pytheya.blogspot.com Webutation

৪ মার্চ, ২০১২

ibn Ubayy: মুরাইসি কূপের অপ্রীতিকর ঘটনা।

নভেম্বর-ডিসেম্বর ৬২৭ সি.ই বনি মুস্তালিকদের বিরুদ্ধে একটি অভিযান প্রেরিত হল। এসময় পর্যন্ত এই গোত্র মুসলমানদের সঙ্গে সৌহার্দের সম্পর্কে আবদ্ধ ছিল। কিন্তু সম্প্রতি তাদের গোত্রপ্রধান হারিস বিন আবু দিদার কর্তৃক প্ররোচিত হয়ে তারা তাদের আনুগত্যের বন্ধন ছিন্ন করল এবং মদিনার শহরতলী লুন্ঠন করল। 

এ সংবাদ পেয়ে নবীজী একদল মুজাহিদসহ তাদের মোকাবেলা করার জন্যে বের হলেন। আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইয়ের নেতৃত্বে একদল মুনাফেকও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের অংশীদার হওয়ার লোভে এই দলের সঙ্গে গেল। কেননা, এই মুনাফেকরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করত যে, আল্লাহর সাহায্যে নবী মুহম্মদ অবশ্যই বিজয়ী হবেন। 

নবীজী মুজাহিদদের নিয়ে মুস্তালিক গোত্রের বাসস্থানের কাছে মুরাইসি কূপের কাছাকাছি পৌঁছে হারিস বিন আবু দিদারের বাহিনীর সম্মুখীণ হলেন। উভয়পক্ষ সাঁরিবদ্ধ হয়ে তীর বর্ষণের মাধ্যমে প্রাথমিক মোকাবেলা করল। এতে মুস্তালিক গোত্রের বহুলোক হতাহত হল, অধিকাংশ পলায়ন করল এবং বাকীরা বন্দী হল। যারা বন্দী হল, তাদের মধ্যে ছিলেন মুস্তালিক গোত্র প্রধান হারিস বিন আবু দিদার কন্যা জুওয়াইরিয়া।

যাহোক, মুস্তালিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত সফল অভিযানের পর অত:পর যখন মুজাহিদ বাহিনী ঐ মুরাইসি কূপের কাছেই সমবেত ছিল, তখন কূপের পানি উত্তোলনকে কেন্দ্র করে এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেল। 

মুনাফেক নেতা আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই (Abd-Allah ibn Ubayy) তার এক গোলাম সেনানাকে কূপ থেকে পানি উত্তোলনের জন্যে প্রেরণ করলেন। সে কূপের কাছে গিয়ে দেখল ওমরের এক গোলাম জাহজাহ কূপের কিনারায় বসে পানি তুলে দু‘টি মশক পূর্ণ করছে।
সেনানা বলল, ‘আমাকে পানি তুলতে দাও।’
জাহজাহ বলল, ‘রসূলুল্লাহ ও হযরত আবু বকরের মশক পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবে।’

সেনানা অপেক্ষা করতে রাজী হল না। সুতরাং তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে হাতাহাতির সীমা অতিক্রম করে গেল। যখন পারস্পরিক সংঘর্ষের পর্যায়ে গেল, তখন মোহাজির জাহজাহ সাহায্যের জন্যে মোহাজিরদেরকে এবং আনসার সেনানা আনসারদেরকে ডাক দিল। নবীজী এটা জানতে পেরে দ্রুত সেখানে ছুটে এলেন এবং বললেন, ‘মূর্খতা যুগের আহবান বন্ধ কর। দেশ ও বংশগত জাতীয়তাকে ভিত্তি করে সাহায্য-সহযোগিতার আয়োজন হচ্ছে কেন? তোমরা কি আবার জাহেলিয়াতের যুগে ফিরে যাবার ইচ্ছে কর?
--প্রত্যেক মুসলমানের উচিৎ অপর মুসলমানকে সাহায্য করা- সে জালেম হোক বা মযলুম। মযলুমকে সাহায্য করার অর্থ তাকে জুলুম থেকে রক্ষা করা। আর জালেমকে সাহায্য করার অর্থ তাকে জুলুম থেকে নিবৃত্ত করা।’

এই উপদেশবাণী শোনামাত্রই ঝগড়া মিটে গেল। অতঃপর নবীজী ওবায়দা ইবনে সামেতকে ঘটনার কারণ তদন্ত শেষে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেন। অার তদন্তে জাহজাহর বাড়াবাড়ি প্রমাণিত হল। সে সেনানাকে আঘাত করে আহত করে ফেলেছিল। তখন ওবায়দার মধ্যস্থতায় জাহজাহ ক্ষমা প্রার্থনা করলে সেনানা তা কবুল করে নিল।

এদিকে সেনানা পানি নিয়ে ফিরে এলে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই তার বিলম্বের কারণ জিজ্ঞেস করলেন। সেনানা বলল, ‘হযরত ওমরের এক গোলাম কূপের কিনারায় বসে ছিল। সে রসূলুল্লাহ ও হযরত আবু বকরের মশক পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে পানি তোলার অনুমতি দিল না।’

সম্পূর্ণ ঘটনা শুনে উবাই একে মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির এক সূবর্ণ সুযোগ মনে করলেন। তিনি তার সঙ্গে সেখানে উপস্থিত তার গোত্রের মজলিসে, আনসারদেরকে মোহাজিরদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত করতে বললেন, ‘তোমরা মোহাজিরদেরকে দেশে ডেকে এনে অতঃপর নিজেদের ধন-সম্পদ ও সহায়-সম্পত্তি তাদের মধ্যে বন্টন করে দিয়ে তাদেরকে মাথায় চড়িয়েছ। জান তো কুকুরকে মোটাতাজা করলে সে তার প্রভুরই ঘাড় মটকায়। যদি তোমাদের এখনও জ্ঞান ফিরে না আসে, তবে পরিণামে এরা তোমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তুলবে। সুতরাং তোমরা মদিনায় ফিরে গিয়ে সম্মানীরা (অনসাররা) এসব বাজে লোকদেরকে (মুহম্মদ ও মোহাজিরদের) বহিঃস্কার করে দেবে।’

উবাইয়ের গোত্রের ঐ মজলিসে একজন মুমিন মুসলমান যায়েদ ইবনে আরকাম উপস্থিত ছিল। সে একথা শুনে সরাসরি নবীজীর কাছে গেল এবং আদ্যপান্ত ঘটনার বিবরণ দিল। গুরুতর এই সংবাদটি শুনে নবীজীর মুখমন্ডলে পরিবর্তণের রেখা ফুটে উঠল। তিনি বললেন, ‘তুমি ভালকরে ভেবে দেখ কথাটি সত্য কি-না?’
যায়েদ বলল, ‘আমি স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে নিজ কানে একথা শুনেছি।’

উবাইয়ের এই কথা গোটা মুসলিম বাহিনীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল। আর সকল আনসাররা যায়েদকে তিরস্কার করতে লাগলেন। যায়েদ বলল, ‘যদি আমার পিতাও এমন কথা বলতেন, তবে তা আমি রসূলুল্লাহর গোচরীভূত করতাম।’

এদিকে ওমর একথা জানতে পেরে নবীজীকে বললেন, ‘আপনি আদেশ করুন, আমি এখনি এই মুনাফেকটার মাথাটা কেটে এনে আপনার সামনে উপস্থিত করি।’

Muhammad naturally turned down Omar's proposal on the grounds that it did not become of a Prophet to be accused of killing his people. And he said to Omar, "Don’t you see ‘Omar if I had him killed, a large number of dignitaries would have furiously hastened to fight for him. Now, on the contrary, if I ask them to kill him, they will do so out of their own free will."

Omar replied, "I swear by Allah that the Prophet’s judgement is much more sound than mine." 

এদিকে ওমরের একথা শুনতে পেয়ে উবাই পুত্র আব্দুল্লাহ যিনি একজন মুমিন মুসলমান ছিলেন, নবীজীর কাছে হাযির হয়ে বললেন, ‘আল্লাহ স্বাক্ষী, আমার গোত্রের মধ্যে আমি কতটা আমার পিতামাতার সেবা ও আনুগত্যকারী। কেউ আমার পিতাকে হত্যা করে চোখের সামনে চলাফেরা করছে দেখলে আমি হয়তঃ আত্মসম্বরণ করতে পারব না। সুতরাং হে রসূলুল্লাহ! যদি আপনি এসব কথাবার্তার কারণে তাকে হত্যা করার ইচ্ছে পোষণ করেন, তবে আমাকে আদেশ করুন, আপনার এই মজলিস ত্যাগ করার পূর্বেই আমি তার কর্তিত মস্তক আপনার পদতলে এনে রাখব।’
নবীজী বললেন, ‘তাকে হত্যার ইচ্ছে আমার নেই, কাউকে এ বিষয়ে আদেশও করিনি?’

নবীজী সাধারণ অভ্যাসের বিপরীতে অসময়ে সফর শুরু করার কথা ঘোষণা করে দিলেন। লোকেরা রওনা হল। এসময়ে তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উবাইকে ডেকে এনে বললেন, ‘তুমি কি বাস্তবিকই এরূপ কথা বলেছ?’
তিনি বললেন, ‘আমি কখনও এরূপ বলিনি। এই বালক যায়েদ একটা মিথ্যেবাদী।’

স্বগোত্রে আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর যথেষ্ট প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল। তাই নবীজী ধরে নিলেন সম্ভবতঃ যায়েদ ভুল বুঝেছে, আসলে তিনি একথা বলেননি। তার এই মনোভাবের প্রতিফলন সকলের মধ্যে পড়ল। ফলে যায়েদের উপর সকলের তিরস্কার আরও তীব্র হয়ে গেল। এ কারণে সে অপমানের ভয়ে গা ঢাকা দিয়ে চলতে লাগল।

একদিন একরাত সফর শেষে লোকেরা ক্লান্ত হয়ে পড়ল। সুতরাং বিশ্রাম নিতে ছাউনি ফেলা হল একস্থানে। ওবায়দা ইবনে সামেত উবাইকে বললেন, ‘আপনি হযরতের কাছে গিয়ে অপরাধ স্বীকার করে নিন।’

উবাই অপরাধ স্বীকার করতে রাজী ছিলেন না। সুতরাং সামেতের কথায় তিনি মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিলেন। এ সময় এই আয়াতসমূহ নাযিল হল- 

“মুনাফেকরা তোমার কাছে এসে বলে, ‘আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি নিশ্চয় আল্লাহর রসূল। আল্লাহ জানেন যে, তুমি অবশ্যই আল্লাহর রসূল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, মুনাফেকরা অবশ্যই মিথ্যেবাদী। তারা তাদের শপথসমূহকে ঢাল স্বরূপ ব্যবহার করে। অতঃপর তারা আল্লাহর পথে বাঁধা সৃষ্টি করে। তারা যা করছে তা খুবই মন্দ। এটা এজন্যে যে, তারা বিশ্বাস করার পর পুনঃরায় অবিশ্বাসী হয়েছে। ফলে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে। অতএব তারা বুঝে না। 

তুমি যখন তাদেরকে দেখ, তখন তাদের দেহাবয়ব তোমার কাছে প্রীতকর মনে হয়। আর যদি তারা কথা বলে, তবে তুমি তাদের কথা শুন। তারা প্রাচীরে ঠেকান কাঠ সদৃশ। প্রত্যেক শোরগোলকে তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। তারাই শত্রু, অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক হও। ধ্বংস কর আল্লাহ তাদেরকে। 

তারা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছে? যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা এস, আল্লাহর রসূল তোমাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন, তখন তারা মাথা ঘুরিয়ে নেয় এবং তুমি তাদেরকে দেখ যে, তারা অহংকার করে মুখ ফিরিয়ে নেয়। তুমি তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থণা কর, আর না কর-উভয়ই সমান। আল্লাহ কখনও তাদেরকে ক্ষমা করবেন না। আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে পথপ্রদর্শণ করেন না। তারাই বলে, ‘আল্লাহর রসূলের সাহচর্যে যারা আছে তাদের জন্যে ব্যয় কোরও না। পরিণামে তারা আপনা আপনি সরে যাবে।’

ভূ ও নভঃমন্ডলের ধন-ভান্ডার আল্লাহরই কিন্তু মুনাফেকরা তা জানে না। তারা বলে, ‘আমরা যদি মদিনায় প্রত্যাবর্তণ করি তবে সেখান থেকে সবল অবশ্যই দুর্বলকে বহিস্কৃত করবে।’
শক্তি তো আল্লাহ, তাঁর রসূল ও মুমিনদেরই কিন্তু মুনাফেকরা তা জানে না।” -(৬৩: ১-৯)

এই আয়াতসমূহ নাযিল হওয়ার পর উবাইয়ের হিতাকাঙ্খীরা তাকে বলল, ‘আপনি কি জানেন আপনার সম্পর্কে কোরআনে কি নাযিল হয়েছে? এখনও সময় আছে আপনি নবীজীর কাছে গিয়ে অপরাধ স্বীকার করে নিন। তিনি আপনার জন্যে হয়তঃ আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করবেন।’

উবাই উত্তেজিত কন্ঠে বললেন, ‘তোমরা আমাকে বিশ্বাস স্থাপন করতে বলেছিলে- আমি বিশ্বাস স্থাপন করেছি। এরপর তোমরা আমাকে অর্থ-সম্পদের যাকাত দিতে বলেছিলে- আমি তাও দিতেছি। এখন আর কি বাকী রইল? আমি কি মুহম্মদকে সিজদা করব?’

মদিনার উপকন্ঠে আকিক উপত্যাকায় উবাই পুত্র আব্দুল্লাহ তার পিতার উটকে বসিয়ে দিলেন। তিনি অতঃপর উটের হাঁটুতে পা রেখে পিতাকে বললেন, ‘আল্লাহর কসম! তুমি কিছুতেই মদিনায় পৌঁছুতে পারবে না, যে পর্যন্ত না তুমি ‘সম্মানি বাজে লোককে বহিস্কৃত করবে’- এই কথা ব্যাখ্যা না কর।’

পুত্র পিতার পথ রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। যারা এই পথ অতিক্রম করছিল তারাই আব্দুল্লাহকে তিরস্কার করছিল। এসময় নবীজী সেখানে এসে পৌঁছিলেন, উবাই তখনও বেগতিক দেখে পুত্রের কাছে বলে চলেছেন, ‘আমি তো ছেলেপিলে ও নারীদের চাইতেও অধিক লাঞ্ছিত।’
সঙ্গীরা নবীজীকে এসে জানালেন, ‘আব্দুল্লাহ তার পিতার পথ রুদ্ধ করেছেন এই বলে যে, রসুলুল্লাহর অনুমতি ব্যতিত তিনি শহরে প্রবেশ করতে পারবেন না।’
তখন নবীজী এগিয়ে এসে আব্দুল্লাহকে বললেন, ‘তার পথ ছেড়ে দাও।’
তিনি পথ ছেড়ে দিলেন।

এই আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই যখন মৃতুবরণ করলেন, তখন তার এই পুত্র আব্দুল্লাহ পরকালে তার পিতার মুক্তির আশায় নবীজীর কাছে এসে বললেন, ‘হে রসূলুল্লাহ, আপনি আপনার জামাটি দান করুন, যাতে আমি আমার পিতার কাফনে তা পরাতে পারি।’
তখন নবীজী তার জামাটি দান করলেন। এরপর আব্দুল্লাহ বললেন, ‘আপনি কি তার জানাজা পড়াবেন?’
তিনি তাতেও সম্মতি দিলেন। আব্দুল্লাহ চলে গেলেন।

অতঃপর যখন নবীজী তার জানাজা পড়াতে যাবেন তখন ওমর বললেন, ‘আল্লাহ আপনাকে মুনাফেকদের জানাজা পড়াতে নিষেধ করেছেন, তা কিসের ভিত্তিতে?’

তিনি বললেন, ‘আল্লাহ আমাকে এখতিয়ার দিয়েছেন-মাগফেরাতের দোয়া করব অথবা করব না। আর সেই আয়াতে বলা হয়েছে সত্তুরবার মাগফেরাতের দোয়া করলেও ক্ষমা হবে না। সুতরাং আমি সত্তুর বারেরও বেশী ইস্তেগফার করতে পারি।’

যে আয়াতটির ভিত্তিতে নবীজী একথা বলেছিলেন তা এই- “তুমি তাদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর। যদি তুমি তাদের জন্যে সত্তুরবারও ক্ষমাপ্রার্থনা কর, তথাপি কখনও আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তা এ জন্যে যে, তারা আল্লাহকে ও তার রসূলকে অস্বীকার করেছে। বস্তুতঃ আল্লাহ নাফরমানদের পথ দেখান না।” -(৯:৮০)

নবীজী আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এর জানাজা পড়ালেন। অতঃপর তিনি ওমরকে বলেছিলেন, ‘আমার জামা তাকে আল্লাহর শাস্তি থেকে বাঁচাতে পারবে না। তবে আমি এই কাজটি এজন্যে করেছি যে, হয়তঃ আমার এই কাজের ফলে তার সম্প্রদায়ের অনেকে মুসলমান হবে।’

এসময় এই আয়াতটি নাযিল হয়, যাতে নবী মুহম্মদকে ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজ করা থেকে বিরত থাকতে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে- “আর তাদের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে তার উপর কখনও নামাজ পড়বে না এবং তার কবরে দাঁড়াবে না। তারা তো আল্লাহর প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং রসূলের প্রতিও। বস্তুতঃ তারা নাফরমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছে।” -(৯:৮৪)

সমাপ্ত।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন