেন এমন বলেছেন বা কেন ইহুদি-খৃষ্টান পন্ডিতগণ ’সত্য-মিথার পার্থক্যকারী’ বলে দাবী করার পর তার আলোকে তাদের ধর্মগ্রন্থগুলো সংশোধন না করে বরং খোদ কোরআনকেই তাদের কাছ থেকে ইতিহাস ধারকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে ১৪০০ বৎসর ধরে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং খোদায়ী ঐ কিতাবের দিকে আঙ্গুল তুলতে সাহস করছে তা এখন পাঠক নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। 

Source: 
 Qur'an;
 Bible;
 Book of Chamis by Husein ibn Muhammed;
 Book of Jasher (Sefer ha-Yashar);
 Book of Jubilee;
 Gospel of Barnabas;
• Pirḳe de Rabbi Eliezer, Tr. Gerald Friedlander,1916;'
 History of the Prophets and Kings by Tabari;

 Cheyne and Black, Encyc. Bibl.;
• Sayce, ib. ii. 243 et seq.;
Jeremias, Izdubar Nimrod, Introduction, Leipsic, 1891;
Pinches, The Old Testament;
Rubin, Birusi ha-Kasdi, Vienna, 1882.
D'Herbelot, Bibliothèque Orientale;
Hughes, Dictionary of Islam;
Mas'udi, Muruj al-Dhahab, ed. Barbier de Meynard;
Mirkhond, Raudat al-Safa, Eng. transl. by Rehatsek;
Ṭabari, Chroniques, transl. by Zotenberg, i. 120, 136 et seq., Paris, 1867.

৪টি মন্তব্য:

  1. Nice Post about Ferauon.
    http://amarprioma.blogspot.com

    উত্তরমুছুন
  2. নামহীন১:২৪ pm

    Jini ei Articletake Faltu bolechen tini musolamner ghore jonmo kina amar sondeho ache... kurane jekhane ei ghotonar sottota bohon kore, Sekhane ei articleta ke faltu bole uni etai proman korlen je uni maybe omuslim

    উত্তরমুছুন
  3. নামহীন৪:৫৫ pm

    ALLAH KONO TOSCO MONA KORA OCETE NOE.ALLAH POTACK MANOS MODA TAKA.

    উত্তরমুছুন
  4. ek Allah ke shobai voy koro, somman koro, vokti koro karon Tini-ee amader ekmatro Protipalok. Tini chara r kono upassho nai. Tini-ee jibon dankari, Tini-ee mrittu dankari, abar Tini-ee amaderke punoray jagroto korben. Tar kachei amader fire jete hobe. Tini mohan, Tini-ee ek Shotta, Tini-ee kiyamot dibosher malik, Tini-ee bichar dibosher malik. amra sudhu tar-ee ibadat korbo. Tini-ee ei vu mondol o novomondoler alik, Tini-ee shorboshoktiman ek Allah... .. .

    Faisal Tanvir Rupam

    উত্তরমুছুন