pytheya.blogspot.com Webutation

১৩ মার্চ, ২০১২

Murder: কোন মানবের প্রথম মৃত্যুটি ছিল হত্যাকান্ড।

আদম হাওয়াতে উপগত হলে হাওয়া গর্ভধারণ করল। যতদিন তার গর্ভ হালকা ছিল, ততদিন সে তা নিয়ে চলাফেরা করল। অত:পর যখন তা বোঝা স্বরূপ হল তখন তারা উভয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থণা করল, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! যদি তুমি আমাদেরকে একটি সুস্থ্য সন্তান দান কর, তবে আমরা নিশ্চয়ই কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভূক্ত হব।’ 

খোদা আদমকে মাটির সারাংশ থেকে এবং হাওয়াকে আদমের বাম পাঁজড়ের হাঁড় থেকে সৃষ্টি করেছিলেন। আর এখন আদমের দেহ থেকে নিস্ক্রান্ত শুক্রাণু, হাওয়ার ডিম্বানুর সাথে মিলিত হয়ে জরায়ূতে সংরক্ষিত হলে তা জমাট রক্তপিন্ডে পরিণত হল। অতঃপর ঐ জমাট রক্তপিন্ড মাংসে পরিণত হল। এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি হল। অতঃপর ঐ অস্থি মাংস দ্বারা আবৃত্ত হলে আল্লাহ তাকে সুষম করলেন, তাতে রূহ সঞ্চার করলেন এবং দিলেন চক্ষু, কর্ণ ও অন্তঃকরণ। কি নিপুণতম স্রষ্টা আল্লাহ!

কাবিল কৃষিকাজ করত।
এক নির্দিষ্ট সময়ে হাওয়া এক জোড়া সন্তান প্রসব করল। দু‘দুটি সন্তান লাভ করে তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ল। উভয়ে কৃতজ্ঞচিত্তে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করল। 

মানব সন্তান সৃষ্টি সম্পর্কে কোরআনে বলা হয়েছে -তিনিই সেইজন যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একই নফস থেকে, আর তা থেকে তিনি তৈরী করেছেন তার সঙ্গিনী যেন সে তার মধ্যে শান্তি পেতে পারে। অতএব যখন সে তাতে উপগত হয় তখন সে একটি হালকা বোঝা ধারণ করে আর তা নিয়ে চলাফেরা করে; তারপর যখন তা ভারী হয়ে ওঠে তখন উভয়ে আহবান করে তাদের প্রভু আল্লাহকে- যদি তুমি আমাদেরকে একটি সুস্থ্য সন্তান দাও, আমরা তবে নিশ্চয়ই হব কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভূক্ত। -(৭:১৮৯)

হাবিল চরাত মেষ।
আমি মানুষকে মাটির সারাংশ থেকে সৃষ্টি করেছি। অতঃপর আমি তাকে শুক্রবিন্দুরূপে এক সংরক্ষিত আধারে স্থাপন করেছি। এরপর আমি শুক্রবিন্দুকে জমাট রক্তরূপে সৃষ্টি করেছি, অতঃপর জমাট রক্তকে মাংসপিন্ডে পরিণত করেছি এরপর সেই মাংসপিন্ড থেকে অস্থি সৃষ্টি করেছি, অতঃপর অস্থিকে মাংস দ্বারা আবৃত্ত করেছি, অবশেষে তাকে এক নতুনরূপে দাঁড় করিয়েছি।নিপুণতম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কত কল্যাণময়। -(২৩:১২-১৪)

হাবিলও কাবিল ছিল আদম-হাওয়ার প্রথম জোড়া সন্তান। পরবর্তিতে হাওয়া এক জোড়া কন্যা সন্তান প্রসব করে। এরপরে তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। তার নাম রাখা হয় শীষ। অত:পর তাদের অন্যান্য সন্তানেরা জন্মলাভ করে। 

হাবিল ও কাবিল-দু‘জনের মধ্যে কাবিল ছিল অহংকারী ও দুষ্ট। অন্যদিকে হাবিল ছিল দয়ালু ও ভক্তিমান। কাবিল কৃষিকাজ করত আর হাবিল চরাত মেষ। স্বভাবতঃই আদম ও হাওয়ার কাছে হাবিল প্রিয় ছিল। 

হাবিল ও কাবিল যখন বিবাহের উপযুক্ত হল- তখন আদম জৈষ্ঠ্যপুত্র হাবিলের সঙ্গে জৈষ্ঠ্য কন্যার এবং কনিষ্ঠ পুত্র কাবিলের সঙ্গে কনিষ্ঠ কন্যার বিবাহ দেবার সিদ্ধান্ত নিলেন। কিন্তু কাবিল তা মেনে নিতে রাজী হল না। কেননা আদমের কন্যাদ্বয়ের মধ্যে জৈষ্ঠ্যটি ছিল কনিষ্ঠটির তুলনায় সুন্দরী ও আকর্ষণীয়া। আর এ নিয়েই দু‘ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হল। আদম ফয়সালা দিলেন, ‘তোমরা উভয়ে কোরবাণী দাও- যার কোরবাণী খোদা কবুল করবেন, সেই প্রথমে তার স্ত্রী বেঁছে নেবার সুযোগ পাবে।’ 

হাবিল ও কাবিলের কোরবানী
আদম কোরবানীর নিয়ম বুঝিয়ে দিলেন। বললেন, ‘তোমরা তোমাদের কোরবানীর দান উঁচু স্থানে (বেদীতে) নিয়ে রাখ। যার দান গৃহীত হবে, উপর থেকে আগুন এসে তার দান পুড়িয়ে দেবে।’ 

[কোরবানীর এই নিয়মই পরবর্তীতে প্রচলিত ছিল। তবে ইব্রাহিমের কোরবানী ব্যতিক্রম হতে পারে -পুত্র ইসমাইলের স্থলে কোরবানীকৃত দুম্বাটি পরবর্তীতে তিনি কি করেছিলেন তা জানা যায়নি। 

মূসার সময়ে পাথর খন্ডকে কোরবানীর বেদী হিসেবে ব্যাবহার করা হত। তবে লক্ষ্য রাখা হত যেন তা কোন অবস্থাতেই অপবিত্র না হয়ে যায়। অত:পর তার উপর কোরবানী করে তা আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হত। আর ঐ কোরবানীর দান সকলের জন্যে হারাম ছিল ঈমাম ব্যতিত। তবে ইলিয়াস আদমের পদ্ধতিতেই কোরবানী করেছিলেন। অন্যদিকে মুহম্মদের সময় কোরবানী যে কোন পবিত্র স্থানে করার নিয়ম প্রবর্তিত হয় এবং ঐ দানের বস্তু সকল বিশ্বাসীর জন্যে হালাল করে দেয়া হয়।]

খোদার উপর হাবিলের ভক্তি ও আস্থা ছিল প্রবল। সে ভাবল- ‘খোদাকে যা দেব তা হবে সর্বোৎকৃষ্ট।’ সুতরাং সে তার মেষপাল থেকে সবচেয়ে সুন্দর একটি মেষ কোরবাণী করে তা বেদীর উপর রাখল। আর কাবিল ভাবল- ‘ভাল শস্য নষ্ট করে লাভ কি, আল্লাহর তো কোন কিছুরই অভাব নেই।’ সুতরাং সে তার শস্য থেকে নিকৃষ্ট কিছু শস্য নিয়ে তা বেদীর উপর রাখল। 

অতঃপর হাবিল ও কাবিল যখন কার কোরবানী কবুল হচ্ছে তা জানার অপেক্ষায় ছিল, তখন হঠাৎ করে উপর থেকে আগুন নেমে এসে হাবিলের কোরবাণীর মাংস পোড়াতে লাগল। আদম বললেন, ‘খোদা হাবিলের কোরবাণী গ্রহণ করেছেন।’

হাবিলের কোরবাণী গৃহীত হয়েছে দেখে কাবিল মনে হিংসে অনুভব করল। সে হাবিলকে বলল, ‘খোদা তোমার কোরবানী গ্রহণ করেছেন আবার পিতাও তোমার প্রতি বেশী সহানুভূতিশীল। নিতান্তই আমার প্রতি অবিচার হয়েছে। সুতরাং আমি কোনভাবে এটা মেনে নিতে পারি না।’

হাবিল লুটিয়ে পড়ল এবং আর উঠল না। 
হাবিল বলল, ‘খোদা কেবল সংযমীদের কোরবানীই কবুল করেন।’

কাবিল বলল, ‘ভবিষ্যতে তোমার সন্তানেরা আমার সন্তানদেরকে বলবে, ‘খোদা তোমাদের পিতার কোরবানী কবুল করেননি।’ আমি তা হতে দিতে পারি না। সুতরাং আমি তোমাকে খুন (Murder) করবই।’

হাবিল বলল, ‘আমাকে খুন করার জন্যে তুমি হাত তুললেও তোমাকে খুন করার জন্যে আমি হাত তুলব না; আমি তো বিশ্ব জগতের প্রতিপালককে ভয় করি। আমি চাই তুমি আমার ও তোমার পাপের ভার বইবে ও বাস করবে আগুনে। আর এটাই জালিমদের কর্মফল।’ 

এ সময় আদম কি হচ্ছে তা জানতে চাইলে, দু’ভাই যার যার পথে চলে গেল। 


অত:পর একদিন সকালে হাবিল যথন তার মেষপাল চরাতে নিয়ে যাচ্ছে, সেসময় কাবিল তাকে দেখতে পেল। সে ঐ সময় তার ক্ষেতের ধারে বসে হাবিলকে শায়েস্তা করার কথা ভাবছিল, কারণ, তার ক্ষেতের ফসল হাবিলের এক ভেড়া নষ্ট করেছে। In a rage, the latter called out, "What right hast thou to live upon my land and let thy sheep pasture yonder?" 


Abel retorted: "What right hast thou to use the products of my sheep, to make garments for thyself from their wool? If thou wilt take off the wool of my sheep wherein thou art arrayed, and wilt pay me for the flesh of the flocks which thou hast eaten, then I will quit thy land as thou desirest, and fly into the air, if I can do it." 


Cain thereupon said, "And if I were to kill thee, who is there to punish me?" 

Abel replied: "God, who brought us into the world, will avenge me. He will require my blood at thine hand, if thou shouldst slay me. God is the Judge, who will visit their wicked deeds upon the wicked, and their evil deeds upon the evil. Shouldst thou slay me, God will know thy secret, and He will deal out punishment unto thee."

These words but added to the anger of Cain, and he threw himself upon his brother. Abel was stronger than he, and he would have got the worst of it, but at the last moment he begged for mercy, and the gentle Abel released his hold upon him. তখন কাবিল নিজেকে মুক্ত করে নিল।-Haggadah of Pesach, Chapter III: 


তারপর হাবিল যখন চলে যাচ্ছিল, তখন তার গমনপথের দিকে তাকিয়ে কাবিলের মন তার ভাইকে খুন করতে উত্তেজিত করল। তখন সে একটা পাথরের টুকরো কুড়িয়ে নিয়ে হাবিলকে লক্ষ্য করে তা ছুঁড়ে মারল। আর তা হাবিলের মাথায় গিয়ে আঘাত হানল। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল এবং আর উঠল না। কাবিল এগিয়ে এসে দেখল রক্ত বয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কি করতে হবে তা সে ভেবে পেল না। হাবিল মারা গেল আর দুনিয়ার প্রথম খুনটি সংঘটিত হল। আর কাবিল ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।
মৃত্যু সম্পর্কে কাবিলের কোন পরিস্কার ধারণা ছিল না। সুতরাং সে হাবিলের নিথর, নিস্তব্ধ দেহের দিকে তাকিয়ে কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়ল। এই মৃতদেহ নিয়ে এখন সে কি করবে তা ভেবে অস্থির হয়ে পড়ল। ইতিমধ্যে তার মন থেকে জিঘাংসা লুপ্ত হয়েছিল বটে তবে ভীতি তার মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলল। এ সময় সে খোদার উদ্দেশ্যে বলল,- "O Lord of the world! Are there informers who denounce men before Thee? My parents are the only living human beings, and they know naught of my deed. Thou abidest in the heavens, and how shouldst Thou know what things happen on earth?" 

God said in reply: "Thou fool! I carry the whole world. I have made it, and I will bear it"--a reply that gave Cain the opportunity of feigning repentance. 

"Thou bearest the whole world," he said, "and my sin Thou canst not bear? Verily, mine iniquity is too great to be borne! Yet, yesterday Thou didst banish my father from Thy presence, to-day Thou dost banish me. In sooth, it will be said, it is Thy way to banish."-Haggadah of Pesach, Chapter III: 

তারপর কাবিল তার ভাইয়ের মৃতদেহ লুকানোর কথা ভাবল। কিন্তু কোন উপায় খুঁজে না পেয়ে সে লাশ কাঁধে তুলে নিল এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে ফিরতে লাগল। কিন্তু কোন পথ সে পেল না। একসময় লাশের শিরাগুলি সঙ্কুচিত হল এবং তা শক্ত হয়ে গেল, আর লাশের ভার পিঠে বহন করতে করতে কাবিলও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ল। সুতরাং সে এক স্থানে বিশ্রামের জন্যে থামল এবং লাশটি নামিয়ে রেখে নিজের অবস্থা ও অবস্থানের কথা ভাবতে লাগল।
কাক।
তখন আল্লাহ তার এই বিশ্বাসী বান্দার মৃতদেহের প্রতি যথাযত সম্মান প্রদর্শণ করতে চাইলেন। সুতরাং তিনি পাঠালেন এক কাক। সে লাশ কিভাবে গোপন করা যায় তা কাবিলকে দেখানোর উদ্দেশ্যে অপর একটি কাকের সাথে মারামারি করে তাকে হত্যা করল। তারপর মৃত কাকের পাশে পায়ের নখর ও ঠোঁটের সাহায্যে মাটি খুঁড়ে এক গর্ত তৈরী করল। আর তারপর মৃত কাকটিকে ঠোঁট দিয়ে গড়িয়ে ঐ গর্তে ফেলে দিয়ে নখরের সাহায্যে সেটিকে মাটি চাপা দিয়ে দিল। 

এই ঘটনা প্রত্যক্ষ করে কাবিল বড়ই লজ্জিত হল। সে নিজেকে ধিক্কার দিল, বলল, ‘হায়! আমি কতই না হতভাগা! ধিক আমাকে! আমি কি এই কাকের মতও হতে পারলাম না, যাতে আমার ভাইয়ের লাশ গোপন করতে পারি?’ তারপর সে অনুতপ্ত হল। আর মাটি খুঁড়ে হাবিলের লাশ কবর দিয়ে দিল। 

এ সম্পর্কে কোরআনে বলা হয়েছে এমন-‘আদমের দু’পুত্র (হাবিল ও কাবিল) যখন তারা দু’জনে কোরবাণী করেছিল তখন একজনের কোরবাণী কবুল হল আর অন্যজনের কোরবাণী কবুল হল না। তাদের একজন বলল, ‘আমি তোমাকে খুন করবই।’ 

অপরজন বলল, ‘আল্লাহ সংযমীদের কোরবাণী কবুল করেন। আমাকে খুন করার জন্যে তুমি হাত তুললেও তোমাকে খুন করার জন্যে আমি হাত তুলব না; আমি তো বিশ্বজগতের প্রতিপালকের ভয় করি। আমি চাই তুমি আমার ও তোমার পাপের ভার বইবে ও বাস করবে আগুনে। আর এটাই জালিমদের কর্মফল।’ 

তারপর তার মন তাকে তার ভাইকে খুন করতে উত্তেজিত করল ও সে (কাবিল) তাকে হত্যা করল, তাই সে ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভূক্ত হল। তারপর আল্লাহ পাঠালেন এক কাক, যে তার ভাইয়ের লাশ কিভাবে গোপন করা যায় তা দেখাবার উদ্দেশ্যে মাটি খুঁড়তে লাগল। সে বলল, ‘হায়! আমি কি এই কাকের মতও হতে পারলাম না, যাতে আমার ভাইয়ের লাশ গোপন করতে পারি?’ তারপর সে অনুতপ্ত হল।-(৫:২৭-৩১)

অবশ্য এই ঘটনা পরিবর্তিত হতে হতে ইহুদি লোককাহিনীতে ঠাঁই নিয়েছে এভাবে- “Nature was modified also by the burial of the corpse of Abel. For a long time it lay there exposed, above ground, because Adam and Eve (he) knew not what to do with it. They (He) sat beside it and wept, while the faithful dog of Abel kept guard that birds and beasts did it no harm. On a sudden, the mourning parents (brother) observed how a raven scratched the earth away in one spot, and then hid a dead bird of his own kind in the ground. Adam (Cain), following the example of the raven, buried the body of Abel.” Haggadah of Pesach, Chapter III: The Ten Generations The Punishment of Cain. 

সমাপ্ত। 
ছবি: wadevenden.wordpress, lds.org, birds.cornell.edu

# রফিক জিজ্ঞেস করেছিল, ভাই, ক্যামনে নিশ্চিত হলেন, ইহুদিদের কাহিনী ঠিক নে?
-এটা নিশ্চিত হতে খুব বেশী জ্ঞানের প্রয়োজন আছে কি? সহজ লজিক- প্রথমত: ঐশী গ্রন্থের লেটেস্ট ভার্সণ, তথা কোরআন আছে আমার কাছে। যার দাবী, তাতে মিথ্যার লেশমাত্র নেই, সামনের দিক থেকে, কি পিছনের দিক থেকে এবং সেটি সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী। আর তার এসব দাবী সুপ্রতিষ্ঠিত রয়েছে দু’হাজার বৎসর যাবৎ। দ্বিতীয়ত: কোরআন জানায়  অাদম জ্ঞানে ফেরেস্তা ও জ্বিণ জাতিকে পেছনে ফেলেছিল এবং সে একজন রসূলও বটে- সুতরাং লাশের সৎকার নিয়ে তার চিন্তার আদৌ যৌক্তিক কারণ আছে কি?


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন