pytheya.blogspot.com Webutation

১ মার্চ, ২০১২

Jonah: যদি আল্লাহর পবিত্র মহিমা আবৃত্তি না করত।


২য় যারবিয়াম যখন ক্ষমতাসীন হয় তখন আশে পাশের রাজ্যগুলি দুর্বল অবস্থায় ছিল। এই সুযোগের পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করলেন যারবিয়াম। তিনি রাজ্যের পর রাজ্য পদানত করে, রাজ্যসীমা দক্ষিণে মরুসাগর ও উত্তরে হমাতের প্রবেশ স্থান পর্যন্ত বর্ধিত করলেন যা প্রায় দাউদ ও শলোমনের রাজ্যের সমান ছিল। দখলীকৃত রাজ্যের রাজস্ব ও বিস্তৃত বাণিজ্যের সুযোগের ফলে তার রাজ্য দ্রুত সমৃদ্ধি ও উন্নতি লাভ করল। এটি ছিল ধর্মবিহীন সম্পদের যুগ ও নৈতিকতাহীন অর্থের যুগ।

নীনেভ নগরীর মাকসি প্রবেশদ্বার।
এসময় নবী ইউনুচ (Jonah) নব্যুয়ত প্রাপ্ত হলেন। তিনি ছিলেন অমিত্তয়ের পুত্র এবং তার জন্ম ছোট একটি গ্রামে, যেটি বর্তমানের নাসারত নগর থেকে সামান্য উত্তরে ছিল। চল্লিশ বৎসর বয়সে তিনি নব্যুয়ত প্রাপ্ত হন।

আল্লাহ ইউনুচকে উত্তর পূর্বের উদীয়মান শক্তি অশুররাজ্যের রাজধানী নীনেভ গিয়ে, সেখানকার লোকদের কাছে অনুতাপ বা মন ফেরানোর বিষয় প্রচার করতে আদেশ করেছিলেন। নীনেভ এর লক্ষাধিক জনগোষ্ঠির প্রায় সকলেই ছিল মূর্তিপূজক। 

নীনেভ গিয়ে ইউনুচ সেখানকার অধিবাসীদেরকে এই আহবান জানালেন, ‘হে নীনেভবাসী! এক আল্লাহ ভিন্ন অন্য উপাস্য নেই। আমি তাঁরই প্রেরিত রসূল। তোমরা আমাকে অনুসরণ কর এবং তাঁরই এবাদত কর।’

নীনেভবাসীকে সতর্ক করছেন ইউনূচ।
তারা বলল, ‘হে ইউনুচ! আমরা কিছুতেই তোমার কথায় আমাদের দেবদেবীদের উপাসনা পরিত্যাগ করব না।’
তিনি বললেন, ‘তোমরা যা করছ তা করতে থাকলে তোমাদের উপর আযাব নাযিল হবে। আর পরকালেও তোমরা কঠিন শাস্তির সম্মুখীণ হবে।’
তারা বলল, ‘হে ইউনুচ! তুমি আমাদের বল, কোন ধরণের আযাব আমাদের উপর নাযিল হবে?’
তিনি বললেন, ‘তা একমাত্র আল্লাহই জানেন।’
তারা বলল, ‘তবে আমাদের বল, কখন আমাদের উপর এরূপ আযাব নাযিল হবে?’
তিনি বললেন, ‘আমি তা জানি না।’

এভাবে লোকেরা ইউনুচের অবাধ্যতা প্রদর্শণ করল এবং তাকে পাগল আখ্যায়িত করে তার প্রতি ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করল। অতঃপর যখনই তার সাথে কারও দেখা হত, তখনি সে বলত, ‘হে ইউনুচ! আমাদের উপর আযাব আর কবে আসবে? আমরা তো অপেক্ষা করতে করতে অধৈর্য্য হয়ে পড়েছি।’

ইউনূচ এই অবাধ্য লোকদের উপর রুষ্ট হয়ে আল্লাহর আদেশ পালনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে পশ্চিমে সমুদ্র বন্দর যাফো (Joppa)-তে গমন করলেন এবং স্পেনের তার্শিস (Tarshish) গামী জাহাজের টিকেট ক্রয় করে তাতে উঠে পড়লেন। 

তার্শিশগামী জাহাজের পথে ইউনূচ।
আল্লাহর পরিস্কার নির্দেশ ছাড়াই ইউনুচ নীনেভ পরিত্যাগ করে চলে এসেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন এতে নিশ্চয় তিনি তাকে ধরপাকড় করবেন না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। ফলে মাঝ সমুদ্রে একপ্রবল, প্রলয়ঙ্কারী ঝড় উঠল। আর তাতে জাহাজটা ডুবে যাবার উপক্রম হল। নাবিকেরা ভয় পেয়ে প্রত্যেকে নিজ নিজ দেবতার কাছে কান্নাকাটি করতে লাগল।

তাকে ছুঁড়ে ফেলা হল।
জাহাজের ভার কমাবার জন্যে লোকেরা তাদের মালপত্র সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছিল। ইউনুচ কিন্তু জাহাজের খোলে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। জাহাজের ক্যাপ্টেন তাকে নিরুদ্বিগ্ন ভাবে ঘুমিয়ে থাকতে দেখে বড়ই অবাক হলেন। তিনি এগিয়ে এসে তাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললেন, ‘তুমি কেমন করে ঘুমাচ্ছ? উঠে তোমার দেবতাকে ডাক? তিনি হয়তঃ আমাদের দিকে মনোযোগ দেবেন আর তাতে আমরা ধ্বংস হব না।’

এই জাহাজের লোকদের মধ্যে থেকে কোন এক অলক্ষুণে গণক এসময় ঘোষণা করল, ‘জাহাজেই এমন একজন যাত্রী আছে যার উপস্থিতিই এই ঝড়ের কারণ।’
নাবিকেরা বলল, ‘এসো, আমরা গুলিবাঁট করে দেখি।’

তারা গুলিবাঁট করলে ইউনুচের নাম উঠল। নাবিকেরা তাকে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি আমাদের বল, এই যে বিপদ আমাদের উপর এসেছে তার জন্যে কি দায়ী? তুমি কোন দেশের, কোন জাতির লোক?’
তিনি বললেন, ‘আমি একজন ইব্রীয়। আর আমি আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছি। সম্ভবতঃ এই ঝড়ের জন্যে আমিই দায়ী।’ 
তারা বলল, ‘সমুদ্র যাতে শান্ত হয় সেজন্যে এখন তোমাকে নিয়ে আমরা কি করব?’
তিনি বললেন, ‘আমাকে সমুদ্রে ফেলে দিন।’

মাছ সমুদ্রতীরে ইউনূচকে উগরে দিল।
জাহাজের সমস্ত লোক তাদের জীবন বাঁচাতে ইউনুচকে সমুদ্রবক্ষে নিক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিল এবং তাকে ছুঁড়ে ফেলা হল। লোকেরা এরপর তাদের নিজ নিজ দেবতার উদ্দেশ্যে বলল, ‘হে আমাদের দেবতা! এই লোকের মৃত্যুর জন্যে তুমি আমাদের দায়ী কোরও না।’

পানিতে পড়ে ইউনুচ তলিয়ে গেলেন। তার মাথায় সাগরের শ্যাওলা জড়িয়ে গেল। এসময় এক বিরাট মাছ ("ketos megas" ie. "huge fish") কোত্থেকে যেন ছুটে এসে তাকে টুপ করে গিলে ফেলল। মাছের পেটে থাকা অবস্থায় তিনি নিজেকে ধিক্কার দিতে লাগলেন আর আল্লাহকে স্মরণ করতে লাগলেন। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন এবং কান্নাকাটি করলেন-‘লা ই লাহা ইল্লা আন্তা সোবহানাকা ইন্নি কুন্তুম মিনাজ্জ্বলেমিন। অর্থ- হে আল্লাহ, তুমি ব্যতিত কোন উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ, আমি গোনাহগার।’

অতঃপর আল্লাহ তার আহবানে সাড়া দিলেন এবং তাকে দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করলেন। ইউনূচ ছিলেন বিশ্বাসী; আর আল্লাহ তো বিশ্বাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকেন।

তিন দিন পর আল্লাহর নির্দেশে মাছটি ইউনূচকে তার নিজ দেশস্থ সমুদ্র তীরে উগরে দিল। মাছের পেটে থাকার জন্যে তার গায়ের লোম উঠে গিয়েছিল, ত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। আর তিনি ক্ষুধার্ত এবং দূর্বল ছিলেন। আর এতটাই দূর্বল ছিলেন যে সূর্যের উত্তাপ থেকে নিজেকে রক্ষা করার মত শক্তিও তার অবশিষ্ট ছিল না।

নীনেভ নগরী। 
আল্লাহর ইচ্ছায় তখন তার মাথার কাছে একটি লাউ গাছ জন্ম নিল। গাছটি অসম্ভব দ্রুততার সাথে বেড়ে উঠে তাকে ছায়া প্রদান করে তার কষ্ট লাঘব করল। আর এক পাহাড়ী ছাগল এসে তাকে সকাল বিকেল দুধ পান করাল। পরদিন আল্লাহ পাঠালেন এক পোঁকা, সেটি সেই লাউ গাছকে কেটে দিলে সূর্য্যরে তাপে গাছটি শুকিয়ে গেল। ইউনুচ সবুজ সতেজ ঐ গাছটার জন্যে মনে কষ্ট অনুভব করলেন।  
ইউনুচ যখন সুস্থ্য হলেন, তখন আল্লাহ পুনঃরায় তাকে নীনেভ যেতে আদেশ করলেন। এবার তিনি আদেশ অনুসারে সেখানে গেলেন এবং নীনবী নগরের সমস্ত রাজপথ গুলিতে ঘুরে ঘুরে সতর্ক বাণী ঘোষণা করলেন। তিনি লোকদের অনুতাপ করতে এবং মন ফেরাতে বারংবার আহবান জানালেন এবং ঘোষণা করলেন- ‘অন্যথায় চল্লিশ দিন পর নীনেভ ঐশী রোষানলে ধ্বংস হয়ে যাবে।’ 

নীনেভ নগরী ও নগরদ্বারসমূহ। 
ইউনুচের এই সতর্ক বাণী অশুররাজের কানেও পৌঁছিল। তিনি নগরবাসীদের রোজা রাখতে এবং ইউনুচের প্রতিপালকের কাছে নিজেদেরকে নত করতে আদেশ করলেন এবং নিজেও সিংহাসন থেকে উঠলেন; গায়ের শাল রেখে দিলেন এবং চট পরিধান করে প্রার্থণায় বসলেন।

শহরের অধিবাসীরা অনতি বিলম্বে শিরক ও কুফর থেকে তওবা করে নিল এবং আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা লোকালয় ছেড়ে জঙ্গলে চলে গেল। এসময় তারা চতুষ্পদ জন্তু ও তাদের শাবকও সাথে করে নিয়ে গিয়েছিল। সেখানে শাবকগুলো তাদের মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে পড়েছিল। সেখানে সকলে চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করে দিল এবং কাকুতি মিনতি সহকারে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থণা করতে লাগল। জন্তুদের শাবকগুলো তাদের মায়েদের কাছ থেকে আলাদা হয়ে পড়ার কারণে তারা পৃথক শোরগোলের সৃষ্টি করেছিল। তাদের প্রতি দয়া করার জন্যে, তাদের ক্রন্দন এসময় আল্লাহ শ্রবণ করলেন। এর ফলে এক লক্ষ বিশ হাজার লোক অধ্যুষিত ঐ নগরীর অধিবাসীগণ পার্থিব জীবনে অপমানকর শাস্তি থেকে মুক্ত হল ও কিছুকালের জন্যে তাদের জীবন উপভোগ করার সুযোগ লাভ করল।

এদিকে ইউনুচ শহরের বাইরে গিয়ে পূর্বদিকে একটা চালা তৈরী করে তার ছায়ায় বসে বাণী ফলার অপেক্ষা করতে লাগলেন। একে একে চল্লিশ দিন পার হল, কিন্তু কিছুই ঘটল না। তিনি জানতে পারলেন লোকেরা সুস্থ্য ও নিরাপদে দিন গুজরান করছে।

নীনেভ, আদাদ গেট।
তখন তিনি চিন্তান্বিত হলেন এই ভেবে যে, এখন সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেলে তারা তাকে মিথ্যেবাদী সাব্যস্ত করবে এবং তাকে হত্যা করবে। তাই তিনি আল্লাহর কাছে অভিযোগ করে বললেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি দেশে থাকতেই জানতাম এরকম হবে। সেই জন্যেই তো আমি তার্শীশে পালিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি জানতাম তুমি দয়াময় ও মমতায় পূর্ণ। তুমি সহজে অসন্তুষ্ট হও না, তোমার অটল ভালবাসার সীমা নেই। কিন্তু হে আল্লাহ! আমি এখন কি করে লোকদের কাছে আমার মুখ দেখাব? আমি তো এখন মিথ্যেবাদী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে গেছি। সুতরাং আমাকে তুলে নাও, মৃত্যুই এখন আমার জন্যে উত্তম।’ ("O LORD, is not this what I said when I was yet in my country? That is why I made haste to flee to Tarshish; for I knew that you are a gracious God and merciful, slow to anger and abounding in steadfast love, and relenting from disaster. Therefore now, O LORD, please take my life from me, for it is better for me to die than to live."-Jonah 4:2-3)

আল্লাহ বললেন, ‘হে ইউনুচ! সেই লাউ গাছের কথা স্মরণ কর। তুমি যদিও সেই গাছটার জন্যে কোন পরিশ্রম করনি বা সেটাকে বড় করে তোলনি; ওটা তো এক রাতেই গজিয়েছিল এবং এক দিনেই মরে গিয়েছিল তবুও তুমি ঐ সামান্য লাউ গাছের জন্যে মনে কষ্ট পেয়েছিলে, তাহলে লক্ষ লোকের জন্যে আমার মনে কষ্ট হবে না কেন?’ (God then points out: "You are concerned about the bush, for which you did not labour and which you did not grow; it came into being in a night and perished in a night. And should I not be concerned about Nineveh, that great city, in which there are more than a hundred and twenty thousand people who do not know their right hand from their left, and also many animals? -NRSV")

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ- ইউনুচও ছিল পয়গম্বরদের একজন।(৩৭:১৩৯) সে ক্রুদ্ধ হয়ে চলে গিয়েছিল। অতঃপর মনে করেছিল যে আমি তাকে ধৃত করতে পারব না। অতঃপর সে অন্ধকারের মধ্যে আহবান করলঃ তুমি ব্যাতীত কোন উপাস্য নেই; তুমি নির্দোষ আমি গোনাহগার। অতঃপর আমি তার আহবানে সাড়া দিলাম এবং তাকে দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করলাম। আমি এমনিভাবে বিশ্বাসীদেরকে মুক্তি দিয়ে থাকি।(২১:৮৭-৮৮) 

সে যখন পালিয়ে বোঝাই জাহাজে উঠল। তারপর (জাহাজ অচল হওয়ায়) আরোহীদের মধ্যে কে অলুক্ষণে তার ভাগ্য পরীক্ষায় সে বাদ পড়ল। পরে এক বিরাট মাছ তাকে গিলে ফেলল। আর সে (নিজেকে) ধিক্কার দিতে লাগল। সে যদি আল্লাহর পবিত্র মহিমা আবৃত্তি না করত, তাহলে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত তাকে মাছের পেটেই থাকতে হত। তারপর ইউনুচকে আমি এক তৃণহীন প্রান্তরে ফেলে দিলাম, আর (তখন) সে অসুস্থ্য ছিল। পরে তাকে ছায়া দেবার জন্যে আমি এক লাউগাছ গজালাম। তাকে আমি লক্ষ বা তারও বেশী লোকের কাছে পাঠিয়েছিলাম। আর তারা তাকে বিশ্বাস করেছিল। তাই আমি তাদেরকে কিছুকালের জন্যে জীবন উপভোগ করতে দিলাম।’(৩৭:১৪০-১৪৮)

ইউনুচের সম্প্রদায় ছাড়া অন্য কোন জনপদবাসী কেন এমন ছিল না, যারা বিশ্বাস করতে পারত ও তাদের বিশ্বাসের দ্বারা উপকৃত হতে পারত? তারা যখন বিশ্বাস করল তখন আমি তাদের পার্থিব জীবনে অপমানকর শাস্তি থেকে মুক্ত করলাম ও কিছুকালের জন্যে জীবন উপভোগ করতে দিলাম।’(১০:৯৮) 

নবী ইউনুচের প্রচার দ্বারা নীনেভ রক্ষা পাবার পর তার উত্তরোত্তর জাগরণ ঘটে। নীনেভ তখন ইস্রায়েলের জন্যে হুমকি স্বরূপ হয়ে উঠেছিল। এই হুমকি সত্ত্বেও ইস্রায়েলীরা তাদের বস্তুগত সমৃদ্ধি উপভোগ করতে থাকল। তারা নিজেদেরকে নৈতিক অনাচার এবং আর্থিক অবক্ষয়ের মুখে সমর্পন করল, যা একসময় তাদের অস্তিত্বের জন্যে হুমকি স্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়।

বি:দ্র: ইউনূচের কাহিনী যেমন ইন্টারেস্টিং তেমনি শুরু থেকেই পৌত্তলিকদের কাছে তা ছিল সমালোচিত। অগাস্টিন হিপোর পত্র থেকে আমরা এটা জেনেছি যে তারা প্রশ্ন উত্থাপন করেছিল বিজ্ঞানের ছাত্রদের মতই- "what are we to believe concerning Jonah, who is said to have been three days in a whale’s belly? The thing is utterly improbable and incredible, that a man swallowed with his clothes on should have existed in the inside of a fish. If, however, the story is figurative, be pleased to explain it. Again, what is meant by the story that a gourd sprang up above the head of Jonah after he was vomited by the fish? What was the cause of this gourd’s growth?” -আর এসব প্রশ্ন তাদের নিকট কৌতুক ও হাস্যরসের খোরাক ছিল।

সমাপ্ত।
ছবি: Wikipedia, vitamin-c-online, kids.aciweb, imninalu, workersforjesus.

1 টি মন্তব্য: