pytheya.blogspot.com Webutation

৩ মার্চ, ২০১২

Diyya: কেন এক’শ উট নির্ধারিত।


বনি খোজা গোত্র দু’শতাব্দীরও অধিক কা’বাগৃহ এবং কা’বাগৃহ তাদের যে প্রাধান্য দিয়েছিল তার অধিকার ভোগ করেছিল। শেষ খোজা গোত্রপ্রধান হোলাইলের মৃত্যুতে ফিহরের এক বংশধর কোসাই যিনি হোলাইলের কন্যাকে বিবাহ করেছিলেন, খোজাদেরকে মক্কার বাইরে তাড়িয়ে দিলেন এবং নিজেই নগরের পার্থিব ও ধর্মীয় সর্বময় ক্ষমতা দখল করলেন। এভাবে তিনি হিজাজের প্রকৃত শাসনকর্তা হলেন। 

কোসাই ৩৯৮ খ্রীঃ জন্মগ্রহণ করেছিলেন। অতঃপর পঞ্চম শতাব্দীর মধ্যভাগে মক্কা নগরীর অধিপতির আসনে সমাসীন হয়ে অবিলম্বে সুগঠিত ভিত্তির উপর নগরীর শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় নিজেকে নিয়োজিত করলেন। 

খ্রীষ্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করলে তার জৈষ্ঠ্যপুত্র আব্দুদ্দার উত্তরাধিকারী হলেন। তার মৃত্যুর পর তার পুত্র ও ভ্রাতুস্পুত্রের মধ্যে বিরোধ শুরু হল। আপোষ মিমাংসায় ভ্রাতা আব্দুস মান্নাফের পুত্র, আব্দুস শামসের উপর সিকায়া ও রিফাদার ভার ন্যস্ত হয়। আব্দুস মান্নাফের শামস, হাশিম, নত্তফেল ও মুত্তালিব এই চার পুত্র ছিলেন। আব্দুস শামস তুলনামূলকভাবে দরিদ্র ছিলেন। তাই তিনি তার উপর ন্যস্ত দায়িত্ব গোত্রের মধ্যে প্রতিপত্তিশীল ও ঐশ্বর্যশালী ব্যক্তি তার ভ্রাতা হাশিমের উপর ন্যস্ত করেছিলেন। 

অধিকাংশ মক্কাবাসীদের মত হাশিমও বাণিজ্য করতেন। তিনি নিয়মিতভাবে মক্কা থেকে দু’টি বাণিজ্য দল পাঠাতেন। একটি শীতকালে ইয়েমেনে, অন্যটি গ্রীষ্মকালে সিরিয়ায়। একবার ব্যবসার উদ্দেশ্যে সিরিয়া গমনকালে হাশিম ইয়াসরিবের বনি নাজ্জার গোত্রের সালমা নাম্নী জনৈকা নারীর পাণি গ্রহণ করেন। কিছুকাল পর সিরিয়ায় এক বাণিজ্য অভিযানকালে তিনি গাজা শহরে (৫১০ খ্রীষ্টাব্দের দিকে) মৃত্যুবরণ করেন। 

মৃত্যুকালে তিনি ইয়াসরিববাসী স্ত্রী সালমার গর্ভজাত একমাত্র পুত্র শায়বাকে রেখে যান। তার মৃত্যুতে তার পুত্রের খবর তার ভ্রাতাদের কাছে অজ্ঞাত থেকে যায়। এদিকে তার মৃত্যুতে রিফাদা ও সিকায়া তার কনিষ্ঠ ভ্রাতা মুত্তালিবের উপর ন্যস্ত হয়। দীর্ঘ আট বৎসর পর মুত্তালিব ভ্রাতুষ্পুত্রের সংবাদ পেয়ে শ্বেতকেশ বিশিষ্ট যুবক শায়বাকে ইয়াসরিব থেকে মক্কায় নিয়ে আসেন। শায়বাকে মুত্তালিবের দাস মনে করে মক্কাবাসীরা তাকে ‘আব্দুল মুত্তালিব’ বলত। এই আব্দুল মুত্তালিবই মুহম্মদের পিতামহ।                   

মুত্তালিব ৫২০ খ্রীষ্টাব্দের শেষ দিকে ইয়েমেনের কাজওয়ানে মৃত্যুবরণ করলে আব্দুল মুত্তালিব তার উত্তরাধিকার লাভ করেন। এসময় মক্কার শাসনভার কোসাই পরিবারের নেতৃস্থানীয় সদস্যদের নিয়ে গঠিত পরিষদের উপর ন্যস্ত ছিল। 

এসময় আব্দুল মুত্তালিব সপ্নাদিষ্ট হয়ে জমজম কূপ আবিস্কারের নেশায় মেতে উঠলেন। পুত্র হারিসের সহযোগিতায় সাফা ও মারওয়া পাহাড়দ্বয়ের মাঝে কূপটির সন্ধানে লেগে রইলেন। কাজটি কঠিন ও দূরূহ ছিল। সুতরাং তিনি কুরাইশদের সহযোগিতা চাইলেন। কিন্তু তারা এই কাজটিকে অসম্ভব ভেবে তাকে সহযোগিতা করতে অসম্মতি জ্ঞাপন করল। তখন আব্দুল মুত্তালিব আল্লাহর কাছে প্রতিজ্ঞা করলেন, ‘হে আল্লাহ! আমি যদি এই কাজে সফলতা লাভ করি, আর যদি তুমি আমাকে দশটি পুত্র দান কর, তবে তাদের একটিকে আমি তোমার নামে উৎসর্গ করব।’
পরবর্তিতে আব্দুল মুত্তালিব দশটি পুত্র সন্তান লাভ করেছিলেন।

আব্দুল মুত্তালিব পুত্র হারিসের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন প্রচেষ্টার পর কূপটির সন্ধান পেলেন। এরপর পিতা-পুত্র মিলে সেটি খনন করলেন। 

আব্দুল মুত্তালিব-সুবিধা ও ক্ষমতার বন্টন সত্ত্বেও তার ব্যক্তিগত চরিত্র ও প্রভাব তার জন্যে বয়ে এনেছিল সন্দেহাতীত প্রাধান্য। তিনি দশটি পুত্র ও ছয়টি কন্যাসন্তান লাভ করেছিলেন। হারিস ছিলেন জৈষ্ঠ্য পুত্র। অন্যান্যরা হলেন আবু লাহাব (আব্দুল উজ্জা), আবু তালিব (আব্দুল মান্নাফ), আমরের কন্যা ফাতিমার গর্ভজাত পুত্ররা হলেন জোবায়ের ও আব্দুল্লাহ এবং কন্যারা হলেন আত্তিকা ও মায়মা, আরওয়া, বার্রা ও বায়জা। নুতাইলার গর্ভজাত পুত্ররা হলেন ধিরার ও আব্বাস। হালার গর্ভজাত পুত্ররা হলেন মুকাইন, গায়জাক, হামজা ও কন্যা সফিয়া। আব্দুল মুত্তালিবের অন্য দু’টি পুত্র অজ্ঞাতনামা, সম্ভবতঃ তারা কোন সন্তান রেখে যাননি। 

আব্দুল মুত্তালিব, এই সম্মানিত গোত্র প্রধান তার একটি পুত্রসন্তান উৎসর্গের প্রতিজ্ঞা করেছিলেন। এই প্রতিজ্ঞা পালনের জন্যে তিনি তার সকল পুত্রদের ডাকলেন। তারা সকলেই সম্মতি প্রকাশ করলেন। তাতে তিনি লটারী করলেন। এই লটারীতে তার সর্বাপেক্ষা প্রিয় পুত্র আব্দুল্লাহর নাম উঠল। সুতরাং তাকেই কোরবাণী করার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। 

নির্দিষ্ট দিনে দলে দলে লোকেরা কা‘বা প্রাঙ্গনে সমবেত হল। আব্দুল্লাহর মাতৃকূল সর্বপ্রথমে বাঁধা সৃষ্টি করল। অতঃপর সমবেত অন্যরাও আব্দুল মুত্তালিবকে এই কাজে বিরত থাকতে অনুরোধ করল। সুতরাং মুত্তালিব পিথিয়ার বাণীর স্বরণাপন্ন হলেন। এই বাণীতে বলা হল- ‘দশটি উট ও সন্তানের মধ্যে লটারী কর। উটের নাম উঠলে সেগুলি কোরবানী করে দাও আর সন্তানের নাম উঠলে উটগুলোর সাথে প্রতিবার আরও দশটি উট যোগ করে লটারী করতে থাক, যতক্ষণ না উটের নাম উঠে।’

সুতরাং আব্দুল মুত্তালিব লটারী দিতে থাকলেন। অতঃপর যখন এক‘শ উট ও আব্দুল্লাহর মধ্যে লটারী অনুষ্ঠিত হল, উটের নাম উঠল। সেই থেকে মানুষের জীবনের বিনিময় দিয়াত (Diyya), এক’শ উট উৎসর্গের প্রথা প্রচলিত হয়েছিল। তারপর থেকে এই ব্যবস্থাই নির্ধারিত হিসেবে চলে আসছিল এবং মুহম্মদের নব্যুয়তের পরও তা বলবৎ ছিল।

দিয়া (Diya, Diyah বা Diyeh) কি? 
ইসলামিক শরিয়া আইনে দিয়া (বহুবচন দিয়াত) হচ্ছে হত্যা, শারিরিকভাবে জখম বা সম্পদের ক্ষয়-ক্ষতিতে ক্ষতিগ্রস্থ বা তার পরিবার বা তার আত্মীয়বর্গকে দেয় আর্থিক ক্ষতিপূরণ। এটা কিসাস (সমান প্রতিশোধ)-এর বিকল্প শাস্তি। আক্ষরিক অর্থে রক্তমূল্য ও মুক্তিপণ উভয়ই বোঝায়। ২০১১ সনে সৌদি আরবে অনিচ্ছাকৃত হত্যায় দিয়ার পরিমান ছিল ৩ লক্ষ সৌদি রিয়েল (৮০,০০০ মার্কিন ডলার) এবং পরিকল্পিত হত্যায় ৪ লক্ষ সৌদি রিয়েল (১০৬,০০০ মার্কিন ডলার)। উটের বাজার দরের উপর Diyya কম বেশী হয়ে থাকে।

দিয়ার হার ক্ষতিগ্রস্থের লিঙ্গ ও ধর্মের উপরও নির্ভর করে। যেমন, একজন মুসলিম স্ত্রীলোকের জন্যে প্রযোজ্য দিয়া মুসলিম পুরুষের অর্ধেক। তেমনি একজন গ্রন্থধারীর (খৃষ্টান ও ইহুদি) জন্যে প্রযোজ্য একজন মুসলিমের অর্ধেক এবং পৌত্তলিক ও অন্যান্যদের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ আরও কম (1/16th to half of a Muslim)।

ইসলামি শরীয়া আইন-ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মানবাতার স্বার্থে-
হত্যার বদলে হত্যা (সৌদি স্টাইল)।
কোরআন কিসাস (প্রতিশোধ) এবং দিয়ার (ক্ষতিপূরণ) মূলনীতি সূনির্দিষ্ট করেছে- It is not for a believer [Muslim] to kill a believer unless (it be) by mistake. He who hath killed a believer by mistake must set free a believing slave, and pay the blood-money to the family of the slain, unless they remit it as a charity. If he (the victim) be of a people hostile unto you, and he is a believer, then (the penance is) to set free a believing slave. And if he cometh of a folk between whom and you there is a covenant, then the blood-money must be paid unto his folk and (also) a believing slave must be set free. And whoso hath not the wherewithal must fast two consecutive months. A penance from Allah. Allah is Knower, Wise.— 4:92 

দিয়া সম্পর্কে অনেক হাদিসও রয়েছে। যেমন-

Narrated Abu Juhaifa: I asked 'Ali "Do you have anything Divine literature besides what is in the Qur'an?" Or, as Uyaina once said, "Apart from what the people have?" 'Ali said, "By Him Who made the grain split (germinate) and created the soul, we have nothing except what is in the Quran and the ability (gift) of understanding Allah's Book which He may endow a man, with and what is written in this sheet of paper." I asked, "What is on this paper?" He replied, "The legal regulations of Diya (Blood-money) and the (ransom for) releasing of the captives, and the judgment that no Muslim should be killed in Qisas (equality in punishment) for killing a Kafir (disbeliever)."— Sahih al-Bukhari, 9:83:50 

Narrated Hisham's father: 'Umar asked the people, "Who heard the Prophet giving his verdict regarding abortions?" Al-Mughira said, "I heard him judging that a male or female slave should be given as a Diyya." 'Umar said, "Present a witness to testify your statement." Muhammad bin Maslama said, "I testify that the Prophet gave such a judgment." — Sahih al-Bukhari, 9:83:42, 9:83:36, 9:83:41, 9:83:45.

Yahya related to me from Malik that he heard that Umar ibn Abd al-Aziz gave a decision that when a Jew or Christian was killed, his blood-money was half the blood-money of a free Muslim.— Al-Muwatta, 43 15.8b 

Islamic law treats homicide and unintentional homicide (not just bodily injury and property damage), as a civil dispute between believers, rather than corrective punishment by the state to maintain order. The offender must either face equal retaliation known as Qisas ("Life for life, eye for eye, nose for nose, ear for ear, tooth for tooth, and wounds equal for equal." Quran 5:45 ), pay Diyyat ("blood money") to the victim or heirs of the victim, or be forgiven by the victim or victim's heir(s).

In all cases of death, injury and damage, under traditional sharia doctrine, the prosecutor is not the state, but only the victim or the victim's heir (or owner, in the case when the victim is a slave). Diyya is similar in practice to "out-of-court settlement" in a tort case, but with important differences. Under sharia practice, tort-like civil liability settlement is limited to property damage, while in the cases of bodily injury and death, the "blood money" Diyya compensation is fixed by a formula (এক’শ উটের মূল্য). The victim, victim's heir or guardian may alternatively forgive the bodily injury or murder as an act of religious charity (expiation of their own past sins).

The value of Diyya, under all schools of sharia, varied with the victim's religion, sex and legal status (free or slave). For a free Muslim male, the Diyya value of his life was traditionally set as the value of 100 camels. This was valued at 1000 dinars or 12000 dirhams, corresponding to 4.25 kilograms of gold, or 29.7 to 35.64 kilograms of silver.

The Diyya value in case the victim was a woman, non-Muslim or slave varied in the sharia of different schools of Islamic law. The Diyya must be paid by the murderer or the estate of the murderer. In some cases, such as when the murderer is a juvenile, the Diyya is owed by the family of the murderer ('Aqila). In other cases, the group ('Aqila) that must pay Diyya to the victim or victim's heirs is the tribe or urban neighbors of the culprit.

The Diyya for a murdered woman was half than the Diyya for a murdered man, in all fiqhs of Islamic law. Further, in Hanafi and Maliki sharia doctrines, a Diyya was not payable to a non-Muslim from a murderer's estate, if the murderer dies for natural or other causes during the trial.

If the victim was Musta'min (foreigner visiting), or an apostate (converting from Islam to another religion), neither Qisas nor Diyya applied against the Muslim who killed the victim.

Hanafi and Maliki fiqh also consider the life of a Christian or Jew to be worth half a Muslim's life, but Shafi'i schools of jurisprudence consider it to be worth a third that of a Muslim. The legal schools of Hanafi, Maliki and Shafi'i Sunni Islam as well as those of Shia Islam have considered the life of polytheists and atheists as one-fifteenth the value of a Muslim during sentencing.

সমাপ্ত।

# একজন বলেছিল একজন মুসলিম কোন পৌত্তলিকের হাতে নিহত হলে ‘দিয়া’ হবে ১০০ উট, আর মুসলিমের হাতে পৌত্তলিক নিহত হলে ’দিয়া” হবে ১৫ উট, এটাকে কি কোনভাবে ন্যায়বিচার বলা যাবে?

আমি বললাম, ”জেনে অপরাধ করা, আর না জেনে অপরাধ করা, দু’টো এক নয়। ইসলাম সত্য ধর্ম, আর সত্য জানার পর কোন মুসলিম হত্যার মত ঘৃণ্য অপরাধ করে যাতে পার পেতে না পারে এ জন্যেই এমনটা করা হয়েছে, পৌত্তলিক ছাড় পেয়েছে, কিন্তু মুসলিম অপরাধী কোন ছাড় পায়নি।”

সে বলল, ”বুঝলাম না, আমার তো মনে হচ্ছে ঠিক উল্টো। কোন মুসলিম ্একজন পৌত্তলিককে হত্যা করলে দিয়া হিসেবে তাকে দিতে হবে ১৫টি উট, অখচ একই অপরাধে পৌত্তলিককে দিতে হচ্ছে ১০০ উট যা মুসলিমের দেয় থেকে ৮৫ উট বেশী, ফলে তা অবিচার ঐ পৌত্তলিকের জন্য। আর অবিচারই নয়, বরং মানুষ হিসেবে তাকে অবমাননাও করা হয়েছে।”

অমি বললাম, ”আপনার কোন কথাই ঠিক না। দিয়া নির্ধারিত ১০০ উট, আর পৌত্তলিক সেটা্ই দিচ্ছে একটাও বেশী ন। আর এভাবে অজ্ঞ পৌত্তলিককে ইসলাম ছাড় দিয়েছে। সে ১০০ উট দিয়ে নিজের জীবন বাঁচাতে পারছে।
অন্যদিকে মুসলিমের জন্যে কোন ছাঁড় নেই, হত্যার বদলে হত্যার শাস্তি তাকে পেতেই হচ্ছে। কেননা, পৌত্তলিককে ১০০ উটের জায়গায় ১৫ উট দিতে চাওয়ায় পাগল ছাড়া কেউ “দিয়া” নেবে না। ফলে মুসলিমকে হত্যার বদলে হত্যার শাস্তিই পেতে হবে।

আর হ্যাঁ, সলাম পৌত্তলিককে অপমান করেছে এটা সত্য। অার এটা তাদের প্রাপ্য। আজকের এই যুগে কেউ ইট, কাঠ, পাথর ও মূত্তিকে পূঁজো করছে এটা কি ভাবা যায়? অনেকে বলে,পৈত্রিক ধর্ম, বাপ-দাদারা করেছে...। তবে কি বাপ দাদারা পবিত্র হতে গোবর গুলে খেয়েছে, আমিও খাব? তারা ভুল করেছে, আমিও করব? তা হলে শিক্ষা ও জ্ঞানের প্রযোজনটা কি, যদি আমরা বিচার বিবেচনা বা যুক্তি প্রমান ব্যবহার না করি? 

অন্যদিকে, দেবতারাও তাদের এসব পূজো গ্রহণ করবেন কিনা তা তারা ভেবে দেখবে না? সামান্য কমনসেন্স, করবেন না। কারণ, রহিমের পাসপোর্টে করিমের ছবি লাগালে ভিসা পাওয়া যায় না। উপরন্তু. তাদের এ কাজ দেবতার নিকট ঘৃণ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হবে। কারণ, কোন দেবতার রূপ কল্পনা করে তৈরীকৃত মূর্তি বা প্রতিমূর্তি দেবতার প্রকৃত স্বরূপকে নিকৃষ্ট করে; তার স্বরূপের মিথ্যা প্রতিভাস তৈরী করে। আর কোন দেবতা তার প্রকৃতস্বরূপের নিকৃষ্টরূপ দিয়ে তৈরী এবং সে তৈরীকৃত মিথ্যে প্রতিভাসের নিকট নিবেদিত অর্ঘ্য কোন সুস্থ্য দেবতা গ্রহণ করবেন কি??

উৎস:
  •  Anver M. Emon (2012), Religious Pluralism and Islamic Law: 
  •  Richard J. Terrill (2012), World Criminal Justice Systems:
  •  Rudolph Peters (2006), Crime and Punishment in Islamic Law,
  •  Malone, Noreen (20 March 2009). "How Does Blood Money Work?"
  •  Rudolph Peters (2006), Crime and Punishment in Islamic Law,
  •  Chibli Mallat (2007), Introduction to Middle Eastern Law,
  • M Kar (2005), Encyclopedia of Women and Islamic Cultures: Family, Law and Politics 
  • Rudolph Peters and Peri Bearman (2014), The Ashgate Research Companion to Islamic Law, 
  •  Waseem Ahmed Shah, Pros and cons of Qisas and Diyat law.
  •  Wikipedia.

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন